ঢাকা ১১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রান্তিক নারীদের আয়বৃদ্ধিমূলক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিতে হবে: বিএনপিএস নদী ভাঙনের হুমকিতে মধ্যনগরের মহিষখলা জাতীয় স্মৃতিসৌধ ট্রাম্প-পুতিনের ফোন আলোচনা ইরান যুদ্ধ ও তেল বাজার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি, ১,৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভ্যন্তরীণ তদন্ত দেড় কোটি মানুষ ছাড়ছে ঢাকা, ঈদে জনস্রোত সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ কমার একদিন পরই বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে বেড়েছে ৩,২৬৬ টাকা বিশ্ব ঐতিহ্যের জামদানি বুনেও কষ্টের জীবন রূপগঞ্জের তাঁতিদের ফ্যামিলি কার্ড নারীর ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে: সিপিডি ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য সরকারের: প্রধানমন্ত্রী

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে গান্ধী শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করল ভারত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৩:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ মার্চ ২০২১ ৩৮৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

গান্ধী শান্তি পুরস্কার ২০২০-এ ভূষিত হলেন বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সোমবার এ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। অহিংস ও গান্ধীবাদী আদর্শে আর্থ-সামাজিক বা রাজনৈতিক পরিবর্তন সাধনের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দুই দিনে রাষ্ট্রীয় সফরে ২৬ মার্চ ঢাকায় আসছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার সফরের আগে এই ঘোষণা এসেছে।

আন্তর্জাতিক গান্ধী শান্তি পুরস্কারের জুরি বোর্ডে সভাপতিত্ব করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০২০ সালের পুরস্কার ঘোষণা করতে গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, মানবাধিকার ও স্বাধীনতার কাণ্ডারি ছিলেন বঙ্গবন্ধু। ভারতীয়দের কাছেও তিনি নায়ক। বঙ্গবন্ধুর উত্তরাধিকার ও অনুপ্রেরণা দুই দেশের ঐতিহ্যকেও বন্ধুত্বপূর্ণ করেছে। তার দেখানো পথেই দুই দেশের বন্ধুত্ব, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ভিত্তি আরও শক্তিশালী হয়েছে।

১৯৯৫ সাল থেকে প্রতি বছর এই পুরস্কার প্রদান করছে ভারত সরকার। ওই বছর মহাত্মা গান্ধীর ১২৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে তার মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ভারত সরকার এ পুরস্কার চালু করে। প্রত্যেক পুরস্কারজয়ী ১ কোটি টাকা করে পাবেন। সঙ্গে স্মারক, প্রশংসাপত্র এবং একটি ঐতিহ্যশালী হস্তনির্মিত কারুকার্য করা জিনিস। ২০১৫ সালের জন্য গান্ধী শান্তি পুরস্কার পেয়েছে বিবেকানন্দ কেন্দ্র কন্যাকুমারী, ২০১৬ সালের পুরস্কার বিজেতা অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশন, ২০১৭ সালের জন্য পেয়েছে একল অভিযান ট্রাস্ট এবং ২০১৮ সালের জন্য পুরস্কারপ্রাপক ইয়োহেই সাসাকাওয়া।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে গান্ধী শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করল ভারত

আপডেট সময় : ০৯:২৩:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ মার্চ ২০২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

গান্ধী শান্তি পুরস্কার ২০২০-এ ভূষিত হলেন বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সোমবার এ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। অহিংস ও গান্ধীবাদী আদর্শে আর্থ-সামাজিক বা রাজনৈতিক পরিবর্তন সাধনের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দুই দিনে রাষ্ট্রীয় সফরে ২৬ মার্চ ঢাকায় আসছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার সফরের আগে এই ঘোষণা এসেছে।

আন্তর্জাতিক গান্ধী শান্তি পুরস্কারের জুরি বোর্ডে সভাপতিত্ব করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০২০ সালের পুরস্কার ঘোষণা করতে গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, মানবাধিকার ও স্বাধীনতার কাণ্ডারি ছিলেন বঙ্গবন্ধু। ভারতীয়দের কাছেও তিনি নায়ক। বঙ্গবন্ধুর উত্তরাধিকার ও অনুপ্রেরণা দুই দেশের ঐতিহ্যকেও বন্ধুত্বপূর্ণ করেছে। তার দেখানো পথেই দুই দেশের বন্ধুত্ব, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ভিত্তি আরও শক্তিশালী হয়েছে।

১৯৯৫ সাল থেকে প্রতি বছর এই পুরস্কার প্রদান করছে ভারত সরকার। ওই বছর মহাত্মা গান্ধীর ১২৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে তার মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ভারত সরকার এ পুরস্কার চালু করে। প্রত্যেক পুরস্কারজয়ী ১ কোটি টাকা করে পাবেন। সঙ্গে স্মারক, প্রশংসাপত্র এবং একটি ঐতিহ্যশালী হস্তনির্মিত কারুকার্য করা জিনিস। ২০১৫ সালের জন্য গান্ধী শান্তি পুরস্কার পেয়েছে বিবেকানন্দ কেন্দ্র কন্যাকুমারী, ২০১৬ সালের পুরস্কার বিজেতা অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশন, ২০১৭ সালের জন্য পেয়েছে একল অভিযান ট্রাস্ট এবং ২০১৮ সালের জন্য পুরস্কারপ্রাপক ইয়োহেই সাসাকাওয়া।