ঢাকা ১২:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শবে বরাত শার্শায় র‌্যাবের অভিযানে ২৯৭০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক খুব শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে-চীনা রাষ্ট্রদূত তৈরি পোশাকখাত এখন পোশাক খাত এখন আইসিইউতে: মোহাম্মদ হাতেম তারেক রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ব্যবসা মন্দা, আয় সংকোচন ও রাজস্ব ঘাটতি ৪৬ হাজার কোটি  নির্বাচন কমিশনের সামনে বিজিবি মোতায়েন, ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত মাদারীপুরে বাস অটোরিকশা সংঘর্ষ প্রাণ গেল ৬জনের বাংলাদেশে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার ব্যাখ্যা দিল অন্তর্বর্তী সরকার রমজান সামনে আগেই চড়া বাজার: দামে লাগাম টানতে কড়া নজরদাবি জরুরি

ঈদের বাকী ৭দিন. মে মাসের বেতন হয়নি ১১শ’ কারখানায়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৯:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জুন ২০২৩ ২২৬ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

ঈদের আর মাত্র ৭দিন বাকী। এখনও ১ হাজার ৮৫টি পোষাক কারখানায় বেতন হয়নি। ঈদুল আজহার ছুটির আগেই শ্রমিকদের ঈদের বোনাস এবং জুন মাসের ১৫ দিনের বেতন দিতে মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান।

কিন্তু প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও জুন মাসের অর্ধেক বেতন এবং ঈদ বোনাস দেওয়া হয়নি দেশের ৯ হাজারের বেশি কারখানায়।

অথচ ৬ জুন জাতীয় ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের (টিসিসি) এবং আরএমজি টিসিসির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে গুরুত্ব পায় শিল্পকারখানার বেতন-ভাতার বিষয়টি।

মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত মে মাসের বেতন হয়নি ১ হাজার ৮৫টি কল-কারখানায়। বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমইএ, বেপজা, পাটকল এবং শিল্পাঞ্চল পুলিশ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত দেশের ৯ হাজার ৯১৫টি কল-কারখানার মধ্যে মে মাসের বেতন দেওয়া হয়েছে ৮ হাজার ৮৩০টি কল-কারখানায়। এখনো ১ হাজার ৮৫টি কল-কারখানার বা প্রায় ১১ ভাগ কারখানায় বেতন পরিশোধ করা হয়নি।

বিজিএমইএ সদস্যভুক্ত ১ হাজার ৬২৪ কারখানার মধ্যে মে মাসের বেতন হয়েছে ১ হাজার ৪৮৪টি কারখানায়। তথ্য মতে এখনো ১৪০টি কারখানায় মে মাসের বেতন হয়নি। বিজিএমইএ’র তরফে বলা হচ্ছে, গত ঈদুল ফিতরের মতোই শতভাগ কারখানায় বেতন বোনাস হবে।

বিকেএমইএ সদস্যভুক্ত ৬৯৯টি কারখানার মধ্যে ৬১১ কারখানার বেতন পরিশোধ করা হয়েছে। বাকি রয়েছে ৪১টি কারখানায়। বিকেএমইএ’র এক পরিচালক জানান, সমন্বয় করে শতভাগ কারখানায় বেতন-বোনাস হবে, সে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিটিএমইএ সদস্যভুক্ত ৩৫৯টি কারখানার ৩১৮টির মে মাসের বেতন হয়েছে। মে মাসের বেতন বাকী ৪১টি কারখানায়। বেপজার ৩৯২টির মধ্যে বেতন বাকি ৭টি কারখানায়। পাটকলের ৯০টি কারখানায় মে মাসের শতভাগ বেতন পরিশোধ হয়েছে।

