ঢাকা ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচার চাইলে গণতান্ত্রিক সরকার অপরিহার্য, তারেক রহমান গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

সঞ্জয় দেওয়ানের কবিতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৭:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুন ২০২৪ ৩২২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

গুপ্ত দেহবাঁক

তোমার জলরঙা আবরণের গহীনে গুপ্ত দেহবাঁকে নিঃসঙ্গ পথিক

পথ হারায়; ভুলে যায় আনাজপাতি, দেহকলা কিংবা গার্হস্থ্য স্তবক।

তোমার জলধোয়া দেহের দহলিজে সন্ধ্যাদীপ জ্বলে ওঠে; কালের

পথিক খোল পাল্টায় সংরাগে; গিলে ফেলে গন্ধম এক কোষ জলে!

তোমার দেহফুলের জহরে জড়ভরত বিভ্রমে ডুবে যায় ইঁদারার জলে;

বিচ্ছেদের কামলিপি মূর্ত হয় সময়ের শিথানে।

 

উয়ারী বটেশ্বর

খুঁড়ো নগর কিংবা নারী

খুঁজে পাবে সীমান্তের গোপন সুড়ঙ্গ

খুঁজে পাবে বিষ্ণুপট্ট,ধাবমান অশ্ব

নদী কিংবা নারীর প্রণয় মাপো

রৌপ্যমুদ্রার বাটখারায়!

পাথরের শিলে আঁকো বিলুপ্ত নদীর চোরাস্রোতের কোলাজ!

বল্লম,বাটালি কিংবা লৌহকুঠারাঘাতে

ফিরিয়ে আনো বিচূর্ণ সময়।

নদী কিংবা নারীর তলদেশে ডুব দাও

পেতে পারো ত্রিরত্ন, রেলিক কাসকিট কিংবা বিরহী পোড়ামাটির কিন্নর।

নারী কিংবা নগরীর পিছনে ছুটো

থেমো না শরীরের অববাহিকায়।

তোমার স্বপ্ন বিকিয়ে দিও না আশি টাকা সের দরে উয়ারী বটেশ্বরে!

 

সঞ্জয় দেওয়ান

(কবিতা লেখকের মতিষ্কের প্রশান্তি। কবিতার চাষাবাস একটা কঠিন তপস্যার কাজ। ধ্যানমগ্ন জগতের বাসিন্দার মতোই কবিতাকে মনেপ্রাণে লালন করে পথ চলার ব্যতিক্রম তো রয়েছেই। ইচ্ছে করলেই তো আর কবিতা লেখা যায় না। এর জন্য চাই সঠিক ভাবনার স্বাধীনতা।

সঞ্জয় বাবু তথা সঞ্জয় দেওয়ানকে প্রথমবার যেদিন দেখলাম, সেদিনই মনে হয়েছিলো ভদ্রলোক কথার ফাঁকে ফাঁকে কি যেন ভাবেন। একবার ভাবছিলাম জিজ্ঞেস করবো। কিন্তু পরিচয়ের দু’দিনের মাথায় মানুসিক সায় মেলেনি বলে জিজ্ঞেস করিনি।

আরও দু’দিন পর আলাপ-চারিতায় কাছাকাছি হতেই আমরা ভাবনা পরিষ্কার, তিনি লেখেন এবং সমৃদ্ধ লেখা। লেখার জন্য নিজেকে সময় দিয়ে থাকেন। হুট হাট করেই লিখে ফেলেন না। ভাবনা-চিন্তার পর লিখেন। সঞ্জয় বাবুর সবচেয়ে বড় গুণ হচ্ছে, তিনি অভিঙ্গবাদী।

যতদূর জানা যায়, কবিতাকে মেমোরেবল স্পিচ বলেছেন ইংরেজ কবি অডেন। আর কবি জীবনানন্দ দাশ কবিতাকে কল্পনাপ্রতিভার মহত্তম অভিব্যক্তি অখ্যায়িত করেছেন। আর স্যান্ডবার্গ-এর মতে কবিতা হচ্ছে প্রতিধ্বনি।)

