ঢাকা ০৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৯ মাস সমুদ্রে, ভেঙে পড়ছে মার্কিন নৌসেনাদের মনোবল প্রান্তিক মানুষের দুয়ারে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ঢাকার যানজট-কর্মঘণ্টা নষ্টের উৎস ব্যাটারি রিকশার চলাচলে শৃঙ্খলা আনতে উদ্যোগ ডিএসসিসির আগামী সপ্তাহেই দিল্লি যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান  প্রস্তুতি দুই দেশেই স্কুল ফিডিংয়ে শতভাগ শিক্ষার্থী অন্তর্ভুক্তি চায় শিক্ষক-অবিভাবকরা সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসে পাঁচ শ্রমিকের মৃত্যু ভিক্ষার ঝুলিতে ৪৬ হাজার ৬০০ ডলার সহানুভূতির আড়ালে প্রতারণার ভয়াবহ চিত্র বঙ্গভবনের পথে মির্জা ফখরুল বাকি শুধু সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতা সীতাকুণ্ডের শিপইয়ার্ডে পাঁচ বছরে ৩৪ প্রাণহানি  অবসরে  ৪৯ পুলিশ পরিদর্শক 

নিজ দেশে ফেরার আকুতি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৬:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৩ ২৩০ বার পড়া হয়েছে

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সমাবেশ, নিজদেশ মায়ানমারে ফেরার আকুতি : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

রোহিঙ্গা বিতাড়নের ছয় বছরপূর্তীতে দাঁড়িয়ে নিজ দেশ মিয়ানমারে ফেরার আকুতি জানালেন বাংলাদেশের কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী। এদিন ১২ ক্যাম্পে সমাবেশ করে এই দাবি জানান তারা।

ছয় বছর আগে ঘটে যাওয়া গণহত্যার বিচার ও নিজেদের ভিটেবাড়িতে পূর্ণ নাগরিক অধিকার নিয়ে ফেরাসহ পাঁচ দফা দাবিতে সমাবেশ করেছেন রোহিঙ্গারা। গণহত্যা দিবস পালন উপলক্ষে শুক্রবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত উখিয়া ও টেকনাফের চারটি ক্যাম্পে পৃথকভাবে এই সমাবেশ করেছেন তারা।

গো বেক হোম’ প্রতিপাদ্যে রোহিঙ্গা গণহত্যা দিবসের সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- এআরএইচপিএইচ এর সভাপতি মোহাম্মদ জোবাইর, মাস্টার নুরুল আমিন, মোহাম্মদ রফিক এবং জুমাদিলা বেগমসহ অনেকে।

সমাবেশে রোহিঙ্গারা তাদের নিজ দেশে দ্রুত প্রত্যাবাসন, জাতিগত পরিচয়ের স্বীকৃতি, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের জন্য সেফ জোন, রাখাইন ষ্টেটে নিজেদের ভিটেবাড়ি এবং নাগরিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়াসহ বিভিন্ন দাবি জানান। ২৫ আগস্টকে গণহত্যা ও কালো দিবস আখ্যায়িত করে তারা নিজ ভূমি মিয়ানমারের আরাকানে ফিরে যেতে চান এবং গণহত্যার বিচার দাবি করেন।

এসব দাবি বাস্তবায়নে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। এ সময় তাদের নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নির্যাতন ও গণহত্যার শিকার হয়ে রোহিঙ্গাদের দেশ ছাড়ার ছয় বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এর আগে ২০১৯ সালের ২৫ আগস্ট ক্যাম্পে প্রথম বড় সমাবেশ করা হয়, যার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মাস্টার মুহিবুল্লাহ। পরে তিনি মিয়ানমারের সন্ত্রাসী গ্রুপ আরসার সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নিজ দেশে ফেরার আকুতি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর

আপডেট সময় : ১০:০৬:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

রোহিঙ্গা বিতাড়নের ছয় বছরপূর্তীতে দাঁড়িয়ে নিজ দেশ মিয়ানমারে ফেরার আকুতি জানালেন বাংলাদেশের কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী। এদিন ১২ ক্যাম্পে সমাবেশ করে এই দাবি জানান তারা।

ছয় বছর আগে ঘটে যাওয়া গণহত্যার বিচার ও নিজেদের ভিটেবাড়িতে পূর্ণ নাগরিক অধিকার নিয়ে ফেরাসহ পাঁচ দফা দাবিতে সমাবেশ করেছেন রোহিঙ্গারা। গণহত্যা দিবস পালন উপলক্ষে শুক্রবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত উখিয়া ও টেকনাফের চারটি ক্যাম্পে পৃথকভাবে এই সমাবেশ করেছেন তারা।

গো বেক হোম’ প্রতিপাদ্যে রোহিঙ্গা গণহত্যা দিবসের সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- এআরএইচপিএইচ এর সভাপতি মোহাম্মদ জোবাইর, মাস্টার নুরুল আমিন, মোহাম্মদ রফিক এবং জুমাদিলা বেগমসহ অনেকে।

সমাবেশে রোহিঙ্গারা তাদের নিজ দেশে দ্রুত প্রত্যাবাসন, জাতিগত পরিচয়ের স্বীকৃতি, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের জন্য সেফ জোন, রাখাইন ষ্টেটে নিজেদের ভিটেবাড়ি এবং নাগরিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়াসহ বিভিন্ন দাবি জানান। ২৫ আগস্টকে গণহত্যা ও কালো দিবস আখ্যায়িত করে তারা নিজ ভূমি মিয়ানমারের আরাকানে ফিরে যেতে চান এবং গণহত্যার বিচার দাবি করেন।

এসব দাবি বাস্তবায়নে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। এ সময় তাদের নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নির্যাতন ও গণহত্যার শিকার হয়ে রোহিঙ্গাদের দেশ ছাড়ার ছয় বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এর আগে ২০১৯ সালের ২৫ আগস্ট ক্যাম্পে প্রথম বড় সমাবেশ করা হয়, যার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মাস্টার মুহিবুল্লাহ। পরে তিনি মিয়ানমারের সন্ত্রাসী গ্রুপ আরসার সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হন।