ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রান্তিক নারীদের আয়বৃদ্ধিমূলক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিতে হবে: বিএনপিএস নদী ভাঙনের হুমকিতে মধ্যনগরের মহিষখলা জাতীয় স্মৃতিসৌধ ট্রাম্প-পুতিনের ফোন আলোচনা ইরান যুদ্ধ ও তেল বাজার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি, ১,৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভ্যন্তরীণ তদন্ত দেড় কোটি মানুষ ছাড়ছে ঢাকা, ঈদে জনস্রোত সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ কমার একদিন পরই বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে বেড়েছে ৩,২৬৬ টাকা বিশ্ব ঐতিহ্যের জামদানি বুনেও কষ্টের জীবন রূপগঞ্জের তাঁতিদের ফ্যামিলি কার্ড নারীর ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে: সিপিডি ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য সরকারের: প্রধানমন্ত্রী

৬ ডিসেম্বর পালিত হবে মৈত্রী দিবস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৩:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ মার্চ ২০২১ ৩৭১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

বাংলাদেশ-ভারত এখন প্রতি বছর ৬ ডিসেম্বর মৈত্রী দিবস উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত-বাংলাদেশ। শনিবার বিকালে ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৬ ডিসেম্বর দিনটি ‘মৈত্রী দিবস’ হিসেবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ভারতের বিদেশ সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিন বিকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সীমান্তে অনাকাক্সিক্ষ ‘ঘটনা’ বন্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে অনুরোধ করেন। এসময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী মাঠ পর্যায়ে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৈঠক শেষে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করতে সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে যান। এ সময় বঙ্গভবনে তাকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। বৈঠকে তারা দুই দেশের সম্পর্ক, উন্নয়ন, অগ্রগতিসহ নানান বিষয় নিয়ে আলাপ করেন। পরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বঙ্গভবনের পরিদর্শক বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এর আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শুক্রবার সকালে মোদি ঢাকায় আসেন। নরেন্দ্র মোদি রাতে দিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী, মুজিববর্ষ এবং বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পালন উপলক্ষ্যে ১০দিনের কর্মসূচি হাতে নেয় ঢাকা। এই আয়োজনে অংশ নিয়েছেন, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট, শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী এবং সর্বশেষ স্বাধীনতা দিবস ও সমাপনি অনুষ্ঠানের অতিথি হয়ে দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শুক্রবার ঢাকায় পৌছান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সফরের প্রথম দিনে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং একটি গাছের চারা রোপন করেন মোদি।

ঢাকায় ফিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক ছাড়াও বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেন। বিকালে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সেখানে বঙ্গবন্ধুকে ভারতের দেওয়া গান্ধি শান্তি পুরষ্কার তুলে দেন শেখ হাসিনার হাতে। শনিবার সকালে সাতক্ষীরার শ্যামনগর যশোরেশ্বী কালিমন্দির পরিদর্শনে যান এবং সেখানে পূজা অর্চনা করেন।

এসময় শ্যামনগরে একটি কমিউনিটি ও একটি সাইক্লোন সেন্টার নির্মানের কথা ঘেঅষণা দেন। পরে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে টুঙ্গিপাড়া যান। সেখানে একটি বকুল ফুলের চারারোপন করেন। পরে তিনি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানির ওড়াকান্দি মতুয়া সম্প্রদায়ের হরিঠাকুরের মন্দিরে যান এবং পুজা দেন। এসময় তিনি বক্তব্য রাখেন। ওড়াকান্দিতে দুটো স্কুল প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

৬ ডিসেম্বর পালিত হবে মৈত্রী দিবস

আপডেট সময় : ০৫:২৩:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ মার্চ ২০২১

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

বাংলাদেশ-ভারত এখন প্রতি বছর ৬ ডিসেম্বর মৈত্রী দিবস উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত-বাংলাদেশ। শনিবার বিকালে ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৬ ডিসেম্বর দিনটি ‘মৈত্রী দিবস’ হিসেবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ভারতের বিদেশ সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিন বিকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সীমান্তে অনাকাক্সিক্ষ ‘ঘটনা’ বন্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে অনুরোধ করেন। এসময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী মাঠ পর্যায়ে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৈঠক শেষে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করতে সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে যান। এ সময় বঙ্গভবনে তাকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। বৈঠকে তারা দুই দেশের সম্পর্ক, উন্নয়ন, অগ্রগতিসহ নানান বিষয় নিয়ে আলাপ করেন। পরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বঙ্গভবনের পরিদর্শক বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এর আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শুক্রবার সকালে মোদি ঢাকায় আসেন। নরেন্দ্র মোদি রাতে দিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী, মুজিববর্ষ এবং বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পালন উপলক্ষ্যে ১০দিনের কর্মসূচি হাতে নেয় ঢাকা। এই আয়োজনে অংশ নিয়েছেন, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট, শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী এবং সর্বশেষ স্বাধীনতা দিবস ও সমাপনি অনুষ্ঠানের অতিথি হয়ে দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শুক্রবার ঢাকায় পৌছান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সফরের প্রথম দিনে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং একটি গাছের চারা রোপন করেন মোদি।

ঢাকায় ফিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক ছাড়াও বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেন। বিকালে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সেখানে বঙ্গবন্ধুকে ভারতের দেওয়া গান্ধি শান্তি পুরষ্কার তুলে দেন শেখ হাসিনার হাতে। শনিবার সকালে সাতক্ষীরার শ্যামনগর যশোরেশ্বী কালিমন্দির পরিদর্শনে যান এবং সেখানে পূজা অর্চনা করেন।

এসময় শ্যামনগরে একটি কমিউনিটি ও একটি সাইক্লোন সেন্টার নির্মানের কথা ঘেঅষণা দেন। পরে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে টুঙ্গিপাড়া যান। সেখানে একটি বকুল ফুলের চারারোপন করেন। পরে তিনি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানির ওড়াকান্দি মতুয়া সম্প্রদায়ের হরিঠাকুরের মন্দিরে যান এবং পুজা দেন। এসময় তিনি বক্তব্য রাখেন। ওড়াকান্দিতে দুটো স্কুল প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।