ঢাকা ১১:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচন সামনে রেখে লুটের অস্ত্র উদ্ধার নিয়ে  শঙ্কা, নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ গোপালগঞ্জের শ্রমিক নেতা বাসু হত্যা: এক দশক পর পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড উড়োজাহাজ বিধ্বস্তে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ পাঁচজন নিহত ইরানের দিকে আরও মার্কিন সামরিক বহর: চাপ ও সমঝোতার বার্তায় বাড়ছে উত্তেজনা সেন্টমার্টিন ও টেকনাফে নবনির্মিত দুটি বিওপি উদ্বোধন করলেন বিজিবি মহাপরিচালক জাতীয় স্বার্থে বৈদেশিক নীতিতে ন্যূনতম রাজনৈতিক ঐক্যের আহ্বান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপের ঘটনা চট্টগ্রামের বিশ্বযুদ্ধ সমাধিক্ষেত্রে মানবতার স্মরণে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের শ্রদ্ধা বেতন বাড়ানোর ক্ষমতা নেই অন্তর্বর্তী সরকারের, সিদ্ধান্ত নেবে পরবর্তী সরকার নির্বাচনে জনগণের আস্থা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ ড. ইউনূসের

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:০০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ৯৬ বার পড়া হয়েছে

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক . মুহাম্মদ ইউনূস। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে তারা মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রপতি প্রধান উপদেষ্টাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। সময় বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর। পরে তারা শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধান উপদেষ্টা তাঁর সঙ্গে উপস্থিত অন্যান্য উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধান, ঊর্ধ্বতন বেসামরিক সামরিক কর্মকর্তা, আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসা বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের দোসর রাজাকার, আলবদর আলশামস পরিকল্পিতভাবে শিক্ষক, লেখক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, গবেষক সংস্কৃতিকর্মীদের হত্যা করে বাঙালি জাতির বুদ্ধিবৃত্তিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা চালায়। স্বাধীনতার ঠিক প্রাক্কালে সংঘটিত এই নৃশংস হত্যাযজ্ঞ ছিল সদ্য স্বাধীন হতে যাওয়া বাংলাদেশকে মেধাশূন্য পঙ্গু করে দেওয়ার অপচেষ্টা।

এর দুই দিন পর, ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। জাতির ইতিহাসের অন্যতম বেদনাদায়ক এই দিনে প্রতিবছর গভীর শোক, বেদনা শ্রদ্ধার সঙ্গে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করে দেশবাসী।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি-সংগ্রামের ইতিহাসের অন্যতম বেদনাদায়ক দিন এই শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তি-সংগ্রামের শেষ সময়ে যখন সারাদেশের মানুষ চূড়ান্ত বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে, ঠিক তখনই বিশ্বাসঘাতক রাজাকার, আলবদর, আল-শামস ও শান্তি কমিটির সদস্যরা মেতে ওঠে বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞে। চূড়ান্ত মুহূর্তে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার নৃশংস এই নিধনযজ্ঞে সেদিন সারা বিশ্বই হতবিহ্বল হয়ে পড়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা

আপডেট সময় : ০১:০০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক . মুহাম্মদ ইউনূস। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে তারা মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রপতি প্রধান উপদেষ্টাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। সময় বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর। পরে তারা শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধান উপদেষ্টা তাঁর সঙ্গে উপস্থিত অন্যান্য উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধান, ঊর্ধ্বতন বেসামরিক সামরিক কর্মকর্তা, আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসা বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের দোসর রাজাকার, আলবদর আলশামস পরিকল্পিতভাবে শিক্ষক, লেখক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, গবেষক সংস্কৃতিকর্মীদের হত্যা করে বাঙালি জাতির বুদ্ধিবৃত্তিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা চালায়। স্বাধীনতার ঠিক প্রাক্কালে সংঘটিত এই নৃশংস হত্যাযজ্ঞ ছিল সদ্য স্বাধীন হতে যাওয়া বাংলাদেশকে মেধাশূন্য পঙ্গু করে দেওয়ার অপচেষ্টা।

এর দুই দিন পর, ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। জাতির ইতিহাসের অন্যতম বেদনাদায়ক এই দিনে প্রতিবছর গভীর শোক, বেদনা শ্রদ্ধার সঙ্গে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করে দেশবাসী।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি-সংগ্রামের ইতিহাসের অন্যতম বেদনাদায়ক দিন এই শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তি-সংগ্রামের শেষ সময়ে যখন সারাদেশের মানুষ চূড়ান্ত বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে, ঠিক তখনই বিশ্বাসঘাতক রাজাকার, আলবদর, আল-শামস ও শান্তি কমিটির সদস্যরা মেতে ওঠে বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞে। চূড়ান্ত মুহূর্তে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার নৃশংস এই নিধনযজ্ঞে সেদিন সারা বিশ্বই হতবিহ্বল হয়ে পড়ে।