রবি’র শিক্ষার্থীদের চুল কেটে দেওয়া শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কার দাবিতে আমরণ অনশন
- আপডেট সময় : ০৬:৫৮:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ৩০২ বার পড়া হয়েছে
আমরণ অনশনে শিক্ষার্থীরা ছবি সংগৃহিত
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চুল কেটে দেওয়া সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের দাবিতে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন
করছেন শিক্ষার্থীরা। এরই মধ্যে দু’জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের (রবি) সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের
চেয়ারম্যান ও সহকারী প্রক্টর ফারহানা ইয়াসমিন বাতেন প্রায় ১৪জন শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেন। এরই প্রেক্ষিতে প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠে রবি ক্যাম্পাস। সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কার দাবিতে
আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনে দুই শিক্ষার্থী হাবিব রহমান ও মাজেদুর রহমান নামে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসা
দেওয়া হয়। রবির অনশনরত শিক্ষার্থীরা একাডেমিক ভবন ও প্রশাসনিক ভবনে তালা লাগিয়ে দেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক তাদের দেখতে আসেননি। এই
অভিযোগ অস্বীকার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. সোরহাব আলী সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বুধবার রাতে শিক্ষক ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা অনশনরত ছাত্রদের দেখতে
গিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা জানান, রবিবার দুপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের প্রথম বর্ষের রাষ্ট্রবিজ্ঞান পরিচিতি বিষয়ের ফাইনাল পরীক্ষা শুরুর
আগে ফারহানা ইয়াসমিন বাতেন কাঁচি নিয়ে পরীক্ষার হলের দরজায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। শিক্ষার্থীরা হলে ঢোকার সময় যাদের চুল হাতের মুঠোর মধ্যে ধরা যায়, তাদের মাথার সামনের অংশের বেশ
খানিকটা চুল তিনি কাঁচি দিয়ে কেটে দেন। এভাবে ১৪ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেন। এরপর হলে শিক্ষার্থীদের পরিবার তুলে গালিগালাজ করেন।
এ ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা সোমবার আন্দোলন করার চেষ্টা করলে ফারহানা ইয়াসমিন শিক্ষার্থীদের গালিগালাজ করে পরীক্ষার হলে যেতে বাধ্য করেন। পরে ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী নাজমুল
হাসান তুহিনকে চেম্বারে ডেকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও রবি থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের হুমকি দেন ফারহানা। এতে শিক্ষাজীবন শেষ হয়ে যাওয়ার ভয়ে তুহিন সোমবার রাতে
দ্বারিয়াপুরের শাহমুখদুম ছাত্রাবাসের নিজ কক্ষের দরজা বন্ধ করে ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। সহপাঠীরা বিষয়টি টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শাহজাদপুর উপজেলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে এনায়েতপুর খাজা ইউনুস আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

























