ঢাকা ১০:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দখল-ভাঙচুরে ছাড় নয়, জাইমার নিয়োগেও সম্পৃক্ততা নেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর সার্বিক পরিবেশ ইতিবাচক প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী রাড্ডা সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় এমপির বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা  মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আপসের দাবি, এমপি নজরুলের জামিন নামঞ্জুর  হরমুজ থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, দাবি ইরানের ফুটপাতে হাঁটা পথচারীর অধিকার এটি কারও ব্যক্তিগত সম্পদ নয় সময় হলেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর: দীনেশ ত্রিবেদী দুর্গাপূজার ছুটি একদিন বাড়ানোর উদ্যোগে স্বস্তির বার্তা হিন্দু সম্প্রদায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বে জবাবদিহিতা পরামর্শক ব্যয় কমানোর নির্দেশ

বীর উত্তম এ.কে. খন্দকারের মৃত্যুতে  প্রধান উপদেষ্টার শোক

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:১৪:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ ৩৬১ বার পড়া হয়েছে

বীর উত্তম এ.কে. খন্দকারের মৃত্যুতে  প্রধান উপদেষ্টার শোক

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বীর-উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আবদুল করিম খন্দকার এ.কে. খন্দকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি ইন্তেকাল করেন।  আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর।

এক শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এ.কে. খন্দকার ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অবিস্মরণীয় সৈনিক। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ হিসেবে তিনি অসাধারণ সাহসিকতা, দূরদর্শিতা ও নেতৃত্বগুণের পরিচয় দেন। তার কৌশলগত সিদ্ধান্ত ও সাংগঠনিক দক্ষতা স্বাধীনতার সংগ্রামকে আরও সুসংহত ও বেগবান করেছিল।

ড. ইউনূস বলেন, স্বাধীনতার পর এ.কে. খন্দকার বাংলাদেশ বিমান বাহিনী গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিমান বাহিনী প্রধান হিসেবে তিনি এই বাহিনীকে একটি সুসংগঠিত, আধুনিক ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে অনন্য অবদান রাখেন।

শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, রণাঙ্গনের একজন সম্মুখসারির মুক্তিযোদ্ধা হয়েও এ.কে. খন্দকার মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতে গ্রন্থ রচনা করেছিলেন। এই সাহসী অবস্থানের কারণে বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে তাকে নানাভাবে রোষানলের মুখে পড়তে হয়েছিল। ইতিহাসের সত্য তুলে ধরাই ছিল তার তথাকথিত অপরাধ।

প্রধান উপদেষ্টা এ.কে. খন্দকারকে একজন দৃঢ়চেতা, সৎ, সাহসী ও আদর্শনিষ্ঠ দেশপ্রেমিক হিসেবে অভিহিত করে বলেন, তার কর্ম, চিন্তা ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন এ.কে. খন্দকার। ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পাবনা-২ (বেড়া–সুজানগর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি দুই ছেলে, এক কন্যা ও তিন নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। এর আগে চলতি বছরের ৮ জুন তার সহধর্মিণী ফরিদা খন্দকার ইন্তেকাল করেন।

সবশেষে প্রধান উপদেষ্টা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, সহযোদ্ধা ও গুণগ্রাহীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :