ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শবে বরাত শার্শায় র‌্যাবের অভিযানে ২৯৭০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক খুব শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে-চীনা রাষ্ট্রদূত তৈরি পোশাকখাত এখন পোশাক খাত এখন আইসিইউতে: মোহাম্মদ হাতেম তারেক রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ব্যবসা মন্দা, আয় সংকোচন ও রাজস্ব ঘাটতি ৪৬ হাজার কোটি  নির্বাচন কমিশনের সামনে বিজিবি মোতায়েন, ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত মাদারীপুরে বাস অটোরিকশা সংঘর্ষ প্রাণ গেল ৬জনের বাংলাদেশে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার ব্যাখ্যা দিল অন্তর্বর্তী সরকার রমজান সামনে আগেই চড়া বাজার: দামে লাগাম টানতে কড়া নজরদাবি জরুরি

পেঁয়াজের ভরা মৌসুমে কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৩:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মে ২০২৩ ২১১ বার পড়া হয়েছে

লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম : ফাইন সচিব

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

১৪ মে দুপুরে সচিবালয়ে কৃষিসচিব ওয়াহিদা আক্তার জানিয়েছিলেন, কৃষকের স্বার্থ বিবেচনা করে পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এবছর দেশে পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে ৩৪ লাখ টনের বেশি। আর বর্তমানে মজুদ আছে ১৮ লাখ ৩০ হাজার টন। উৎপাদন ও মজুদ বিবেচনায় দেশে এই মুহূর্তে পেঁয়াজের দাম বাড়ার কোনো কারণ নেই, যদিও বাজারে দাম কিছুটা বেশি। কৃষি মন্ত্রণালয় দেশের অভ্যন্তরে পেঁয়াজের বাজার সবসময় মনিটর করছে। দাম ঊর্ধ্বমুখী হতে থাকলে শিগগিরই পেঁয়াজ আমদানির বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

১৪ মে সচিবালয়ে কৃষি সচিবের বৈঠক : ছবি সংগ্রহ

অনলাইন ডেস্ক

কৃষি সচিবের এই বার্তার পর পেঁয়াজের ভরা মৌসুমে ঢাকার খুচরা ও পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। সপ্তাহ আগে যে পেঁয়াজের দাম ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, সেই দেশি পেঁয়াজ মানভেদে ৭৫ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি করছে খুচরা বিক্রেতারা।

পাইকারিতে পাঁচ কেজির পাল্লা গত সপ্তাহে ছিল ২২৫ থেকে ২৫০ টাকা, যা এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩২৫ টাকায়। পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আসন্ন কুরবানির ঈদে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অতি মুনাফার লোভে মজুদ গড়ে বাজারে সংকট তৈরির চেষ্টা, পরিবহন ব্যয় ও চাঁদাবাজি, শিলা বৃষ্টিতে নষ্ট, উৎপাদন কম হওয়া এবং পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ইত্যাদি কারণ গুলো দাম বাড়ার যুক্ত হিসানে সামনে আনা হচ্ছে।

দু-একদিনের মধ্যে পেঁয়াজ দাম না কমলে আমদানি করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। শুক্রবার বাণিজ্যমন্ত্রী একথা জানান।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, মার্চ থেকে ভারত ও মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে। একারণে দাম বেড়েছে। উৎপাদন মৌসুমে কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর গত মাস পর্যন্ত দাম নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এ মাসে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম।

প্রসঙ্গত, কৃষকদের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে সরকার গত ১৫ মার্চ ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্র বন্ধ করে দেয়। ফলে এখন চাহিদার পুরোটা মেটানো হচ্ছে দেশি পেঁয়াজে।

শুক্রবার সরেজমিন রাজধানীর বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মানভেদে পাইকারিতে এক কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। অথচ এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছিলো ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। আর গত ঈদের আগে এ পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিলো ২২ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া শ্যামবাজারের কোনো আড়তে নেই আমদানি করা পেঁয়াজ। দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ মোটামুটি স্বাভাবিক থাকলেও দাম বাড়ছে প্রতিনিয়ত।

এদিকে পাইকারি বাজারগুলোতে দেশি পেঁয়াজের দাম বাড়তে থাকায় প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পেঁয়াজের ভরা মৌসুমে কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে

আপডেট সময় : ১০:১৩:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মে ২০২৩

১৪ মে দুপুরে সচিবালয়ে কৃষিসচিব ওয়াহিদা আক্তার জানিয়েছিলেন, কৃষকের স্বার্থ বিবেচনা করে পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এবছর দেশে পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে ৩৪ লাখ টনের বেশি। আর বর্তমানে মজুদ আছে ১৮ লাখ ৩০ হাজার টন। উৎপাদন ও মজুদ বিবেচনায় দেশে এই মুহূর্তে পেঁয়াজের দাম বাড়ার কোনো কারণ নেই, যদিও বাজারে দাম কিছুটা বেশি। কৃষি মন্ত্রণালয় দেশের অভ্যন্তরে পেঁয়াজের বাজার সবসময় মনিটর করছে। দাম ঊর্ধ্বমুখী হতে থাকলে শিগগিরই পেঁয়াজ আমদানির বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

১৪ মে সচিবালয়ে কৃষি সচিবের বৈঠক : ছবি সংগ্রহ

অনলাইন ডেস্ক

কৃষি সচিবের এই বার্তার পর পেঁয়াজের ভরা মৌসুমে ঢাকার খুচরা ও পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। সপ্তাহ আগে যে পেঁয়াজের দাম ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, সেই দেশি পেঁয়াজ মানভেদে ৭৫ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি করছে খুচরা বিক্রেতারা।

পাইকারিতে পাঁচ কেজির পাল্লা গত সপ্তাহে ছিল ২২৫ থেকে ২৫০ টাকা, যা এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩২৫ টাকায়। পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আসন্ন কুরবানির ঈদে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অতি মুনাফার লোভে মজুদ গড়ে বাজারে সংকট তৈরির চেষ্টা, পরিবহন ব্যয় ও চাঁদাবাজি, শিলা বৃষ্টিতে নষ্ট, উৎপাদন কম হওয়া এবং পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ইত্যাদি কারণ গুলো দাম বাড়ার যুক্ত হিসানে সামনে আনা হচ্ছে।

দু-একদিনের মধ্যে পেঁয়াজ দাম না কমলে আমদানি করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। শুক্রবার বাণিজ্যমন্ত্রী একথা জানান।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, মার্চ থেকে ভারত ও মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে। একারণে দাম বেড়েছে। উৎপাদন মৌসুমে কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর গত মাস পর্যন্ত দাম নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এ মাসে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম।

প্রসঙ্গত, কৃষকদের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে সরকার গত ১৫ মার্চ ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্র বন্ধ করে দেয়। ফলে এখন চাহিদার পুরোটা মেটানো হচ্ছে দেশি পেঁয়াজে।

শুক্রবার সরেজমিন রাজধানীর বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মানভেদে পাইকারিতে এক কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। অথচ এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছিলো ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। আর গত ঈদের আগে এ পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিলো ২২ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া শ্যামবাজারের কোনো আড়তে নেই আমদানি করা পেঁয়াজ। দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ মোটামুটি স্বাভাবিক থাকলেও দাম বাড়ছে প্রতিনিয়ত।

এদিকে পাইকারি বাজারগুলোতে দেশি পেঁয়াজের দাম বাড়তে থাকায় প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকায়।