জানুয়ারিতে ঢাকা–করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রত্যাশা
- আপডেট সময় : ০৭:৪৭:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ৯৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে আকাশপথে যোগাযোগ আরও সহজ করতে জানুয়ারি মাসেই ঢাকা–করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ প্রত্যাশার কথা জানান।
সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ দক্ষিণ এশিয়ার দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুসংহত করার লক্ষ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক, শিক্ষাগত ও চিকিৎসা বিনিময় জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন। সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালু হলে জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়বে এবং ব্যবসা ও পর্যটন খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
পাকিস্তানের হাইকমিশনার জানান, গত বছরের তুলনায় বাংলাদেশ–পাকিস্তান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। উভয় দেশের ব্যবসায়ী মহল নতুন বিনিয়োগের সুযোগ অনুসন্ধানে আগ্রহী হয়ে উঠেছে, যা ভবিষ্যতে যৌথ উদ্যোগ ও শিল্পখাতে সহযোগিতা বাড়াতে সহায়ক হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাগত বিনিময় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে চিকিৎসা বিজ্ঞান, ন্যানোটেকনোলজি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে পাকিস্তানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ছে। পাশাপাশি লিভার ও কিডনি প্রতিস্থাপনসহ উন্নত চিকিৎসার জন্য পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় হাসপাতালগুলোতে বাংলাদেশি রোগীদের যাতায়াতও বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ ও একাডেমিক সহযোগিতা বাড়াতে পাকিস্তান প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান পারস্পরিক যোগাযোগকে স্বাগত জানান। তিনি সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সফর বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাগত বিনিময় এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ–পাকিস্তান বাণিজ্য আরও সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে আশা প্রকাশ করেন, হাইকমিশনার ইমরান হায়দারের মেয়াদকালে বিনিয়োগ ও যৌথ উদ্যোগে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সৌজন্য সাক্ষাতে এসডিজি সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোর্শেদ উপস্থিত ছিলেন।



