 

 

 

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সঞ্জয় দেওয়ানের কবিতা

আপডেট সময় : ০৯:০৭:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুন ২০২৪

 

গুপ্ত দেহবাঁক

তোমার জলরঙা আবরণের গহীনে গুপ্ত দেহবাঁকে নিঃসঙ্গ পথিক

পথ হারায়; ভুলে যায় আনাজপাতি, দেহকলা কিংবা গার্হস্থ্য স্তবক।

তোমার জলধোয়া দেহের দহলিজে সন্ধ্যাদীপ জ্বলে ওঠে; কালের

পথিক খোল পাল্টায় সংরাগে; গিলে ফেলে গন্ধম এক কোষ জলে!

তোমার দেহফুলের জহরে জড়ভরত বিভ্রমে ডুবে যায় ইঁদারার জলে;

বিচ্ছেদের কামলিপি মূর্ত হয় সময়ের শিথানে।

 

উয়ারী বটেশ্বর

খুঁড়ো নগর কিংবা নারী

খুঁজে পাবে সীমান্তের গোপন সুড়ঙ্গ

খুঁজে পাবে বিষ্ণুপট্ট,ধাবমান অশ্ব

নদী কিংবা নারীর প্রণয় মাপো

রৌপ্যমুদ্রার বাটখারায়!

পাথরের শিলে আঁকো বিলুপ্ত নদীর চোরাস্রোতের কোলাজ!

বল্লম,বাটালি কিংবা লৌহকুঠারাঘাতে

ফিরিয়ে আনো বিচূর্ণ সময়।

নদী কিংবা নারীর তলদেশে ডুব দাও

পেতে পারো ত্রিরত্ন, রেলিক কাসকিট কিংবা বিরহী পোড়ামাটির কিন্নর।

নারী কিংবা নগরীর পিছনে ছুটো

থেমো না শরীরের অববাহিকায়।

তোমার স্বপ্ন বিকিয়ে দিও না আশি টাকা সের দরে উয়ারী বটেশ্বরে!

 

সঞ্জয় দেওয়ান

(কবিতা লেখকের মতিষ্কের প্রশান্তি। কবিতার চাষাবাস একটা কঠিন তপস্যার কাজ। ধ্যানমগ্ন জগতের বাসিন্দার মতোই কবিতাকে মনেপ্রাণে লালন করে পথ চলার ব্যতিক্রম তো রয়েছেই। ইচ্ছে করলেই তো আর কবিতা লেখা যায় না। এর জন্য চাই সঠিক ভাবনার স্বাধীনতা।

সঞ্জয় বাবু তথা সঞ্জয় দেওয়ানকে প্রথমবার যেদিন দেখলাম, সেদিনই মনে হয়েছিলো ভদ্রলোক কথার ফাঁকে ফাঁকে কি যেন ভাবেন। একবার ভাবছিলাম জিজ্ঞেস করবো। কিন্তু পরিচয়ের দু’দিনের মাথায় মানুসিক সায় মেলেনি বলে জিজ্ঞেস করিনি।

আরও দু’দিন পর আলাপ-চারিতায় কাছাকাছি হতেই আমরা ভাবনা পরিষ্কার, তিনি লেখেন এবং সমৃদ্ধ লেখা। লেখার জন্য নিজেকে সময় দিয়ে থাকেন। হুট হাট করেই লিখে ফেলেন না। ভাবনা-চিন্তার পর লিখেন। সঞ্জয় বাবুর সবচেয়ে বড় গুণ হচ্ছে, তিনি অভিঙ্গবাদী।

যতদূর জানা যায়, কবিতাকে মেমোরেবল স্পিচ বলেছেন ইংরেজ কবি অডেন। আর কবি জীবনানন্দ দাশ কবিতাকে কল্পনাপ্রতিভার মহত্তম অভিব্যক্তি অখ্যায়িত করেছেন। আর স্যান্ডবার্গ-এর মতে কবিতা হচ্ছে প্রতিধ্বনি।)