স্যালাইন সিন্ডিকেট : মানুষের অসহায়ত্ব পুঁজি করে মুনাফার ফাঁদ
- আপডেট সময় : ০৮:২৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৭৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
মানুষের অসহায়ত্বকে পুজি করে অতিরিক্ত মুনাফা করে চলেছে ওষুধ ব্যবসায়ীরা। ডেঙ্গুর বিস্তার বেড়ে যাবার সঙ্গে সঙ্গে স্যালাইনের চাহিদা বেড়ে যায়। ব্যস এটিকে পুজি করে স্যালাইন স্টক গড়ে তোলে।
সাধারণ ক্রেতা ওষুধের দোকানে কিনতে গেলে স্যালাইন নেই বলে সাফ জানিয়ে দেয়। কোনো দোকানে পাওয়া গেলে বাড়তি মূল্য আদায় করা হচ্ছে। কিন্তু প্রশাসন অভিযানে গিয়ে তল্লাসি করতেই কার্টুন কার্টুন স্যালাইন বেড়িয়ে আসে।
ওষুধ প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, দেশের ছয়টি ওষুধ কোম্পানি স্যালাইন তৈরি করে। চট্টগ্রামে প্রতিদিন তারা প্রায় ১০ হাজার স্যালাইন বাণিজ্যিক ওষুধের দোকান ও বেসরকারি হাসপাতালে সরবরাহ দিচ্ছে। চট্টগ্রামে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ওষুধের দোকান প্রায় ১২ হাজার।
চট্টগ্রামে প্রতিদিন কয়েক শ মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছে। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দৈনিক প্রতিবেদন অনুসারে গড়ে ১৫০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। অনেক রোগী আক্রান্ত হলেও হাসপাতাল পর্যন্ত না এসে বাড়ি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
ডেঙ্গু রোগী বেড়ে যাওয়ার পর বাজারে স্যালাইন নিয়ে নানা অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। রোগীরা ওষুধের দোকানে স্যালাইন পাচ্ছে না। সরকারি হাসপাতালে স্যালাইনে কোনো সংকট নেই। সম্প্রতি ভারত থেকে স্যালাইন আমদানি করা হয়েছে। এসব স্যালাইন সরকারি হাসপাতালে সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে।
ওষুধ প্রশাসনের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিক্রিত স্যালাইনের ক্যাশমেমো দিতে হবে।অপর দিকে সাদা কাগজের ব্যবস্থাপত্রে স্যালাইন বিক্রি করা হবে না। চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রে স্যালাইন লেখা থাকতে হবে।




















