সংস্কার পরিষদের সাংবিধানিক অস্তিত্ব নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০১:৫৪:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬ ৫০ বার পড়া হয়েছে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, কোনো সংস্কার পরিষদের নয়। তাই সাংবিধানিকভাবে সংসদের অধিবেশনেই সদস্যরা অংশগ্রহণ করছেন এবং বর্তমানে সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই।
রোববার জাতীয় সংসদের অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে অংশ নেওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার পরিষদ)’ নামে যে উদ্যোগের কথা বলা হচ্ছে, সেটির কিছু সদস্য শপথ নিলেও এর সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে আদালতে চ্যালেঞ্জ হয়েছে এবং বিষয়টি বিচারাধীন রয়েছে।
তিনি বলেন, কোনো পরিষদকে সাংবিধানিক কাঠামোর অংশ করতে হলে আগে সংবিধান সংশোধন করতে হবে। সংসদে আলোচনা ও প্রয়োজনীয় সংশোধনীর মাধ্যমে তা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হলে তবেই ওই ধরনের পরিষদের আনুষ্ঠানিক অস্তিত্ব প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার দল ত্যাগ করেননি; তারা কেবল দলের নির্দিষ্ট পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। নিরপেক্ষতা বজায় রাখার স্বার্থে তারা দলীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে চান না বলেই অব্যাহতি চেয়েছেন। তবে তারা দলের প্রাথমিক সদস্যপদ বহাল রেখেছেন। তিনি আরও বলেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ তখনই প্রযোজ্য হবে, যখন কেউ দল ত্যাগ করবেন।
এদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। রোববার সংসদে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান এ প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা গৃহীত হয়। কমিটিকে আগামী ২ এপ্রিলের মধ্যে অধ্যাদেশগুলো পর্যালোচনা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জারি করা অধ্যাদেশ সংসদের প্রথম বৈঠকে উপস্থাপন করতে হয়। সে অনুযায়ী গত বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে অধ্যাদেশগুলো সংসদে তোলা হয়েছিল। বর্তমানে মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি গঠন না হওয়ায় এসব অধ্যাদেশ যাচাই–বাছাইয়ের জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।



