আরও ৬ হাজার ৭৫১টি অন্যান্য কল-কারখানার মধ্যে ৫ হাজার ৯৪২টির বেতন দেওয়া হয়েছে। ফলে মে মাসের বেতন পরিশোধ হয়নি ৮০৯টির। সব মিলিয়ে এখনো পর্যন্ত ১ হাজার ৮৫টি বা ১০ দশমিক ৬ শতাংশ কারখানায় বেতন হয়নি।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে এখন পর্যন্ত জুন মাসের প্রথম ১৫ দিনের বেতন পরিশোধ করেছে মাত্র ৫৫টি কারখানা। অর্থাৎ এখনো জুন মাসের ১৫ দিনের বেতন পরিশোধ হয়নি ৯ হাজার ৮৬০টি কারখানায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঈদের বাকী ৭দিন. মে মাসের বেতন হয়নি ১১শ’ কারখানায়

আপডেট সময় : ০৯:১৯:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জুন ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

ঈদের আর মাত্র ৭দিন বাকী। এখনও ১ হাজার ৮৫টি পোষাক কারখানায় বেতন হয়নি। ঈদুল আজহার ছুটির আগেই শ্রমিকদের ঈদের বোনাস এবং জুন মাসের ১৫ দিনের বেতন দিতে মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান।

কিন্তু প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও জুন মাসের অর্ধেক বেতন এবং ঈদ বোনাস দেওয়া হয়নি দেশের ৯ হাজারের বেশি কারখানায়।

অথচ ৬ জুন জাতীয় ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের (টিসিসি) এবং আরএমজি টিসিসির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে গুরুত্ব পায় শিল্পকারখানার বেতন-ভাতার বিষয়টি।

মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত মে মাসের বেতন হয়নি ১ হাজার ৮৫টি কল-কারখানায়। বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমইএ, বেপজা, পাটকল এবং শিল্পাঞ্চল পুলিশ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত দেশের ৯ হাজার ৯১৫টি কল-কারখানার মধ্যে মে মাসের বেতন দেওয়া হয়েছে ৮ হাজার ৮৩০টি কল-কারখানায়। এখনো ১ হাজার ৮৫টি কল-কারখানার বা প্রায় ১১ ভাগ কারখানায় বেতন পরিশোধ করা হয়নি।

বিজিএমইএ সদস্যভুক্ত ১ হাজার ৬২৪ কারখানার মধ্যে মে মাসের বেতন হয়েছে ১ হাজার ৪৮৪টি কারখানায়। তথ্য মতে এখনো ১৪০টি কারখানায় মে মাসের বেতন হয়নি। বিজিএমইএ’র তরফে বলা হচ্ছে, গত ঈদুল ফিতরের মতোই শতভাগ কারখানায় বেতন বোনাস হবে।

বিকেএমইএ সদস্যভুক্ত ৬৯৯টি কারখানার মধ্যে ৬১১ কারখানার বেতন পরিশোধ করা হয়েছে। বাকি রয়েছে ৪১টি কারখানায়। বিকেএমইএ’র এক পরিচালক জানান, সমন্বয় করে শতভাগ কারখানায় বেতন-বোনাস হবে, সে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিটিএমইএ সদস্যভুক্ত ৩৫৯টি কারখানার ৩১৮টির মে মাসের বেতন হয়েছে। মে মাসের বেতন বাকী ৪১টি কারখানায়। বেপজার ৩৯২টির মধ্যে বেতন বাকি ৭টি কারখানায়। পাটকলের ৯০টি কারখানায় মে মাসের শতভাগ বেতন পরিশোধ হয়েছে।

আরও ৬ হাজার ৭৫১টি অন্যান্য কল-কারখানার মধ্যে ৫ হাজার ৯৪২টির বেতন দেওয়া হয়েছে। ফলে মে মাসের বেতন পরিশোধ হয়নি ৮০৯টির। সব মিলিয়ে এখনো পর্যন্ত ১ হাজার ৮৫টি বা ১০ দশমিক ৬ শতাংশ কারখানায় বেতন হয়নি।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে এখন পর্যন্ত জুন মাসের প্রথম ১৫ দিনের বেতন পরিশোধ করেছে মাত্র ৫৫টি কারখানা। অর্থাৎ এখনো জুন মাসের ১৫ দিনের বেতন পরিশোধ হয়নি ৯ হাজার ৮৬০টি কারখানায়।