ঢাকা ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দখল-ভাঙচুরে ছাড় নয়, জাইমার নিয়োগেও সম্পৃক্ততা নেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর সার্বিক পরিবেশ ইতিবাচক প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী রাড্ডা সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় এমপির বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা  মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আপসের দাবি, এমপি নজরুলের জামিন নামঞ্জুর  হরমুজ থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, দাবি ইরানের ফুটপাতে হাঁটা পথচারীর অধিকার এটি কারও ব্যক্তিগত সম্পদ নয় সময় হলেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর: দীনেশ ত্রিবেদী দুর্গাপূজার ছুটি একদিন বাড়ানোর উদ্যোগে স্বস্তির বার্তা হিন্দু সম্প্রদায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বে জবাবদিহিতা পরামর্শক ব্যয় কমানোর নির্দেশ

শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের নিশ্চয়তা দেওয়া যাবে না: ড. মোমেন 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৯:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২২৫ বার পড়া হয়েছে

ড. এ কে আবদুল মোমেন : ছবি সংগৃহীত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেছেন, শুধু সরকার চাইলেই শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের নিশ্চয়তা দেওয়া যাবে না। নির্বাচনে সব দল ও মতের আন্তরিকতা প্রয়োজন। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাতে লোটে নিউইয়র্ক প্যালেসে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন আন্ডার সেক্রেটারি উজরা জেয়ার বৈঠক নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগামী নির্বাচনের প্রসঙ্গ এসেছে। তারা বলেছে, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে কি না। আমরা বলেছি, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে।

তবে আমরা সে বিষয়ে নিশ্চয়তা দিতে পারি না। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন শুধু সরকার চাইলে হবে না। দেশের এমন একটা পরিবেশ, সংঘাতবিহীন নির্বাচন করতে সব দলের আন্তরিকতা প্রয়োজন। পর্যবেক্ষক আসুক, দেখুক।

ড. মোমেন বলেন, জনগণের ভোট ছাড়া কেউ ক্ষমতায় আসতে পারে না। যদি কারচুপির মাধ্যমে কেউ ক্ষমতায় আসেও, সেই সরকার বেশি দিন টিকবে না।

মন্ত্রী বলেন, অধিকাংশ দেশে কোনো ইলেকশন অবজারভার যায় না। আমেরিকায় বিদেশ থেকে কোনো ইলেকশন অবজারভার আসে না। ইংল্যান্ডে, এমনকি প্রতিবেশী দেশ ভারতেও যায় না। তা হলে আমার দেশে নির্বাচন হবে, অন্যরা এসে কি ওকালতি করবে?

মোমেন বলেন, বিদেশিরা যদি বলেন কালো, আমরা তা কালো মনে করি। তবে এখনো একটা কালচার রয়ে গেছে, তাই আমরা বিদেশিদের নির্বাচনে স্বাগত জানাই। কিন্তু আমি মনে করি ইলেকশন পর্যবেক্ষণ সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া উচিত। এটা ভুল সংস্কৃতি। আমরা ২০০৯ থেকে কয়েক হাজার নির্বাচন করেছি। দু-একটি ছাড়া অধিকাংশ সুষ্ঠু হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :