ঢাকা ০৮:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রান্তিক নারীদের আয়বৃদ্ধিমূলক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিতে হবে: বিএনপিএস নদী ভাঙনের হুমকিতে মধ্যনগরের মহিষখলা জাতীয় স্মৃতিসৌধ ট্রাম্প-পুতিনের ফোন আলোচনা ইরান যুদ্ধ ও তেল বাজার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি, ১,৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভ্যন্তরীণ তদন্ত দেড় কোটি মানুষ ছাড়ছে ঢাকা, ঈদে জনস্রোত সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ কমার একদিন পরই বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে বেড়েছে ৩,২৬৬ টাকা বিশ্ব ঐতিহ্যের জামদানি বুনেও কষ্টের জীবন রূপগঞ্জের তাঁতিদের ফ্যামিলি কার্ড নারীর ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে: সিপিডি ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য সরকারের: প্রধানমন্ত্রী

ভারতের ট্রান্সশিপমেন্ট বাতিল শাপে বর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

কূটনৈতিক রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৯:১৩:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫ ১৫৬ বার পড়া হয়েছে

ভারতের ট্রান্সশিপমেন্ট বাতিল শাপে বর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিলকে শাপে বর বলে মন্তব্য করেছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। নিজ দপ্তরে উপদেষ্টা বলেন, ট্রান্সশিপমেন্ট বাতিলের বিষয় আমাদের জন্য শাপে বর হয়েছে। তাদের ওপর নির্ভরশীলতাটা কমে গেছে এবং আমাদের রফতানি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না। ভারতের ভূমি ব্যবহার করে তৃতীয় দেশে পণ্য পাঠানো তথা ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা গত এপ্রিলে বাতিল করে দিল্লী।

অবশ্য বাংলাদেশ বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসাবেই দেখছে। মঙ্গলবার পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, একটি মেকানিজম দাঁড়িয়ে গেছে, দিল্লির পরিবর্তে চিটাগাং এবং সিলেট থেকে পণ্য যাচ্ছে। কোনও সমস্যা হচ্ছে না। এটি ভালো হয়েছে বলে মনে করেন তৌহিদ হোসেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, কেন সবকিছুর জন্য অন্য দেশের ভেতর দিয়ে আমাদের ট্রানজিট করতে হবে।

পণ্য এখান থেকে সরাসরি যেতে পারে এবং এখান থেকে যেমন যাচ্ছে। ভারত একের পর এক সুবিধা বাতিল করছে, এমন প্রশ্নে তৌহিদ হোসেন বলেন, আমরাও আমাদের প্রয়োজন অনুযায়ী একটি সুবিধা বাতিল করেছি। আমরা স্থলবন্দর দিয়ে সুতা আমদানি বন্ধ করেছি। সেটি আমাদের প্রয়োজন ছিল বলেই করেছি। কিন্তু তারা যেটি করেছে, এটি তাদের প্রয়োজনের জন্য করেছে কিনা, তা আমি জানি না।

শেখ হাসিনাকে পাঠনো প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং ভারত থেকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে আমরা কোনও জবাব পাইনি। শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য গত বছর চিঠি দেওয়া হয়েছিল। সীমান্ত হত্যাকান্ডের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার প্রথমদিকে প্রচন্ড প্রতিবাদ করেছিল। ভারতীয় কূটনীতিকদের তলব করে প্রদিবাদপত্র হস্তান্তর করা হয়েছে।

কিন্তু বর্তমানে সীমান্ত হত্যাকান্ড হলে সেসব করা হচ্ছে না কেন, জানতে চাইলে তৌহিদ হোসেন বলেন, এগুলো গা সওয়া হওয়া সম্ভব নয়। এগুলো নিয়ে নমনীয়তা দেখানো সম্ভব নয়। আমরা এগুলোর প্রতিবাদ করছি এবং এই প্রক্রিয়া চালু আছে। এ বিষয়ে আমরা অবশ্য শক্ত ভাষায় প্রতিবাদ করবো। এই বিষয়টিকে কখনোই মেনে নেওয়া হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভারতের ট্রান্সশিপমেন্ট বাতিল শাপে বর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৯:১৩:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫

ভারতের ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিলকে শাপে বর বলে মন্তব্য করেছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। নিজ দপ্তরে উপদেষ্টা বলেন, ট্রান্সশিপমেন্ট বাতিলের বিষয় আমাদের জন্য শাপে বর হয়েছে। তাদের ওপর নির্ভরশীলতাটা কমে গেছে এবং আমাদের রফতানি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না। ভারতের ভূমি ব্যবহার করে তৃতীয় দেশে পণ্য পাঠানো তথা ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা গত এপ্রিলে বাতিল করে দিল্লী।

অবশ্য বাংলাদেশ বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসাবেই দেখছে। মঙ্গলবার পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, একটি মেকানিজম দাঁড়িয়ে গেছে, দিল্লির পরিবর্তে চিটাগাং এবং সিলেট থেকে পণ্য যাচ্ছে। কোনও সমস্যা হচ্ছে না। এটি ভালো হয়েছে বলে মনে করেন তৌহিদ হোসেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, কেন সবকিছুর জন্য অন্য দেশের ভেতর দিয়ে আমাদের ট্রানজিট করতে হবে।

পণ্য এখান থেকে সরাসরি যেতে পারে এবং এখান থেকে যেমন যাচ্ছে। ভারত একের পর এক সুবিধা বাতিল করছে, এমন প্রশ্নে তৌহিদ হোসেন বলেন, আমরাও আমাদের প্রয়োজন অনুযায়ী একটি সুবিধা বাতিল করেছি। আমরা স্থলবন্দর দিয়ে সুতা আমদানি বন্ধ করেছি। সেটি আমাদের প্রয়োজন ছিল বলেই করেছি। কিন্তু তারা যেটি করেছে, এটি তাদের প্রয়োজনের জন্য করেছে কিনা, তা আমি জানি না।

শেখ হাসিনাকে পাঠনো প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং ভারত থেকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে আমরা কোনও জবাব পাইনি। শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য গত বছর চিঠি দেওয়া হয়েছিল। সীমান্ত হত্যাকান্ডের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার প্রথমদিকে প্রচন্ড প্রতিবাদ করেছিল। ভারতীয় কূটনীতিকদের তলব করে প্রদিবাদপত্র হস্তান্তর করা হয়েছে।

কিন্তু বর্তমানে সীমান্ত হত্যাকান্ড হলে সেসব করা হচ্ছে না কেন, জানতে চাইলে তৌহিদ হোসেন বলেন, এগুলো গা সওয়া হওয়া সম্ভব নয়। এগুলো নিয়ে নমনীয়তা দেখানো সম্ভব নয়। আমরা এগুলোর প্রতিবাদ করছি এবং এই প্রক্রিয়া চালু আছে। এ বিষয়ে আমরা অবশ্য শক্ত ভাষায় প্রতিবাদ করবো। এই বিষয়টিকে কখনোই মেনে নেওয়া হবে না।