ঢাকা ০৭:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তারেক রহমানের নেতৃত্বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের নতুন অভিযাত্রা বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে আইসিসির সিদ্ধান্ত এক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত ইউএপির দুই শিক্ষককে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ইস্যুতে আজ কী সিদ্ধান্ত নেবে আইসিসি? ২২ জানুয়ারী মওলানা ভাসানীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৫৪তম বার্ষিকী বাংলাদেশে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংক থাকলেই যথেষ্ট: কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর মব সৃষ্টি করে জনমত প্রভাবিত করার দিন আর নেই: জামায়াত আমির বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসহ বেনাপোলে এক বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রী আটক বস্তিবাসীদের উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার আশ্বাস তারেক রহমানের চাপ তৈরি করে ভারতে খেলাতে বাধ্য করা যাবে না

মণিপুরে গাড়ি থেকে নামিয়ে তিনজনকে গুলি করে হত্যা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৫:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৭৭ বার পড়া হয়েছে

গত মে মাস থেকে চলা সহিংসতায় মণিপুরে অসংখ্য মানুষ মারা গেছেনফাইল ছবি: এএনআই

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

ভারতের মণিপুর রাজ্যে আবারও সংঘাতের খবর পাওয়া গেছে। কাংপোকপি জেলায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কুকি-জোমি সম্প্রদায়ের তিনজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। আজ মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাংপোকপি জেলার কাংগুই এলাকার ইরেং ও করম ভাইফেই গ্রামের মাঝামাঝি এলাকায় ওই তিন ব্যক্তিকে গাড়ি থেকে নামিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

কাংপোকপি জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থলু রকি সাংবাদিকদের বলেন, একটি গাড়ি থেকে কুকি সমাজের তিনজনকে নামিয়ে সশস্ত্র দুষ্কৃতকারীরা গুলি করে হত্যা করেছে।

কোনো বন্দুকযুদ্ধ হয়নি বলে মনে হচ্ছে। দোষীদের ধরতে আমরা তদন্ত শুরু করেছি। মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

মণিপুরে সহিংসতায় কেন্দ্রীয় সরকারের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা নিয়ে ভারতীয় যুব কংগ্রেস ‘সংসদ ঘেরাও’ কর্মসূচি পালন করে। ৮ আগস্ট স্থানীয় প্রশাসন জানায়, খবর পেয়ে পুলিশ ও আসাম রাইফেলসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তারা এলাকাটি ঘিরে তল্লাশি চালান।

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী নেতাদের ফোরাম (আইটিএলএফ) মৃতদের শনাক্ত করেছে। তারা কোন অঞ্চলের বাসিন্দা, তা নিশ্চিত করেছে। অপর একটি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ঐক্য কমিটি জানিয়েছে, যারা হামলা চালিয়েছিল, তারা নিরাপত্তা বাহিনীর পোশাকে ছিল।

কিছুদিন আগে কেন্দ্রের গোয়েন্দা এজেন্সিগুলো মণিপুরের রাজ্য প্রশাসনকে জানিয়েছিল, নিরাপত্তা বাহিনীর পোশাকে দুষ্কৃতকারীরা হামলা চালাতে পারে। এই নিয়ে গত দুই সপ্তাহে মণিপুরে অন্তত ১৪ জন নিহত হলেন।

গত ৩ মে থেকে মণিপুরে মেইতেই এবং ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী কুকিদের মধ্যে সংঘর্ষে এ পর্যন্ত দুই শতাধিক প্রাণহানি হয়েছে। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ৬০ হাজারের বেশি মানুষ। চার মাসের বেশি সময় ধরেই রাজ্যটিতে সহিংসতা চলছে। এখনো প্রায় প্রতি সপ্তাহেই ৫ থেকে ১০ জন মারা যাচ্ছেন।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মণিপুরে এই সংঘাত থামাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন বলে বারবার অভিযোগ করছে ভারত ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই সংঘাতের কারণ এবং সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে এখন পর্যন্ত মুখ খোলেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মণিপুরে গাড়ি থেকে নামিয়ে তিনজনকে গুলি করে হত্যা

আপডেট সময় : ০৯:০৫:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

ভারতের মণিপুর রাজ্যে আবারও সংঘাতের খবর পাওয়া গেছে। কাংপোকপি জেলায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কুকি-জোমি সম্প্রদায়ের তিনজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। আজ মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাংপোকপি জেলার কাংগুই এলাকার ইরেং ও করম ভাইফেই গ্রামের মাঝামাঝি এলাকায় ওই তিন ব্যক্তিকে গাড়ি থেকে নামিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

কাংপোকপি জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থলু রকি সাংবাদিকদের বলেন, একটি গাড়ি থেকে কুকি সমাজের তিনজনকে নামিয়ে সশস্ত্র দুষ্কৃতকারীরা গুলি করে হত্যা করেছে।

কোনো বন্দুকযুদ্ধ হয়নি বলে মনে হচ্ছে। দোষীদের ধরতে আমরা তদন্ত শুরু করেছি। মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

মণিপুরে সহিংসতায় কেন্দ্রীয় সরকারের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা নিয়ে ভারতীয় যুব কংগ্রেস ‘সংসদ ঘেরাও’ কর্মসূচি পালন করে। ৮ আগস্ট স্থানীয় প্রশাসন জানায়, খবর পেয়ে পুলিশ ও আসাম রাইফেলসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তারা এলাকাটি ঘিরে তল্লাশি চালান।

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী নেতাদের ফোরাম (আইটিএলএফ) মৃতদের শনাক্ত করেছে। তারা কোন অঞ্চলের বাসিন্দা, তা নিশ্চিত করেছে। অপর একটি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ঐক্য কমিটি জানিয়েছে, যারা হামলা চালিয়েছিল, তারা নিরাপত্তা বাহিনীর পোশাকে ছিল।

কিছুদিন আগে কেন্দ্রের গোয়েন্দা এজেন্সিগুলো মণিপুরের রাজ্য প্রশাসনকে জানিয়েছিল, নিরাপত্তা বাহিনীর পোশাকে দুষ্কৃতকারীরা হামলা চালাতে পারে। এই নিয়ে গত দুই সপ্তাহে মণিপুরে অন্তত ১৪ জন নিহত হলেন।

গত ৩ মে থেকে মণিপুরে মেইতেই এবং ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী কুকিদের মধ্যে সংঘর্ষে এ পর্যন্ত দুই শতাধিক প্রাণহানি হয়েছে। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ৬০ হাজারের বেশি মানুষ। চার মাসের বেশি সময় ধরেই রাজ্যটিতে সহিংসতা চলছে। এখনো প্রায় প্রতি সপ্তাহেই ৫ থেকে ১০ জন মারা যাচ্ছেন।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মণিপুরে এই সংঘাত থামাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন বলে বারবার অভিযোগ করছে ভারত ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই সংঘাতের কারণ এবং সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে এখন পর্যন্ত মুখ খোলেননি।