ঢাকা ০১:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমঝোতা না হলে ইরানে আবারও হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের দেশ গঠনে নাগরিক দায়িত্ব আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঈদের টানা সাতদিনের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস-আদালত ঢাকায় পশু কোরবানি ৭লাখ: সাভার ট্যানারী পল্লীতে চামড়া  ঢুকেছে সোয়া ৫ লাখ প্রথম ফিরতি ফ্লাইটে  ৪১৯ জন হজযাত্রী ঢাকায় পৌঁছেছেন চামড়া: অর্থনীতিতে আয়ের উৎস, সেই মূল্যবান সম্পদের এমন অর্থহীন পরিণতি! সড়ক নয়, যেন মৃত্যুর উপত্যকা! লোবানের গন্ধে ফিকে ঈদের আনন্দ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে  উল্লেখযোগ্য পতন, কেন? ঈদুল আজহায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও জনগণকে নরেন্দ্র মোদীর শুভেচ্ছা দেশজুড়ে উৎসবের আমেজে উদযাপিত পবিত্র ঈদুল আজহা

করোনা সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশের ২৯ জেলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ ২০২১ ৩১৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা

গত কিছুদিন যাবত আচমকা করোনার উর্ধমুখী সংক্রমণ শুরু হয়েছে। অপ্রত্যাশি করোনার সংক্রমণ রুখ ইতিমধ্যে সরকারের তরফে ১৮ দফা নির্দেশনা জারি তকরা হয়েছে। কাওমি মাদ্রসাসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বন্ধের সময় আরও দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলায় সংক্রমণের তথ্যের নিরীখে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২৯টি জেলাকে করোনাভাইরাস সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এই ঝুঁকি সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমকে অবহিত করে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেছেন, দেশের ২৯টি জেলায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। সর্বত্র মানুষে মানুষে করোনার সংক্রমণ দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। দেশের শতভাগ মানুষ মাস্ক পরাসহ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চললে এটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

২৯ জেলার মধ্যে রয়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, মুন্সীগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, ফেনী, চাঁদপুর, নীলফামারী, সিলেট, টাঙ্গাইল, রাজশাহী ও নওগাঁ। সংবাদ সম্মেলনে জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বলা হয়, অধিদপ্তরের এমআইএস শাখায় ২৪ মার্চ পর্যন্ত আসা তথ্য বিশ্লেষণ করে এসব জেলাকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোতে সংক্রমণ প্রতিরোধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, এ বিষয়ে অধিদপ্তর জানিয়েছে, জেলা পর্যায়ে করোনা নিয়ন্ত্রণ কমিটি রয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে সেটা সেই কমিটি ঠিক করবে আর অধিদপ্তর বিষয়টি মনিটর করবে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়ে। গত ৩০ নভেম্বরের পর ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত সংক্রমণ ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকে। কিন্তু মার্চের শুরু থেকে দৈনিক শনাক্ত রোগী, মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়েই চলেছে। এরই মধ্যে সোমবার এক দিনে ৫ হাজার ১৮১ জনের আক্রান্ত খবর আসে। যা মহামারি শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

করোনা সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশের ২৯ জেলা

আপডেট সময় : ১২:০৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ ২০২১

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা

গত কিছুদিন যাবত আচমকা করোনার উর্ধমুখী সংক্রমণ শুরু হয়েছে। অপ্রত্যাশি করোনার সংক্রমণ রুখ ইতিমধ্যে সরকারের তরফে ১৮ দফা নির্দেশনা জারি তকরা হয়েছে। কাওমি মাদ্রসাসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বন্ধের সময় আরও দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলায় সংক্রমণের তথ্যের নিরীখে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২৯টি জেলাকে করোনাভাইরাস সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এই ঝুঁকি সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমকে অবহিত করে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেছেন, দেশের ২৯টি জেলায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। সর্বত্র মানুষে মানুষে করোনার সংক্রমণ দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। দেশের শতভাগ মানুষ মাস্ক পরাসহ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চললে এটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

২৯ জেলার মধ্যে রয়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, মুন্সীগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, ফেনী, চাঁদপুর, নীলফামারী, সিলেট, টাঙ্গাইল, রাজশাহী ও নওগাঁ। সংবাদ সম্মেলনে জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বলা হয়, অধিদপ্তরের এমআইএস শাখায় ২৪ মার্চ পর্যন্ত আসা তথ্য বিশ্লেষণ করে এসব জেলাকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোতে সংক্রমণ প্রতিরোধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, এ বিষয়ে অধিদপ্তর জানিয়েছে, জেলা পর্যায়ে করোনা নিয়ন্ত্রণ কমিটি রয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে সেটা সেই কমিটি ঠিক করবে আর অধিদপ্তর বিষয়টি মনিটর করবে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়ে। গত ৩০ নভেম্বরের পর ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত সংক্রমণ ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকে। কিন্তু মার্চের শুরু থেকে দৈনিক শনাক্ত রোগী, মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়েই চলেছে। এরই মধ্যে সোমবার এক দিনে ৫ হাজার ১৮১ জনের আক্রান্ত খবর আসে। যা মহামারি শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ।