ঢাকা ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় যুক্ত হবেন না, সাফ জানালেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্কিন তেলবাহী জাহাজে হামলার দাবি আইআরজিসির ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে চরম মাশুল গুনছে ইসরায়েল, সপ্তাহে ক্ষতি ৯ বিলিয়ন শেকেল কৃষি ও জেলেদের সুরক্ষায় ইলিশা-রাজাপুর খাল পুনঃখননের দাবিতে মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি আরও তিন সাবেক উপদেষ্টা ও এক বিশেষ সহকারীর ব্যাংক হিসাব তলব বেনাপোল পুটখালী সীমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার শিগগির ঢাকার সক্রিয় চাঁদাবাজদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন, জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, তেলের দাম লাগামছাড়া চাউলের দাম বৃদ্ধির খবরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রথানমন্ত্রীর নির্দেশ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাই কোর্টের রুল

প্রয়োজনে ডিম আমদানি করা হবে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৬:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৩ ২৪৮ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রতিদিন ডিমের চাহিদা ৪ কোটি ৭০ লাখ ডিম। উৎপাদন হচ্ছে ৪ কোটি ৩৫ লাখ। ঘাটতি প্রায় ৩৫ লাখ ডিম

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

ডিমের ডজন যখন ১৮০ টাকা, তখন বাণিজ্যমন্ত্রী বললেন, দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডিম আমদানি করা হবে। কাঁচা মরিচের কেজি হাজার টাকায় ওঠলে বলা হয়, দাম নিয়ন্ত্রণে আমদানি করা হবে, পেঁয়াজের কেজি দেড়শ’ টাকায় ওঠলেও বলা হয় দাম নিয়ন্ত্রণে পেঁয়াজ আমদানি করা হবে।

বাজারে কোন পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়লেই বলা হয়, নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমদানি করা হবে। এটি যেন একটি রেওয়াজে দাঁড়িয়েছে গিয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ডিমের দাম কত হওয়া উচিত সেটা তা নির্ধারণ করবে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রক। গত বছরের এই সময়ে প্রতি ডজন ডিমের দাম উঠেছিল ১৫৫ টাকা।

ডিমের বাজার যে সিন্ডিকেটের হাতে চলে গিয়েছে, সেই প্রমাণ পেয়েছেন ভক্ত অধিকার সংরক্ষণের কর্মকর্তারা। ঢাকায় ডিমের প্রধান পাইকারী বাজারে গিয়ে তারা দেখতে পান, ডিম কেনার রশিদ থাকলেও ডিমের ক্রয়মূল্য উল্লেখ নেই। একারণে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

ঢাকার পাইকারী বাজারে প্রতি ডজন ডিম ১৬০ টাকায় বিক্রি হলেও পাড়া-মহল্লার বাজার ও খুচরো দোকানে প্রতি ডজন ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ডিমের দাম এতোটা বেড়ে যাবার পক্ষে দাবি উত্থাপন করে বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মুহাম্মদ মহসিন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, প্রচণ্ড গরমের সময় হাজার হাজার মুরগি মারা গেছে।

মুরগির শরীরের তাপমাত্রা থাকে ১০৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট, কিন্তু দুই সপ্তাহ আগেও তাপমাত্রা অনুভূত হয়েছে ১১৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট। এতে অনেক মুরগির ওভারি (গর্ভাশয়) নষ্ট হয়ে গিয়ে উৎপাদন কমেছে।

পাশাপাশি বৈরী আবহাওয়ার কারণে সমুদ্র, খাল-বিল, নদীনালায় পর্যাপ্ত মাছ মিলছে না। শাক-সবজির সরবরাহ কমেছে। এর বিকল্প হিসেবে ডিমের চাহিদা বেড়েছে। খারাপ আবহাওয়ার কারণে গ্রামে আটকে আছে ২ থেকে ৩ শতাংশ ডিম। ফলে ডিমের সরবরাহ কমেছে।

অ্যাসোসিয়েশনের দাবি অতিরিক্ত গরমে বহু মুরগি মারা যাওয়ায় ডিমের উৎপাদন কমেছে। তাতে ডিমের দাম বেড়েছে। দেশের খামারগুলোতে প্রতি ১০০ মুরগি থেকে প্রতিদিন ৯২ থেকে ৯৩টি ডিম পাওয়া যায়।

কিন্তু বর্তমানে ৭০ থেকে ৭৫টি পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিদিন ডিমের চাহিদা ৪ কোটি ৭০ লাখ ডিম। উৎপাদন হচ্ছে ৪ কোটি ৩৫ লাখ। ঘাটতি প্রায় ৩৫ লাখ ডিম।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

প্রয়োজনে ডিম আমদানি করা হবে

আপডেট সময় : ০৫:৩৬:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৩

প্রতিদিন ডিমের চাহিদা ৪ কোটি ৭০ লাখ ডিম। উৎপাদন হচ্ছে ৪ কোটি ৩৫ লাখ। ঘাটতি প্রায় ৩৫ লাখ ডিম

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

ডিমের ডজন যখন ১৮০ টাকা, তখন বাণিজ্যমন্ত্রী বললেন, দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডিম আমদানি করা হবে। কাঁচা মরিচের কেজি হাজার টাকায় ওঠলে বলা হয়, দাম নিয়ন্ত্রণে আমদানি করা হবে, পেঁয়াজের কেজি দেড়শ’ টাকায় ওঠলেও বলা হয় দাম নিয়ন্ত্রণে পেঁয়াজ আমদানি করা হবে।

বাজারে কোন পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়লেই বলা হয়, নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমদানি করা হবে। এটি যেন একটি রেওয়াজে দাঁড়িয়েছে গিয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ডিমের দাম কত হওয়া উচিত সেটা তা নির্ধারণ করবে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রক। গত বছরের এই সময়ে প্রতি ডজন ডিমের দাম উঠেছিল ১৫৫ টাকা।

ডিমের বাজার যে সিন্ডিকেটের হাতে চলে গিয়েছে, সেই প্রমাণ পেয়েছেন ভক্ত অধিকার সংরক্ষণের কর্মকর্তারা। ঢাকায় ডিমের প্রধান পাইকারী বাজারে গিয়ে তারা দেখতে পান, ডিম কেনার রশিদ থাকলেও ডিমের ক্রয়মূল্য উল্লেখ নেই। একারণে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

ঢাকার পাইকারী বাজারে প্রতি ডজন ডিম ১৬০ টাকায় বিক্রি হলেও পাড়া-মহল্লার বাজার ও খুচরো দোকানে প্রতি ডজন ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ডিমের দাম এতোটা বেড়ে যাবার পক্ষে দাবি উত্থাপন করে বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মুহাম্মদ মহসিন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, প্রচণ্ড গরমের সময় হাজার হাজার মুরগি মারা গেছে।

মুরগির শরীরের তাপমাত্রা থাকে ১০৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট, কিন্তু দুই সপ্তাহ আগেও তাপমাত্রা অনুভূত হয়েছে ১১৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট। এতে অনেক মুরগির ওভারি (গর্ভাশয়) নষ্ট হয়ে গিয়ে উৎপাদন কমেছে।

পাশাপাশি বৈরী আবহাওয়ার কারণে সমুদ্র, খাল-বিল, নদীনালায় পর্যাপ্ত মাছ মিলছে না। শাক-সবজির সরবরাহ কমেছে। এর বিকল্প হিসেবে ডিমের চাহিদা বেড়েছে। খারাপ আবহাওয়ার কারণে গ্রামে আটকে আছে ২ থেকে ৩ শতাংশ ডিম। ফলে ডিমের সরবরাহ কমেছে।

অ্যাসোসিয়েশনের দাবি অতিরিক্ত গরমে বহু মুরগি মারা যাওয়ায় ডিমের উৎপাদন কমেছে। তাতে ডিমের দাম বেড়েছে। দেশের খামারগুলোতে প্রতি ১০০ মুরগি থেকে প্রতিদিন ৯২ থেকে ৯৩টি ডিম পাওয়া যায়।

কিন্তু বর্তমানে ৭০ থেকে ৭৫টি পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিদিন ডিমের চাহিদা ৪ কোটি ৭০ লাখ ডিম। উৎপাদন হচ্ছে ৪ কোটি ৩৫ লাখ। ঘাটতি প্রায় ৩৫ লাখ ডিম।