ঢাকা ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

ছেলের লাশ মাটিচাপা দিয়ে ভোটের প্রচারে বাবা মা!

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:১১:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ নভেম্বর ২০২১ ৩০৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছেলের মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে ভোট প্রচারে ব্যস্ত বাবা-মা! নেশাগ্রস্ত ছেলে করিম আত্মহনের পথ বেচে নিলে মরদেহ লুকিয়ে নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে যাচ্ছিলেন বাবা-মা। জানা গিয়েছে, করিমের বাবার নাম আলহাজ হোসেন আর মা করুণা বেগম নরিনা ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী প্রার্থী। ছেলের আত্মহত্যার ঘটনাটি প্রকাশ্যে আনতে চাননি মা করুনা বেগম।

এ কারণে স্বামীকে নিয়ে ছেলের মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে বালু চাপা দিয়ে ভোটের প্রচারে নেমে পড়েন। শুক্রবার বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পূর্বপাড়া গ্রাম থেকে আব্দুল করিম (১৮) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মা করুণা বেগম জানিয়েছেন, তার মেজ ছেলে করিম দীর্ঘদিন ধরে নেশায় আসক্ত। মঙ্গলবার রাতে খাওয়ার পর নিজের ঘরে ঘুমাতে গিয়েছিল সে। পরদিন ভোরে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে ছোট ছেলের ঘর থেকে উঁকি দিয়ে করিমের

মরদেহ ঝুলতে দেখেন তারা। পরে স্বামী-স্ত্রী মিলে মরদেহ নামিয়ে বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে মাটিচাপা দেন। সেপটিক ট্যাংকে মরদেহ রাখার কারণ জিজ্ঞেস করলে নিহতের বাবা আলহাজ বলেন, প্রায় ২ বছর আগে বড় ছেলের বউ চিঠি লিখে রেখে আত্মহত্যা করেছিল। সে ঘটনা সামাল দিতে আমি সর্বশ্বান্ত হয়ে গেছি। আইনি ঝামেলা এড়াতে আমরা বুকে কষ্ট চাপা রেখে ছেলের আত্মহত্যার বিষয়টি গোপন করতেই মরদেহ ট্যাংকিতে মাটি চাপা দিয়েছিলাম। অবশেষে ছেলের মৃত্যুর ঘটনাটি শুক্রবার স্থানীয় গাড়াদহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল

ইসলামের কাছে প্রকাশ করেন। এরপর চেয়ারম্যান পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে শাহজাদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসিবুল হোসেন ও থানার ওসি শাহিদ মাহমুদ খান ও পরিদর্শক আব্দুল মজিদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ওসি শাহিদ মাহমুদ খান জানান, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা সেটা ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। করিমের মা ও বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ছেলের লাশ মাটিচাপা দিয়ে ভোটের প্রচারে বাবা মা!

আপডেট সময় : ০৯:১১:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ নভেম্বর ২০২১

ছেলের মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে ভোট প্রচারে ব্যস্ত বাবা-মা! নেশাগ্রস্ত ছেলে করিম আত্মহনের পথ বেচে নিলে মরদেহ লুকিয়ে নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে যাচ্ছিলেন বাবা-মা। জানা গিয়েছে, করিমের বাবার নাম আলহাজ হোসেন আর মা করুণা বেগম নরিনা ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী প্রার্থী। ছেলের আত্মহত্যার ঘটনাটি প্রকাশ্যে আনতে চাননি মা করুনা বেগম।

এ কারণে স্বামীকে নিয়ে ছেলের মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে বালু চাপা দিয়ে ভোটের প্রচারে নেমে পড়েন। শুক্রবার বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পূর্বপাড়া গ্রাম থেকে আব্দুল করিম (১৮) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মা করুণা বেগম জানিয়েছেন, তার মেজ ছেলে করিম দীর্ঘদিন ধরে নেশায় আসক্ত। মঙ্গলবার রাতে খাওয়ার পর নিজের ঘরে ঘুমাতে গিয়েছিল সে। পরদিন ভোরে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে ছোট ছেলের ঘর থেকে উঁকি দিয়ে করিমের

মরদেহ ঝুলতে দেখেন তারা। পরে স্বামী-স্ত্রী মিলে মরদেহ নামিয়ে বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে মাটিচাপা দেন। সেপটিক ট্যাংকে মরদেহ রাখার কারণ জিজ্ঞেস করলে নিহতের বাবা আলহাজ বলেন, প্রায় ২ বছর আগে বড় ছেলের বউ চিঠি লিখে রেখে আত্মহত্যা করেছিল। সে ঘটনা সামাল দিতে আমি সর্বশ্বান্ত হয়ে গেছি। আইনি ঝামেলা এড়াতে আমরা বুকে কষ্ট চাপা রেখে ছেলের আত্মহত্যার বিষয়টি গোপন করতেই মরদেহ ট্যাংকিতে মাটি চাপা দিয়েছিলাম। অবশেষে ছেলের মৃত্যুর ঘটনাটি শুক্রবার স্থানীয় গাড়াদহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল

ইসলামের কাছে প্রকাশ করেন। এরপর চেয়ারম্যান পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে শাহজাদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসিবুল হোসেন ও থানার ওসি শাহিদ মাহমুদ খান ও পরিদর্শক আব্দুল মজিদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ওসি শাহিদ মাহমুদ খান জানান, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা সেটা ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। করিমের মা ও বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।