ঢাকা ০২:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দখল-ভাঙচুরে ছাড় নয়, জাইমার নিয়োগেও সম্পৃক্ততা নেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর সার্বিক পরিবেশ ইতিবাচক প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী রাড্ডা সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় এমপির বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা  মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আপসের দাবি, এমপি নজরুলের জামিন নামঞ্জুর  হরমুজ থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, দাবি ইরানের ফুটপাতে হাঁটা পথচারীর অধিকার এটি কারও ব্যক্তিগত সম্পদ নয় সময় হলেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর: দীনেশ ত্রিবেদী দুর্গাপূজার ছুটি একদিন বাড়ানোর উদ্যোগে স্বস্তির বার্তা হিন্দু সম্প্রদায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বে জবাবদিহিতা পরামর্শক ব্যয় কমানোর নির্দেশ

রমজানের আগে বাজারে মূল্যচাপ, নিত্যপণ্যে ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:০৩:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬ ২৮৬ বার পড়া হয়েছে

বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদি পণ্যের দাম বাড়ছে: ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পবিত্র রমজান মাস ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজধানীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে নতুন করে চাপ সৃষ্টি হয়েছে। চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, ছোলা, চিনি ও মসলাজাতীয় পণ্যের দাম এক সপ্তাহের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা সাধারণ ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

তবে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় শীতকালীন সবজি ও নতুন দেশি পেঁয়াজের দামে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, ভোজ্যতেলের বাজারে দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী। পাঁচ লিটারের সয়াবিন তেলের বোতল ৫০ টাকা বেড়ে এখন ৯৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মসুর ডালের দাম কেজিতে ২০ থেকে ২৫ টাকা বেড়ে মানভেদে সর্বোচ্চ ১৬৫ টাকায় পৌঁছেছে। ছোলার কেজি সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে ৯০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০ টাকা ছাড়িয়েছে।

সবচেয়ে বেশি মূল্যবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে আমদানিনির্ভর মসলাজাতীয় পণ্যে। এলাচির কেজি ৩ হাজার ২০০ টাকা থেকে বেড়ে ৫ হাজার ৫০০ টাকা, আলুবোখারা ৪০০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা এবং কিশমিশ ও কাঠবাদামের দাম যথাক্রমে ৯০০ টাকা ও ১ হাজার ২৫০ টাকায় উঠেছে। ব্যবসায়ীরা ভ্যাট ও আমদানি ব্যয় বৃদ্ধিকে মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন।

এদিকে শিশুখাদ্য ও দুগ্ধজাত পণ্যের বাজারেও মূল্যচাপ দেখা দিয়েছে। ল্যাকটোজেন ও নিডোসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দুধের কৌটা প্রতি দাম ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আড়াই কেজির নিডো দুধ এখন ৩ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি সব ধরনের চা পাতার দাম কেজিতে প্রায় ১০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রোটিন বাজারে মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। ডিমের বাজারে অস্থিরতা প্রকট, এক সপ্তাহে ডজনপ্রতি দাম ১০০ টাকা থেকে বেড়ে ১২৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৭০ থেকে ১৮৫ টাকা এবং সোনালি মুরগি ২৯০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের দাম অপরিবর্তিত থেকে কেজিপ্রতি ৮০০ টাকায় স্থির রয়েছে।

অন্যদিকে কাঁচাবাজারে তুলনামূলক স্বস্তি দেখা গেছে। নতুন দেশি পেঁয়াজের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় দাম কমে কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় নেমেছে, যেখানে আমদানিকৃত পেঁয়াজ এখনও ৭০ টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। শীতকালীন সবজির দামও নিম্নমুখী, ফুলকপি ৩৫–৪০ টাকা, বাঁধাকপি ৩০–৩৫ টাকা, নতুন আলু ৩০–৩৫ টাকা এবং শিম ৪০–৬০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

ভোক্তারা বলছেন, নির্বাচন ও রমজানের আগে বাজার ব্যবস্থাপনায় কার্যকর নজরদারি না থাকলে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়বে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সরবরাহ শৃঙ্খলা জোরদার, আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং বাজার তদারকি বাড়ানো না গেলে নিত্যপণ্যের মূল্যস্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা কঠিন হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :