ঢাকা ০৭:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম লাইনে দাঁড়িয়ে স্বস্তি: অল্প সময়েই তেল পেলেন বাইকচালক মোহাম্মদ আলী দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে

বাংলাদেশ-চীন উভয়েই আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের এক অলৌকিক দৃষ্টান্ত সৃষ্টি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৭:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ মে ২০২৩ ২২৮ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা-বেইজিং সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ছবি: ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

চীন ও বাংলাদেশ উভয়েই নিজেদের সক্ষমতার পরিচয় দিয়ে দ্রুত আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের এক অলৌকিক দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করে বিশ্বের দৃষ্টি কেড়ে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

বাংলাদেশ ও চীনের উচিত আমাদের নিজ নিজ জাতীয় অবস্থার সঙ্গে মানানসই উন্নয়ন পথ অনুসরণে একে অপরকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করা। দেশ দুটির উভয়ের আধুনিকায়নের সাথে বিপুল জনসংখ্যা জড়িত বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শনিবার রাজধানীর গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেলে কসমস ফাউন্ডেশন এবং ইউএনবির আয়োজনে রাষ্ট্রদূত লেকচার সিরিজে ঢাকা বেইজিং সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের নিজস্ব উন্নয়ন পন্থাকে চীন সম্মান করে আর এদেশটির উন্নয়নের পথে কৌশলগত যোগাযোগ ও পারস্পরিক শিক্ষা জোরদার করতে ইচ্ছুক। এ দেশ দুটির উচিত মূল স্বার্থের ইস্যুতে একে অপরকে সমর্থন করা এবং সমস্বরে বহিরাগত হস্তক্ষেপকে না বলা।

রাষ্ট্রদূত বলেন, চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে একটি নতুন স্তরে নিয়ে যেতে এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতায় নতুন যুগের সূচনা করতে সর্বস্তরের বাংলাদেশি বন্ধুদের সঙ্গে কাজ করার এ সুযোগটি নিতে ইচ্ছুক। পদ্মা সেতু রেলওয়ে সংযোগ প্রকল্পের মতো বাংলাদেশে আটটি মেগা প্রকল্পে চীনের অংশগ্রহণ রয়েছে এবং খুব শিগগিরই রাজশাহী সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট প্রকল্পের নির্মাণ কাজও শুরু করবে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, এদেশ দুটির শিল্পের মানোন্নয়ন এবং ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়ার উন্নয়নে এবং ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’-এর মান ও প্রতিযোগিতার মান বাড়ানোর ক্ষেত্রে কাজ করতে ইচ্ছুক। তাদের উচিত উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ককে বন্ধুত্বের মডেল হিসেবে গড়ে তোলা। যে সম্পর্কের ভাগাভাগির মাধ্যমে ভবিষ্যতে মানব সম্প্রদায় গঠনে দুই দেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আমাদের বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক বিশ্বাস এবং স্বার্থের মিলনকে গভীর করতে হবে; আর ভালো প্রতিবেশী এবং বন্ধুদের একটি মডেল স্থাপন করতে হবে এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর সাধারণ স্বার্থ রক্ষা করতে হবে।

ওয়েন বলেন, আমরা যখন সমস্যাগুলো সমাধান করি, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করি তখন আমাদের সবসময় বাস্তবতাকে মাথায় রাখা উচিত। আমাদের উচিত শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের পথে চলা এবং কিছু দেশের উসকানিতে সৃষ্ট যুদ্ধ, ঔপনিবেশিকতা এবং লুণ্ঠনের পুরানো পথে চলতে অস্বীকৃতি জানানো।

ওয়েন বলেন, সহযোগিতার নতুন প্রবৃদ্ধির জন্য ঢাকা ও বেইজিংয়ের উচিত কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও গভীর করা এবং নতুন প্রবৃদ্ধির পথগুলো খুঁজে বের করে কাজ করা। গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (জিডিআই), গ্লোবাল সিকিউরিটি ইনিশিয়েটিভ (জিএসআই) এবং গ্লোবাল সিভিলাইজেশন ইনিশিয়েটিভ (জিসিআই) এর অধীনে সহযোগিতার সুযোগ বের করে চীন-বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে ইচ্ছুক।

