ঢাকা ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচন কমিশনের সামনে বিজিবি মোতায়েন, ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত মাদারীপুরে বাস অটোরিকশা সংঘর্ষ প্রাণ গেল ৬জনের বাংলাদেশে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার ব্যাখ্যা দিল অন্তর্বর্তী সরকার রমজান সামনে আগেই চড়া বাজার: দামে লাগাম টানতে কড়া নজরদাবি জরুরি বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি ও এপার-ওপার যাতায়তে আয় জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি এখনও তাজা, শহীদ ও আহতরা শুধু সংখ্যার অংশ নয় পোস্টাল ব্যালট নিয়ে পক্ষপাতের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের সামনে ছাত্রদলের অবস্থান বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক

Rampal Thermal Power : একমাস পর উৎপাদন শুরু রামপালে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫০:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৩৫২ বার পড়া হয়েছে

বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

টানা একমাস বন্ধ থাকার পর উৎপাদন এবং তা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানায় সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ। বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (বিআইএফপিসিএল) প্রকল্প পরিচালক সুভাষ চন্দ্র পান্ডে সাংবাদিকদের জানান, কয়লা সংকটে একমাস বন্ধ ছিল।

কয়লা আমদানির পর বুধবার রাত থেকে ফের উৎপাদন শুরু হয়। কয়লা আমদানির জটিলতা ধীরে ধীরে নিরসন হচ্ছে। রামপাল কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিবেশের কোনো ক্ষতি হবে না বলেও জানান তিনি।

বিদ্যুৎকেন্দ্রটির পরিচালনা প্রতিষ্ঠান বিআইএফপিসিএলের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আনোয়ারুল আজীম বলেন, বুধবার রাত সাড়ে ১১টা থেকে পুনরায় উৎপাদন শুরু হয়েছে। প্রথমে ১০০ ইউনিট এবং বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডের সরবরাহ করা হচ্ছে। ধীরে ধীরে উৎপাদন বাড়ানো হবে।

১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুই ইউনিটের বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মিত হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ বিনিয়োগে। চুক্তির প্রায় ১০ বছর পর গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হলে ১৪ জানুয়ারি থেকে কয়লার কেন্দ্রর উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

সূত্র খবর, ৮ ফেব্রুয়ারি ৩৫ হাজার টন কয়লা নিয়ে ইন্দোনেশিয়া থেকে একটি জাহাজ মোংলা বন্দরের বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়েবয়াতে এসে পৌঁছায়। এ ছাড়া ৫৫ হাজার টন কয়লা নিয়ে অপর একটি জাহাজ ১৮ ফেব্রুয়ারি দেশে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট রয়েছে। এখানের একটি ইউনিট উৎপাদন শুরু করেছে এবং দিনে সাড়ে ৪ থেকে ৫ হাজার টন কয়লার প্রয়োজন। বর্তমানে মাত্র ছয় দিনের কয়লা মজুদ রয়েছে। তবে কয়লা শেষ হওয়ার আগেই পরের জাহাজটি মোংলা বন্দরে এসে পৌঁছাবে। দ্বিতীয় ইউনিট ইউৎপাদনে আসবে আগামী সেপ্টেম্বরে।

দুটি ইউ ইউনিটে উৎপাদন শুরু হলে দিনে ৯-১০ হাজার টন কয়লার প্রয়োজন হবে। বর্তমানে তাদের ৬ লাখ টন কয়লার ক্রয়াদেশ দেওয়া রয়েছে। নতুন করে ডাকা দরপত্রে অংশ নিয়ে আরও ৬০ লাখ টন কয়লার ক্রয়াদেশ পেয়েছে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের একটি শীর্ষ ব্যবসায়িক গ্রুপ।

শুরু থেকেই প্রতিষ্ঠানটি রামপালে কয়লা সরবরাহ করছে। ৬০ লাখ টন কয়লা দিয়ে আগামী তিন বছর রামপাল কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে। ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা হচ্ছে কয়লা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Rampal Thermal Power : একমাস পর উৎপাদন শুরু রামপালে

আপডেট সময় : ০৩:৫০:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক

টানা একমাস বন্ধ থাকার পর উৎপাদন এবং তা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানায় সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ। বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (বিআইএফপিসিএল) প্রকল্প পরিচালক সুভাষ চন্দ্র পান্ডে সাংবাদিকদের জানান, কয়লা সংকটে একমাস বন্ধ ছিল।

কয়লা আমদানির পর বুধবার রাত থেকে ফের উৎপাদন শুরু হয়। কয়লা আমদানির জটিলতা ধীরে ধীরে নিরসন হচ্ছে। রামপাল কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিবেশের কোনো ক্ষতি হবে না বলেও জানান তিনি।

বিদ্যুৎকেন্দ্রটির পরিচালনা প্রতিষ্ঠান বিআইএফপিসিএলের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আনোয়ারুল আজীম বলেন, বুধবার রাত সাড়ে ১১টা থেকে পুনরায় উৎপাদন শুরু হয়েছে। প্রথমে ১০০ ইউনিট এবং বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডের সরবরাহ করা হচ্ছে। ধীরে ধীরে উৎপাদন বাড়ানো হবে।

১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুই ইউনিটের বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মিত হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ বিনিয়োগে। চুক্তির প্রায় ১০ বছর পর গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হলে ১৪ জানুয়ারি থেকে কয়লার কেন্দ্রর উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

সূত্র খবর, ৮ ফেব্রুয়ারি ৩৫ হাজার টন কয়লা নিয়ে ইন্দোনেশিয়া থেকে একটি জাহাজ মোংলা বন্দরের বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়েবয়াতে এসে পৌঁছায়। এ ছাড়া ৫৫ হাজার টন কয়লা নিয়ে অপর একটি জাহাজ ১৮ ফেব্রুয়ারি দেশে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট রয়েছে। এখানের একটি ইউনিট উৎপাদন শুরু করেছে এবং দিনে সাড়ে ৪ থেকে ৫ হাজার টন কয়লার প্রয়োজন। বর্তমানে মাত্র ছয় দিনের কয়লা মজুদ রয়েছে। তবে কয়লা শেষ হওয়ার আগেই পরের জাহাজটি মোংলা বন্দরে এসে পৌঁছাবে। দ্বিতীয় ইউনিট ইউৎপাদনে আসবে আগামী সেপ্টেম্বরে।

দুটি ইউ ইউনিটে উৎপাদন শুরু হলে দিনে ৯-১০ হাজার টন কয়লার প্রয়োজন হবে। বর্তমানে তাদের ৬ লাখ টন কয়লার ক্রয়াদেশ দেওয়া রয়েছে। নতুন করে ডাকা দরপত্রে অংশ নিয়ে আরও ৬০ লাখ টন কয়লার ক্রয়াদেশ পেয়েছে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের একটি শীর্ষ ব্যবসায়িক গ্রুপ।

শুরু থেকেই প্রতিষ্ঠানটি রামপালে কয়লা সরবরাহ করছে। ৬০ লাখ টন কয়লা দিয়ে আগামী তিন বছর রামপাল কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে। ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা হচ্ছে কয়লা।