১৮০ দিনে খাল পুনঃখনন, পঁচিশ কোটি বৃক্ষরোপণ ও ফ্যামিলি কার্ড সমন্বিত উন্নয়নে সরকারের বড় অঙ্গীকার
- আপডেট সময় : ০৮:১৯:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় সারাদেশে দ্রুত খাল পুনঃখনন কর্মসূচি শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়।
নতুন সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা ও সামাজিক সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান–এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় সারাদেশে দ্রুত খাল পুনঃখনন কর্মসূচি শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়। আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের অধিকাংশ খাল পুনঃখননের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং গ্রামীণ অর্থনীতি সচল রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখা যায়।
পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানান, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান–এর সময়ের খাল খনন কর্মসূচির আদলে নতুন করে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় সরকার, পানি, দুর্যোগ ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে শিগগিরই মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু হবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ উদ্যোগ সেচব্যবস্থা উন্নত করে কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমাবে এবং ফসলের ফলন বাড়াবে।
একই সভায় প্রতিবছর পাঁচ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা ও সবুজায়ন বাড়াতে মে মাস থেকে এই কর্মসূচি শুরু হবে।
এদিকে সামাজিক সুরক্ষা জোরদারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর লক্ষ্যে ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত এ কমিটি উপযুক্ত ডিজাইন, সুবিধাভোগী নির্বাচন পদ্ধতি এবং ডিজিটাল তথ্যভান্ডার প্রণয়নের সুপারিশ করবে। প্রাথমিকভাবে দেশের আটটি বিভাগের প্রতিটিতে একটি করে উপজেলায় এ কর্মসূচি চালু হবে। আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে কার্ড বিতরণের লক্ষ্যে ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।
সমন্বিত এই উদ্যোগগুলো কৃষি উৎপাদন, পরিবেশ সুরক্ষা ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সহায়তায় একটি টেকসই উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তুলবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।


















