ঢাকা ১০:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দখল-ভাঙচুরে ছাড় নয়, জাইমার নিয়োগেও সম্পৃক্ততা নেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর সার্বিক পরিবেশ ইতিবাচক প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী রাড্ডা সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় এমপির বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা  মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আপসের দাবি, এমপি নজরুলের জামিন নামঞ্জুর  হরমুজ থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, দাবি ইরানের ফুটপাতে হাঁটা পথচারীর অধিকার এটি কারও ব্যক্তিগত সম্পদ নয় সময় হলেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর: দীনেশ ত্রিবেদী দুর্গাপূজার ছুটি একদিন বাড়ানোর উদ্যোগে স্বস্তির বার্তা হিন্দু সম্প্রদায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বে জবাবদিহিতা পরামর্শক ব্যয় কমানোর নির্দেশ

Rampal Thermal Power : ফের বন্ধ রামপাল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০২৩ ২৩৯ বার পড়া হয়েছে

বাগেরহাটে রামপাল মৈত্রী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র : ফাইল ছবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ বিনিয়োগে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের দুই ইউনিটের বাগের হাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিটে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু হয় গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর। উৎপাদন শুরুর সাত মাসের মধ্যে কেন্দ্রটি এ নিয়ে ৬বার বন্ধ হল।

সুপ্রসন্ন হচ্ছে বাগেরহাট রামপাল মৈত্রী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের। কয়লা সংকটে দফায় দফায় উৎপাদন বন্ধ হচ্ছে। সর্বশেষ রবিবার ভোর রাত সাড়ে ৩টার নাগাদ কেন্দ্রটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উপমহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজীম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, কয়লা সংকটের কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। আগামী ৭-৮ আগস্ট উৎপাদন চালু হতে পারে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে এভাবে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ঘন ঘন বন্ধ ও চালু করতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, কেন্দ্রটির একটি ইউনিট চালু করার পর জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়। ডলার সংকটে কয়লা আমদানি জটিলতায় উৎপাদন শুরুর ২৭ দিনের মাথায় গত ১৪ জানুয়ারি প্রথম উৎপাদন বন্ধ হয়। কয়লা সরবরাহ স্বাভাবিক হলে এক মাসের মাথায় ফের কেন্দ্রটি চালু করা হয়।

গত ১৫ এপ্রিল কেন্দ্রটি আবার বন্ধ করা হয়। তিন দিনের ব্যবধানে পুনরায় চালু করা হলে আবারও বন্ধ হয় ২৩ এপ্রিল। এরপর কারিগরি ত্রুটির কারণে গত ৩০ জুন উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ত্রুটি সারিয়ে ১০ জুলাই শুরু হয় উৎপাদনে ফেরে। এরপরও কারিগরি ত্রুটির কারণে গত ১৬ জুলাই বন্ধ হয়।

শেষে ২০ জুলাই দুপুর থেকে পুনরায় উৎপাদনে যায় রামপাল। কেন্দ্রটির একটি ইউনিট চালু রাখতে দৈনিক প্রয়োজন পাঁচ হাজার মেট্রিক টন কয়লা।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি একবার বন্ধের পর চালু করতে এক-দেড় দিন সময় লাগে। প্রতিবার চালু করতে প্রয়োজন হয় এক লাখ লিটার জ্বালানি তেল, যার বাজারমূল্য কোটি টাকার বেশি। চালুর পর শুরু হয় কয়লার ব্যবহার। এভাবে ঘন ঘন বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ ও চালুর ফলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :