METRORAIL : ঢাকায় চালু হল মেট্রোরেল পরিষেবা
- আপডেট সময় : ০৬:৫৭:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২২ ২০৮ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
গণপরিবহণে যুক্ত হল মেট্রোরেল পরিষেবা। এটি বাংলাদেশের গণপরিবহন ব্যবস্থায় এক মাইলক ফলক। মেট্রোরেল পরিবেশ বান্ধব। ২ হাজার ৩০৮জন যাত্রী নিয়ে চলাচল উপযোগী মেট্রোরেল। বুধবার ঢাকার গণপরিবহনে নতুন সেংযোজন মেট্রোরেলের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ঢাকায় প্রথমবারের মত চালু হল মেট্রোরেল পরিষেবা। এদিন সবুজ পতাকা নাড়িয়ে বাংলাদেশের প্রথম মেট্রোরেল চলাচলের আনুষ্ঠানিক যাত্রার সূচনা করেন শেখ হাসিনা। গণপরিবহনে যুক্ত হওয়া নতুন মেট্রোরেল পরিষেবা মেট্রোরেলের টিকিট (কার্ড) কিনে প্রথম যাত্রী হিসেবে ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে মেট্রোরেলে চড়েন শেখ হাসিনা।
মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রার চালক ছিলেন মরিয়ম আফিজা বলেন, তিনি বলেন, প্রথম যাত্রায় আমি চালক ছিলাম আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছিলেন যাত্রী। এটা আমার জন্য গর্বের ব্যাপার। বেলা দুইটায় দিয়াবাড়ি থেকে মেট্রোরেল আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা করে মাত্র ১০ মিনিট ১০ সেকেন্ডে আগারগাঁও স্টেশনে পৌঁছায়।

মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা ছাড়াও মন্ত্রিসভার সদস্য ও নির্ধারিত কিছুসংখ্যক আমন্ত্রিত অতিথি এবং কয়েকজন স্কুলশিক্ষার্থী ছিলেন। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) তরফে জানানো হয়, প্রথম পর্যায়ে মেট্রোরেল চলাচল করবে সীমিতভাবে। অর্থাৎ সকাল ৮টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত।
২৬ মার্চ থেকে উত্তরা-আগারগাঁও পথে প্রতিটি ট্রেন সর্বোচ্চ ২০০ যাত্রী নিয়ে পুরোদমে চলাচল করবে। উত্তরা-আগারগাঁও পথে ৬ কোচবিশিষ্ট ১০টি ট্রেন প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রথম তিন মাস মেট্রোরেল মাঝের কোনো স্টেশনে থামবে না। ১০ মিনিট পরপর ট্রেন যাত্রা করবে। মঙ্গলবার ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। অবশ্য টিকিট কাটা, ওঠানামা ও চলাচলে অভ্যস্ততা হলে তখন থেকে ঘন ঘন ট্রেন চলবে এবং সব স্টেশনে থামবে। সেই সময় প্রতিটি ট্রেন সর্বোচ্চ ২ হাজার ৩০৮ জন যাত্রী পরিবহন করতে পারবে।

ট্রেনে বসার ব্যবস্থা থাকছে ৩০৬ জনের। সাড়ে ৯ ফুট চওড়া কোচের দুই পাশে আসন থাকবে। মাঝে প্রশস্ত জায়গায় যাত্রীরা দাঁড়িয়ে ভ্রমণ করতে পারবেন। কোন কারণে বিদ্যুৎ না থাকলে ব্যাটারির সাহায্যে নিকটবর্তী স্টেশনে নিয়ে যাওয়া যাবে। উল্লেখ্য, বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান দ্বিতীয়। ঢাকায় প্রায় ২ কোটি মানুষের বসবাস। দূষণের দিক থেকে চীনের উহানের পরেই ঢাকার স্থান।
বিশ্বব্যাংকের গবেষণা বলছে, প্রতি বছর বাংলাদেশে বায়ু দূষণে ৮০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। পরিবেশবিদরা বলছেন, গণপরিবহন ঢাকার দূষণের অন্যতম উৎস্য। পরিবেশ বন্ধিব মেট্রোরেল দূষণ মাত্রা কমিয়ে আনবে।




















