ঢাকা ১১:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জব্বারের বলীখেলায় ইতিহাস: হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন বাঘা শরীফ উত্তরাঞ্চলে অতিবৃষ্টির শঙ্কা: সিলেট-সুনামগঞ্জে সাময়িক বন্যার পূর্বাভাস বিয়াম স্কুলে শিশুদের সঙ্গে প্রাণবন্ত সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী উদ্ভাবকদের স্বীকৃতি ও সুরক্ষায় আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উত্তরণ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের ২৯ তম বার্ষিক সাধারণ সভা পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে সংস্কারে জোর দিচ্ছে সরকার : অর্থমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা: নজরদারি বাড়িয়েছে সিটিটিসি নির্বাচনের আগেই অস্থিতিশীলতার ষড়যন্ত্র: জামায়াতকে কড়া জবাব মির্জা ফখরুলের লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম

ভারতের দখল থেকে ৫ কিলোমিটার নদীপথ উদ্ধার বিজিবি’র

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৮:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫ ৩১৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর (বিএসএফ) দখল থেকে ৫ কিলোমিটার নদীপথ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ঝিনাইদহের মহেশপুরে কোদলা নদীর প্রায় পাঁচ কিলোমিটার সীমান্ত দীর্ঘ সময় বিএসএফ দখল করে রেখেছিলো।

অবশেষে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জোয়ানরা তা উদ্ধার করেছে। এ নদীটি বাংলাদেশের অভ্যন্তর থেকে দক্ষিণ দিকে প্রসারিত হয়ে আনুমানিক মাটিলা এলাকায় প্রায় ৪.৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চিহ্নিত করে।

সোমবার (৬ জানুয়ারি) মহেশপুর ৫৮ বিজিবির ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শাহ মো. আজিজুস সহিদ স্থানীয় জনগনের জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মতবিনিময়ে এ তথ্য জানান।

উল্লেখ্য, ১৯৬১ সালে প্রণীত বাংলাদেশ-ভারত (স্টিপ ম্যাপ সিট নম্বর-৫১) মানচিত্র অনুসারে কোদলা নদীর ৪.৮০ কিলোমিটার এলাকা সম্পূর্ণ বাংলাদেশের সীমান্তের শূন্য রেখার অভ্যন্তরে অবস্থিত। স্থানীয় লোকজনের মুখে শোনা যায়, এক সময় এ নদী থেকে প্রচুর মাছ আহরণ করা হতো।

স্বাধীনতার পরে এ এলাকা থেকে অনেকেই সীমান্ত ছেড়ে নিজেদের প্রয়োজনে দেশের অভ্যন্তরে বসবাস শুরু করে। ফলে কোদলা নদীর বাংলাদেশ অংশটুকুতে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) আধিপত্য বিস্তার করতে থাকে। একপর্যায়ে তারা সীমান্তে অবস্থিত এ নদীতে বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রবেশে বাধা দিতে থাকে।

নদীটি ব্যবহার করা নিয়ে ভারতীয় জনগণ ও বিএসএফ সদস্যদের সঙ্গে প্রায়ই বাংলাদেশি জনগণের ঝগড়া-বিবাদ হতো।

সম্প্রতি নদীর প্রকৃত মালিকানা সংক্রান্ত বিষয়টি ৫৮ বিজিবির নজরে এলে বিজিবি প্রথমে বিভিন্ন নথীপত্র, মানচিত্র থেকে নদীটির অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়।

এরপর ৫৮ বিজিবি অত্যন্ত সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কোদলা নদীতে নিজেদের দখল প্রতিষ্ঠা করে, হারানো অধিকার ফেরত পায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভারতের দখল থেকে ৫ কিলোমিটার নদীপথ উদ্ধার বিজিবি’র

আপডেট সময় : ০৮:৪৮:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫

 

ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর (বিএসএফ) দখল থেকে ৫ কিলোমিটার নদীপথ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ঝিনাইদহের মহেশপুরে কোদলা নদীর প্রায় পাঁচ কিলোমিটার সীমান্ত দীর্ঘ সময় বিএসএফ দখল করে রেখেছিলো।

অবশেষে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জোয়ানরা তা উদ্ধার করেছে। এ নদীটি বাংলাদেশের অভ্যন্তর থেকে দক্ষিণ দিকে প্রসারিত হয়ে আনুমানিক মাটিলা এলাকায় প্রায় ৪.৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চিহ্নিত করে।

সোমবার (৬ জানুয়ারি) মহেশপুর ৫৮ বিজিবির ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শাহ মো. আজিজুস সহিদ স্থানীয় জনগনের জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মতবিনিময়ে এ তথ্য জানান।

উল্লেখ্য, ১৯৬১ সালে প্রণীত বাংলাদেশ-ভারত (স্টিপ ম্যাপ সিট নম্বর-৫১) মানচিত্র অনুসারে কোদলা নদীর ৪.৮০ কিলোমিটার এলাকা সম্পূর্ণ বাংলাদেশের সীমান্তের শূন্য রেখার অভ্যন্তরে অবস্থিত। স্থানীয় লোকজনের মুখে শোনা যায়, এক সময় এ নদী থেকে প্রচুর মাছ আহরণ করা হতো।

স্বাধীনতার পরে এ এলাকা থেকে অনেকেই সীমান্ত ছেড়ে নিজেদের প্রয়োজনে দেশের অভ্যন্তরে বসবাস শুরু করে। ফলে কোদলা নদীর বাংলাদেশ অংশটুকুতে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) আধিপত্য বিস্তার করতে থাকে। একপর্যায়ে তারা সীমান্তে অবস্থিত এ নদীতে বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রবেশে বাধা দিতে থাকে।

নদীটি ব্যবহার করা নিয়ে ভারতীয় জনগণ ও বিএসএফ সদস্যদের সঙ্গে প্রায়ই বাংলাদেশি জনগণের ঝগড়া-বিবাদ হতো।

সম্প্রতি নদীর প্রকৃত মালিকানা সংক্রান্ত বিষয়টি ৫৮ বিজিবির নজরে এলে বিজিবি প্রথমে বিভিন্ন নথীপত্র, মানচিত্র থেকে নদীটির অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়।

এরপর ৫৮ বিজিবি অত্যন্ত সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কোদলা নদীতে নিজেদের দখল প্রতিষ্ঠা করে, হারানো অধিকার ফেরত পায়।