Rohingya youth : প্রতিশোধের লড়াইয়ে গিয়ে গুলিবিদ্ধ, দাবি রোহিঙ্গা তরুণের
- আপডেট সময় : ০৭:৫০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৩ ১৮০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইন ডেস্ক
গত কয়েক দিন যাবতই উত্তজনা বিরাজ করছে নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্তের শূন্যরেখায়। এখানের রোহিঙ্গা শিবিরে গত বুধবার আগুন দিয়ে প্রায় শ’ পাঁচেক ঘর পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সীমান্তের ওপারে গিয়ে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে হামিদুল্লাহ নামে এক তরুণ নিহত হন। তারা রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) সদস্য। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি গুলিবিদ্ধ রোহিঙ্গা তরুণ মুহবুল্লাহর দাবি প্রতিশোধের লড়াই করতে গিয়ে হামিদুল্লাহ নিহ হয়েছেন, আহত হন কয়েকজন।
মহিবুল্লাহ একে-৪৭ এর মতো সংক্রিয় অস্ত্র হাতে মিয়ানবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছেন। তার দাবি এটা তাদের প্রতিশোধের লড়াই। কারণ মিয়ানমারের মংডুতে তাদের বাড়ি ছিল। ২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনারা বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়। জীবন বাঁচাতে তারা বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। এখন তাদের আশ্রয় টেকনাফ রোহিঙ্গা শিবিরে।
নাইক্ষ্যংছড়ির তমব্রু সীমান্তে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন বলে দাবি রোহিঙ্গা তরুণ মো. মুহিব উল্লাহ। তার দাবি নিজেদের অঞ্চলকে আজাদ করতে মিয়ানমারের বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইলে নামেন তারা ৮৫জন। রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) ৮৫ জনের দলটি ২০১৮ সাল থেকে মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। বিভিন্ন সময়ে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলি হয়েছে। মহিবুল্লা একে-৪৭, এম-১৬-সহ নানা অস্ত্র চালাতে পারেন। বুধবার সকালে তমব্রু সীমান্তের ওপারে দুই পক্ষের গোলাগুলির সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। এসময় তার সঙ্গী হামিদুল্লাহ নামে একজন নিহত হন।
২৩ বছরের তরুণ মুহিবুল্লাহ সীমান্তের ওপারে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন। তাকে উদ্ধারের পর প্রথমে রোহিঙ্গা ক্যাম্প হাসপাতাল ও পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার বুকের নীচে ও হাতে গুলি লাগে। এরই মধ্যে বুকের গুলি বের করা হয়েছে। চিকিৎসক জানান মহিবুল্লার শারীক অবস্থা স্থিতিশীল।
শুক্রবার হাসপাতালে বিছানায় শুয়েই সংবাদমাধ্যমকে এই বক্তব্য দেন রোহিঙ্গা তরুণ মুহিবুল্লাহ। গত কয়েক দিন ধরেই তমব্রু সীমান্তে উত্তেজনা চলছে। বুধবার সীমান্তের শূন্যরেখায় রোহিঙ্গাদের আশ্রয়শিবিরে প্রায় ৫৫০টি বসতঘর পুড়িয়ে দেওয়া ঘটনা ঘটেছে। নাইক্ষ্যংছড়ির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোমেন শর্মা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, শূন্যরেখায় বিজিবিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা বাহিনীর হস্তক্ষেপ করার এখতিয়ার নেই। ফলে সেখানকার প্রকৃত পরিস্থিতি জানা যাচ্ছে না।




















