ঢাকা ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দখল-ভাঙচুরে ছাড় নয়, জাইমার নিয়োগেও সম্পৃক্ততা নেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর সার্বিক পরিবেশ ইতিবাচক প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী রাড্ডা সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় এমপির বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা  মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আপসের দাবি, এমপি নজরুলের জামিন নামঞ্জুর  হরমুজ থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, দাবি ইরানের ফুটপাতে হাঁটা পথচারীর অধিকার এটি কারও ব্যক্তিগত সম্পদ নয় সময় হলেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর: দীনেশ ত্রিবেদী দুর্গাপূজার ছুটি একদিন বাড়ানোর উদ্যোগে স্বস্তির বার্তা হিন্দু সম্প্রদায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বে জবাবদিহিতা পরামর্শক ব্যয় কমানোর নির্দেশ

বিশ্ব শান্তি দিবস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৭২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুদ্ধ নয়, শান্তি প্রতিষ্ঠা

যুদ্ধবিহীন বিশ্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বিশ্ব শান্তি দিবস বা আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস আজ। যুদ্ধবিহীন বিশ্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৮১ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত প্রস্তাব অনুসারে প্রতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হওয়ার দিনটিকে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

২০০১ সালের ৭ সেপ্টেম্বর, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত প্রস্তাব অনুসারে ২০০২ সাল থেকে প্রতি বছরের ২১ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস হিসেবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বিশ্বের উত্তেজনা দূরীকরণ এবং দ্বন্দ্ব নিরসনে, সমস্ত মানবতার স্বার্থে সক্রিয়ভাবে শান্তি বজায় রাখার জন্য বৈশ্বিক প্রতিশ্রুতির আহ্বান জানান। তিনি সমসাময়িক সমাজে অবিশ্বাস, বিভাজন এবং কুসংস্কারের উপস্থিতি উল্লেখ করে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার দিকে অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার জন্য সক্রিয় পদক্ষেপের আহ্বান জানান।

গুতেরেস বলেন, শান্তি একটি নিষ্ক্রিয় রাষ্ট্র নয় বরং ইচ্ছা ও কর্মের পরিণতি। তাই বিশ্ব জুড়ে চলমান পরিবেশগত সংকট মোকাবিলা, প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা এবং মানবাধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

১৯৪৫ সাল থেকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য (চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) কোনো প্রকার যুদ্ধ বা উত্তেজনা ছাড়াই পারস্পরিক ও আন্তর্জাতিক দ্বন্দ্ব সমাধানের অঙ্গীকার করেছে। তা সত্ত্বেও, দেশগুলো তখন থেকে অসংখ্য সামরিক সংঘাতে প্রবেশ করেছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর এই ধারণাটি জনপ্রিয় হয়ে উঠে এবং ফলে জন্ম হয় সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের।

এটি ছিল এমন একটা বৈশ্বিক সংস্থা, যাকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ও জাতির মধ্য শান্তি, একতা, সমঝোতা ও মিত্রতা ধরে রাখার জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এর উত্তরসূরি হিসাবে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। জাতিসংঘই বিশ্বের প্রথম আন্তঃদেশীয় সংস্থা যেটি এখন পর্যন্ত আক্ষরিক অর্থে বিশ্ব শান্তি ধরে রাখতে সফল হয়েছে।

তবুও এটা পুরোপুরিভাবে বলা যাবে না যে, বিশ্ব শান্তি অর্জিত হয়েছে। কারণ প্রত্যেক জাতি ও দেশের মধ্যকার সংঘাতহীন শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি ও সম্পর্ককেই বিশ্ব শান্তি বলা হয়। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কোনো বৃহৎ বৈশ্বিক যুদ্ধ না হলেও আঞ্চলিক কিছু যুদ্ধে পরাশক্তি রাষ্ট্রগুলোর অংশগ্রহণ বিশ্ব শান্তিকে সাময়িক বা দীর্ঘ সময়ের জন্য বাধাগ্রস্ত করেছিল।

ভিয়েতনাম যুদ্ধ, আরব-ইসরাইল যুদ্ধ, সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধ উল্লেখযোগ্য। বর্তমানে রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধ পুরো পৃথিবীকেই ভারসাম্যহীন করে তুলেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :