ঢাকা ১০:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচার চাইলে গণতান্ত্রিক সরকার অপরিহার্য, তারেক রহমান গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

fuel oil : সেচ মৌসুম আসন্ন, ডিজেল কেনায় ধীর গতি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৮:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২২ ২৩১ বার পড়া হয়েছে

সেচকাজে ডিজেল ব্যবহার করছেন কৃষক : ফাইল ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সেচ মৌসুমে ১৪ লাখ টন ডিজেলের প্রয়োজন

‘জানুয়ারি-জুন জ্বালানি তেলের চাহিদা আগের চেয়ে বাড়বে। তাই বাড়তি ডিজেল আমদানি করতে হবে। কৃষি সেচ মৌসুমে (ফেব্রুয়ারি-মে) ডিজেল লাগবে ১৩ লাখ ৯৭ হাজার ১২৯ টন। ২০২১-২২ অর্থবছরে লেগেছিল ১১ লাখ ৫০ হাজার ৮৭৭ টন। আগামী জুনে দেশে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল সরবরাহের মূল কেন্দ্র সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং উদ্বোধন করা হচ্ছে। এটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করতে বাড়তি জ্বালানি লাগবে’

 

অলনাইন ডেস্ক

চলতি ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে কৃষিকাজে সেচের জন্য প্রায় ১৪ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল প্রয়োজন হবে বলে প্রাক্কলন করেছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ২১ শতাংশ বেশি। ২০২২-২০২৩ সালের কৃষিসেচ মৌসুমে ১৩ লাখ ৯৭ হাজার ১২৯ টন ডিজেল এবং ৪৫ হাজার ৯৭১ টন লুব অয়েলের চাহিদা প্রাক্কলন করা হয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে কৃষিখাতে ১১ লাখ ৫০ হাজার ৮৭৭ টন জ্বালানি তেল ব্যবহৃত হয়েছে।

যা মোট ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের ১৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। কৃষিসেচ মৌসুমে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহে সম্প্রতি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় ডিজেলের এই চাহিদা নির্ধারণের কথা জানায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রক।

দেশে যে পরিমাণ জমিতে সেচের প্রয়োজন হয়, তার ৬০ শতাংশের পানি সরবরাহ করা হয় শ্যালো পাম্প দিয়ে। এ কাজে প্রায় ১৪ লাখ শ্যালো পাম্প ব্য্যবহার হয়, যার তিন চতুর্থাংশই ডিজেলে চলে। ডিজেলের বাফার স্টক, তেল সরবরাহের জন্য ট্যাংক-ওয়াগন বা রেল ওয়াগন নিশ্চিতকরণ, নৌপথের নাব্য সংরক্ষণ, তেল পাচাররোধ ও নৌঘাট সংশ্লিষ্ট রাস্তার সংষ্কার নিয়েও বৈঠকে আলোচনা করা হয়।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলসহ নানা পণ্যে দাম হু হু করে বাড়তে থাকে। যুদ্ধপরিস্থিতির কারণে গোটা দুনিয়াজুড়ে অর্থনীতির ওপর প্রবলচাপ পড়ে। আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের গতি থমকে যায়। যুদ্ধের কারণে ডলারের উর্ধগতির ফলে টাকার মান কমে আসে।

সেচ কাজে ব্যস্ত কৃষক ছবি সংগ্রহ

সেচ মৌসুম দোরগোড়ায়। দেশে ডিজেল আমদানির জন্য এখনো কোনো প্রতিষ্ঠানকে চূড়ান্ত করা যায়নি। বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় গত সেপ্টেম্বর থেকে ডিজেলের নতুন উৎস খুঁজে সরকার। আগ্রহী দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করে প্রথমে ১৫টি এবং পরে সাতটি প্রতিষ্ঠানের তালিকা করে বিপিসি। জ্বালানি বিভাগের পরামর্শে কোম্পানিগুলোর মালিকানা দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে খোঁজখবর নিয়ে দুটি কোম্পানিকে চূড়ান্ত করা হয়।

এদিকে ভারত রাশিয়ার তেল দিতে চাইলেও রাশিয়ার জ্বালানিতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি সামলাতে হবে বাংলাদেশকে। এ শর্তের কারণে কিছুটা তাদের ডিজেল আমদানি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ব্রুনেই থেকে আপাতত আসছে না ডিজেল। কুয়েতও বাংলাদেশের কোনো ব্যাংকের ঋণপত্রে (এলসি) আস্থা নেই বলে জ্বালানি সরবরাহে রাজি হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে ডিজেলের নতুন উৎস মিলছে না।

জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে দুটি বেসরকারি কোম্পানির কাছ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ডিজেল কেনার অনুমতি চেয়ে ১৪ ডিসেম্বর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। সবকিছু চূড়ান্ত হলে দুটি কোম্পানি সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে ডিজেল সরবরাহ করবে।

নারী-পুরুষ সমান তালে ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত : ছবি সংগ্রহ

বিপিসির সূত্র বলছে, স্থানীয় প্রতিনিধি স্পিড ইমপোর্ট এক্সপোর্ট অ্যান্ড কনসালটেন্সি লিমিটেডের মাধ্যমে প্রথমে প্রতি ব্যারেল (১৫৯ লিটার) ৬৫ ডলারে দুই লাখ টন সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছিল বেনেলাক্স ট্রেডিং। চূড়ান্ত আলোচনার পর দাম ৭১ ডলার নির্ধারণ করা হয়। অপর প্রতিষ্ঠান প্রাইম স্টার এনার্জি গ্লোবাল এফজেসি প্রথমে প্রতি ব্যারেল ১০৬ ডলারে এক থেকে দেড় লাখ টন ডিজেল সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছিল। আলোচনা শেষে ৯০ ডলার দাম ঠিক করা হয়। দুটি প্রতিষ্ঠানই আরব আমিরাতের। চিঠির বিষয়ে গত মঙ্গলবার পর্যন্ত জ্বালানি বিভাগ থেকে কোনো নির্দেশনা পায়নি বিপিসি।

দেশে ব্যবহৃত বিভিন্ন জ্বালানির মধ্যে ৭৫ শতাংশই ডিজেল। আর ডিজেলের ৮০ শতাংশই আমদানি করা হয়। নতুন উৎস থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি তেমন লাভজনক হবে না। তাই ডিজেলই আনতে চায় বিপিসি। রাশিয়া, ব্রুনেই ও ভারতের সঙ্গে শুরুতে আলোচনা হয়েছে। রাশিয়ার অপরিশোধিত জ্বালানি দেশে পরিশোধনের উপযোগী নয় বলে ইতিমধ্যে প্রতিবেদন দিয়েছে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড। তাদের কাছ থেকে সরাসরি ডিজেল সরবরাহের প্রস্তাব চাইলেও কিছু জানায়নি।

বাড়তি পরিশোধন ও মজুত সক্ষমতা না থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলেও বেশি তেল কিনে মজুত করতে পারছে না বিপিসি। কর্মকর্তারা বলছেন, দেশের একমাত্র পরিশোধনাগারের সক্ষমতা বছরে ১৫ লাখ টন। সক্ষমতা বাড়ানোর একটি প্রকল্প ১২ বছর ধরে ঝুলে আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

fuel oil : সেচ মৌসুম আসন্ন, ডিজেল কেনায় ধীর গতি

আপডেট সময় : ১২:৪৮:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২২

সেচ মৌসুমে ১৪ লাখ টন ডিজেলের প্রয়োজন

‘জানুয়ারি-জুন জ্বালানি তেলের চাহিদা আগের চেয়ে বাড়বে। তাই বাড়তি ডিজেল আমদানি করতে হবে। কৃষি সেচ মৌসুমে (ফেব্রুয়ারি-মে) ডিজেল লাগবে ১৩ লাখ ৯৭ হাজার ১২৯ টন। ২০২১-২২ অর্থবছরে লেগেছিল ১১ লাখ ৫০ হাজার ৮৭৭ টন। আগামী জুনে দেশে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল সরবরাহের মূল কেন্দ্র সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং উদ্বোধন করা হচ্ছে। এটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করতে বাড়তি জ্বালানি লাগবে’

 

অলনাইন ডেস্ক

চলতি ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে কৃষিকাজে সেচের জন্য প্রায় ১৪ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল প্রয়োজন হবে বলে প্রাক্কলন করেছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ২১ শতাংশ বেশি। ২০২২-২০২৩ সালের কৃষিসেচ মৌসুমে ১৩ লাখ ৯৭ হাজার ১২৯ টন ডিজেল এবং ৪৫ হাজার ৯৭১ টন লুব অয়েলের চাহিদা প্রাক্কলন করা হয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে কৃষিখাতে ১১ লাখ ৫০ হাজার ৮৭৭ টন জ্বালানি তেল ব্যবহৃত হয়েছে।

যা মোট ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের ১৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। কৃষিসেচ মৌসুমে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহে সম্প্রতি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় ডিজেলের এই চাহিদা নির্ধারণের কথা জানায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রক।

দেশে যে পরিমাণ জমিতে সেচের প্রয়োজন হয়, তার ৬০ শতাংশের পানি সরবরাহ করা হয় শ্যালো পাম্প দিয়ে। এ কাজে প্রায় ১৪ লাখ শ্যালো পাম্প ব্য্যবহার হয়, যার তিন চতুর্থাংশই ডিজেলে চলে। ডিজেলের বাফার স্টক, তেল সরবরাহের জন্য ট্যাংক-ওয়াগন বা রেল ওয়াগন নিশ্চিতকরণ, নৌপথের নাব্য সংরক্ষণ, তেল পাচাররোধ ও নৌঘাট সংশ্লিষ্ট রাস্তার সংষ্কার নিয়েও বৈঠকে আলোচনা করা হয়।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলসহ নানা পণ্যে দাম হু হু করে বাড়তে থাকে। যুদ্ধপরিস্থিতির কারণে গোটা দুনিয়াজুড়ে অর্থনীতির ওপর প্রবলচাপ পড়ে। আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের গতি থমকে যায়। যুদ্ধের কারণে ডলারের উর্ধগতির ফলে টাকার মান কমে আসে।

সেচ কাজে ব্যস্ত কৃষক ছবি সংগ্রহ

সেচ মৌসুম দোরগোড়ায়। দেশে ডিজেল আমদানির জন্য এখনো কোনো প্রতিষ্ঠানকে চূড়ান্ত করা যায়নি। বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় গত সেপ্টেম্বর থেকে ডিজেলের নতুন উৎস খুঁজে সরকার। আগ্রহী দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করে প্রথমে ১৫টি এবং পরে সাতটি প্রতিষ্ঠানের তালিকা করে বিপিসি। জ্বালানি বিভাগের পরামর্শে কোম্পানিগুলোর মালিকানা দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে খোঁজখবর নিয়ে দুটি কোম্পানিকে চূড়ান্ত করা হয়।

এদিকে ভারত রাশিয়ার তেল দিতে চাইলেও রাশিয়ার জ্বালানিতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি সামলাতে হবে বাংলাদেশকে। এ শর্তের কারণে কিছুটা তাদের ডিজেল আমদানি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ব্রুনেই থেকে আপাতত আসছে না ডিজেল। কুয়েতও বাংলাদেশের কোনো ব্যাংকের ঋণপত্রে (এলসি) আস্থা নেই বলে জ্বালানি সরবরাহে রাজি হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে ডিজেলের নতুন উৎস মিলছে না।

জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে দুটি বেসরকারি কোম্পানির কাছ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ডিজেল কেনার অনুমতি চেয়ে ১৪ ডিসেম্বর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। সবকিছু চূড়ান্ত হলে দুটি কোম্পানি সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে ডিজেল সরবরাহ করবে।

নারী-পুরুষ সমান তালে ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত : ছবি সংগ্রহ

বিপিসির সূত্র বলছে, স্থানীয় প্রতিনিধি স্পিড ইমপোর্ট এক্সপোর্ট অ্যান্ড কনসালটেন্সি লিমিটেডের মাধ্যমে প্রথমে প্রতি ব্যারেল (১৫৯ লিটার) ৬৫ ডলারে দুই লাখ টন সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছিল বেনেলাক্স ট্রেডিং। চূড়ান্ত আলোচনার পর দাম ৭১ ডলার নির্ধারণ করা হয়। অপর প্রতিষ্ঠান প্রাইম স্টার এনার্জি গ্লোবাল এফজেসি প্রথমে প্রতি ব্যারেল ১০৬ ডলারে এক থেকে দেড় লাখ টন ডিজেল সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছিল। আলোচনা শেষে ৯০ ডলার দাম ঠিক করা হয়। দুটি প্রতিষ্ঠানই আরব আমিরাতের। চিঠির বিষয়ে গত মঙ্গলবার পর্যন্ত জ্বালানি বিভাগ থেকে কোনো নির্দেশনা পায়নি বিপিসি।

দেশে ব্যবহৃত বিভিন্ন জ্বালানির মধ্যে ৭৫ শতাংশই ডিজেল। আর ডিজেলের ৮০ শতাংশই আমদানি করা হয়। নতুন উৎস থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি তেমন লাভজনক হবে না। তাই ডিজেলই আনতে চায় বিপিসি। রাশিয়া, ব্রুনেই ও ভারতের সঙ্গে শুরুতে আলোচনা হয়েছে। রাশিয়ার অপরিশোধিত জ্বালানি দেশে পরিশোধনের উপযোগী নয় বলে ইতিমধ্যে প্রতিবেদন দিয়েছে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড। তাদের কাছ থেকে সরাসরি ডিজেল সরবরাহের প্রস্তাব চাইলেও কিছু জানায়নি।

বাড়তি পরিশোধন ও মজুত সক্ষমতা না থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলেও বেশি তেল কিনে মজুত করতে পারছে না বিপিসি। কর্মকর্তারা বলছেন, দেশের একমাত্র পরিশোধনাগারের সক্ষমতা বছরে ১৫ লাখ টন। সক্ষমতা বাড়ানোর একটি প্রকল্প ১২ বছর ধরে ঝুলে আছে।