চীন তাদের পূর্বসূরিদের কাঁধে ভর দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বকে এগিয়ে নিয়ে যেতে কাজ করছে। দুই বছরে এ দুই দেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করবে বলে যোগ করেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশ-চীন উভয়েই আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের এক অলৌকিক দৃষ্টান্ত সৃষ্টি

আপডেট সময় : ১০:৪৭:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ মে ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক

চীন ও বাংলাদেশ উভয়েই নিজেদের সক্ষমতার পরিচয় দিয়ে দ্রুত আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের এক অলৌকিক দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করে বিশ্বের দৃষ্টি কেড়ে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

বাংলাদেশ ও চীনের উচিত আমাদের নিজ নিজ জাতীয় অবস্থার সঙ্গে মানানসই উন্নয়ন পথ অনুসরণে একে অপরকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করা। দেশ দুটির উভয়ের আধুনিকায়নের সাথে বিপুল জনসংখ্যা জড়িত বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শনিবার রাজধানীর গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেলে কসমস ফাউন্ডেশন এবং ইউএনবির আয়োজনে রাষ্ট্রদূত লেকচার সিরিজে ঢাকা বেইজিং সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের নিজস্ব উন্নয়ন পন্থাকে চীন সম্মান করে আর এদেশটির উন্নয়নের পথে কৌশলগত যোগাযোগ ও পারস্পরিক শিক্ষা জোরদার করতে ইচ্ছুক। এ দেশ দুটির উচিত মূল স্বার্থের ইস্যুতে একে অপরকে সমর্থন করা এবং সমস্বরে বহিরাগত হস্তক্ষেপকে না বলা।

রাষ্ট্রদূত বলেন, চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে একটি নতুন স্তরে নিয়ে যেতে এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতায় নতুন যুগের সূচনা করতে সর্বস্তরের বাংলাদেশি বন্ধুদের সঙ্গে কাজ করার এ সুযোগটি নিতে ইচ্ছুক। পদ্মা সেতু রেলওয়ে সংযোগ প্রকল্পের মতো বাংলাদেশে আটটি মেগা প্রকল্পে চীনের অংশগ্রহণ রয়েছে এবং খুব শিগগিরই রাজশাহী সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট প্রকল্পের নির্মাণ কাজও শুরু করবে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, এদেশ দুটির শিল্পের মানোন্নয়ন এবং ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়ার উন্নয়নে এবং ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’-এর মান ও প্রতিযোগিতার মান বাড়ানোর ক্ষেত্রে কাজ করতে ইচ্ছুক। তাদের উচিত উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ককে বন্ধুত্বের মডেল হিসেবে গড়ে তোলা। যে সম্পর্কের ভাগাভাগির মাধ্যমে ভবিষ্যতে মানব সম্প্রদায় গঠনে দুই দেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আমাদের বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক বিশ্বাস এবং স্বার্থের মিলনকে গভীর করতে হবে; আর ভালো প্রতিবেশী এবং বন্ধুদের একটি মডেল স্থাপন করতে হবে এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর সাধারণ স্বার্থ রক্ষা করতে হবে।

ওয়েন বলেন, আমরা যখন সমস্যাগুলো সমাধান করি, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করি তখন আমাদের সবসময় বাস্তবতাকে মাথায় রাখা উচিত। আমাদের উচিত শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের পথে চলা এবং কিছু দেশের উসকানিতে সৃষ্ট যুদ্ধ, ঔপনিবেশিকতা এবং লুণ্ঠনের পুরানো পথে চলতে অস্বীকৃতি জানানো।

ওয়েন বলেন, সহযোগিতার নতুন প্রবৃদ্ধির জন্য ঢাকা ও বেইজিংয়ের উচিত কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও গভীর করা এবং নতুন প্রবৃদ্ধির পথগুলো খুঁজে বের করে কাজ করা। গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (জিডিআই), গ্লোবাল সিকিউরিটি ইনিশিয়েটিভ (জিএসআই) এবং গ্লোবাল সিভিলাইজেশন ইনিশিয়েটিভ (জিসিআই) এর অধীনে সহযোগিতার সুযোগ বের করে চীন-বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে ইচ্ছুক।

চীন তাদের পূর্বসূরিদের কাঁধে ভর দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বকে এগিয়ে নিয়ে যেতে কাজ করছে। দুই বছরে এ দুই দেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করবে বলে যোগ করেন তিনি।