কাটিং ‘মিনিকেট’ চাল বিক্রি ও সরবরাহ অবৈধ
- আপডেট সময় : ০৬:২৫:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জুন ২০২৩ ২৬১ বার পড়া হয়েছে
পলিশ ও কাটিংয়ে তৈরি ‘মিনিকেট’ চাল বিক্রি ও সরবরাহ অবৈধ হচ্ছে
বিলের বিধান অনুযায়ী পলিশিং ও কাটিংয়ের মাধ্যমে তৈরি ‘মিনিকেট’ চাল বিক্রি ও সরবরাহ আইনগত অবৈধ হবে
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
অতিরিক্ত খাদ্যদ্রব্য মজুতে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রেখে জাতীয় সংসদে বিল উত্থাপন করা হয়েছে। বিলের বিধান অনুযায়ী পলিশিং ও কাটিংয়ের মাধ্যমে তৈরি ‘মিনিকেট’ চাল বিক্রি ও সরবরাহ আইনগত অবৈধ হচ্ছে। সংসদ অধিবেশনে বিলটি উত্থাপন করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। পরে বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে প্রতিবেদন দিতে খাদ্য মন্ত্রক সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। ১৯৫৬ সালের ফুড (স্পেশাল কোর্ট) অ্যাক্ট এবং ১৯৭৯ সালের ফুডগ্রেইনস সাপ্লাই (প্রিভেনশন অব প্রিজুডিশিয়াল একটিভটি) অর্ডিন্যান্স বাতিল করে এই নতুন আইনটি করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সংসদে উত্থাপিত বিলে বলা হয়েছে, নতুন এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণে ‘খাদ্যদ্রব্য বিশেষ আদালত’ থাকবে। আইনের অধীনে কিছু অপরাধের বিচার মোবাইল কোর্টেও সম্পন্ন করা যাবে। খাদ্যদ্রব্য বলতে যেকোনো প্রকার দানাদার খাদ্যদ্রব্য, চাল, ধান, গম, আটা, ভুট্টা ইত্যাদি।
সরকার নির্ধারিত পরিমাণের বেশি পরিমাণ খাদ্যদ্রব্য মজুত করলে বা মজুত সংক্রান্ত সরকারের কোনো নির্দেশনা অমান্য তা হবে অপরাধ। এই অপরাধের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। তবে এইরূপ অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি প্রমাণ করতে পারেন যে, তিনি আর্থিক বা অন্য কোন প্রকার লাভের উদ্দেশ্য ব্যতীত মজুত করেছিলেন তাহলে তিনি অনূর্ধ্ব ৩ মাস কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এই অপরাধ হবে অজামিনযোগ্য।




















