ঢাকা ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচন সামনে রেখে লুটের অস্ত্র উদ্ধার নিয়ে  শঙ্কা, নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ গোপালগঞ্জের শ্রমিক নেতা বাসু হত্যা: এক দশক পর পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড উড়োজাহাজ বিধ্বস্তে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ পাঁচজন নিহত ইরানের দিকে আরও মার্কিন সামরিক বহর: চাপ ও সমঝোতার বার্তায় বাড়ছে উত্তেজনা সেন্টমার্টিন ও টেকনাফে নবনির্মিত দুটি বিওপি উদ্বোধন করলেন বিজিবি মহাপরিচালক জাতীয় স্বার্থে বৈদেশিক নীতিতে ন্যূনতম রাজনৈতিক ঐক্যের আহ্বান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপের ঘটনা চট্টগ্রামের বিশ্বযুদ্ধ সমাধিক্ষেত্রে মানবতার স্মরণে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের শ্রদ্ধা বেতন বাড়ানোর ক্ষমতা নেই অন্তর্বর্তী সরকারের, সিদ্ধান্ত নেবে পরবর্তী সরকার নির্বাচনে জনগণের আস্থা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ ড. ইউনূসের

ছেলের লাশ মাটিচাপা দিয়ে ভোটের প্রচারে বাবা মা!

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:১১:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ নভেম্বর ২০২১ ২৬০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছেলের মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে ভোট প্রচারে ব্যস্ত বাবা-মা! নেশাগ্রস্ত ছেলে করিম আত্মহনের পথ বেচে নিলে মরদেহ লুকিয়ে নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে যাচ্ছিলেন বাবা-মা। জানা গিয়েছে, করিমের বাবার নাম আলহাজ হোসেন আর মা করুণা বেগম নরিনা ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী প্রার্থী। ছেলের আত্মহত্যার ঘটনাটি প্রকাশ্যে আনতে চাননি মা করুনা বেগম।

এ কারণে স্বামীকে নিয়ে ছেলের মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে বালু চাপা দিয়ে ভোটের প্রচারে নেমে পড়েন। শুক্রবার বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পূর্বপাড়া গ্রাম থেকে আব্দুল করিম (১৮) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মা করুণা বেগম জানিয়েছেন, তার মেজ ছেলে করিম দীর্ঘদিন ধরে নেশায় আসক্ত। মঙ্গলবার রাতে খাওয়ার পর নিজের ঘরে ঘুমাতে গিয়েছিল সে। পরদিন ভোরে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে ছোট ছেলের ঘর থেকে উঁকি দিয়ে করিমের

মরদেহ ঝুলতে দেখেন তারা। পরে স্বামী-স্ত্রী মিলে মরদেহ নামিয়ে বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে মাটিচাপা দেন। সেপটিক ট্যাংকে মরদেহ রাখার কারণ জিজ্ঞেস করলে নিহতের বাবা আলহাজ বলেন, প্রায় ২ বছর আগে বড় ছেলের বউ চিঠি লিখে রেখে আত্মহত্যা করেছিল। সে ঘটনা সামাল দিতে আমি সর্বশ্বান্ত হয়ে গেছি। আইনি ঝামেলা এড়াতে আমরা বুকে কষ্ট চাপা রেখে ছেলের আত্মহত্যার বিষয়টি গোপন করতেই মরদেহ ট্যাংকিতে মাটি চাপা দিয়েছিলাম। অবশেষে ছেলের মৃত্যুর ঘটনাটি শুক্রবার স্থানীয় গাড়াদহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল

ইসলামের কাছে প্রকাশ করেন। এরপর চেয়ারম্যান পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে শাহজাদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসিবুল হোসেন ও থানার ওসি শাহিদ মাহমুদ খান ও পরিদর্শক আব্দুল মজিদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ওসি শাহিদ মাহমুদ খান জানান, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা সেটা ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। করিমের মা ও বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ছেলের লাশ মাটিচাপা দিয়ে ভোটের প্রচারে বাবা মা!

আপডেট সময় : ০৯:১১:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ নভেম্বর ২০২১

ছেলের মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে ভোট প্রচারে ব্যস্ত বাবা-মা! নেশাগ্রস্ত ছেলে করিম আত্মহনের পথ বেচে নিলে মরদেহ লুকিয়ে নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে যাচ্ছিলেন বাবা-মা। জানা গিয়েছে, করিমের বাবার নাম আলহাজ হোসেন আর মা করুণা বেগম নরিনা ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী প্রার্থী। ছেলের আত্মহত্যার ঘটনাটি প্রকাশ্যে আনতে চাননি মা করুনা বেগম।

এ কারণে স্বামীকে নিয়ে ছেলের মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে বালু চাপা দিয়ে ভোটের প্রচারে নেমে পড়েন। শুক্রবার বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পূর্বপাড়া গ্রাম থেকে আব্দুল করিম (১৮) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মা করুণা বেগম জানিয়েছেন, তার মেজ ছেলে করিম দীর্ঘদিন ধরে নেশায় আসক্ত। মঙ্গলবার রাতে খাওয়ার পর নিজের ঘরে ঘুমাতে গিয়েছিল সে। পরদিন ভোরে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে ছোট ছেলের ঘর থেকে উঁকি দিয়ে করিমের

মরদেহ ঝুলতে দেখেন তারা। পরে স্বামী-স্ত্রী মিলে মরদেহ নামিয়ে বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে মাটিচাপা দেন। সেপটিক ট্যাংকে মরদেহ রাখার কারণ জিজ্ঞেস করলে নিহতের বাবা আলহাজ বলেন, প্রায় ২ বছর আগে বড় ছেলের বউ চিঠি লিখে রেখে আত্মহত্যা করেছিল। সে ঘটনা সামাল দিতে আমি সর্বশ্বান্ত হয়ে গেছি। আইনি ঝামেলা এড়াতে আমরা বুকে কষ্ট চাপা রেখে ছেলের আত্মহত্যার বিষয়টি গোপন করতেই মরদেহ ট্যাংকিতে মাটি চাপা দিয়েছিলাম। অবশেষে ছেলের মৃত্যুর ঘটনাটি শুক্রবার স্থানীয় গাড়াদহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল

ইসলামের কাছে প্রকাশ করেন। এরপর চেয়ারম্যান পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে শাহজাদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসিবুল হোসেন ও থানার ওসি শাহিদ মাহমুদ খান ও পরিদর্শক আব্দুল মজিদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ওসি শাহিদ মাহমুদ খান জানান, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা সেটা ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। করিমের মা ও বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।