ঢাকা ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাতিসংঘ সফর শেষে সচিবালয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, শুরু দাপ্তরিক কার্যক্রম জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রদূত ১৮ দেশের বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকারের সমালোচনা এনসিপি আহ্বায়কের কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান চুরির অভিযোগে খুঁটিতে বাঁধা বাবা, চা-রুটি খাইয়ে দিচ্ছিল ৯ বছরের মেয়ে

চলতি অর্থবছরে এলএনজি আমদানি দ্বিগুণ মূল্যে, ভর্তুকি ছুঁবে ২০ হাজার কোটি টাকা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:২৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬ ১৩৪ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশে গ্যাস সরবরাহ ঠিক রাখতে সরকার চলতি অর্থবছরে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) কিনছে খোলা বাজার থেকে বাড়তি দামে। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে কাতার থেকে এলএনজি আমদানির সক্ষমতা সীমিত থাকায় বিকল্প উৎসের মাধ্যমে সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে। এপর্যন্ত এপ্রিলের জন্য প্রয়োজনীয় নয়টি কার্গো এলএনজি সরবরাহ নিশ্চিত করেছে পেট্রোবাংলা। এর মধ্যে আটটি কার্গো আসবে স্পট মার্কেট থেকে এবং বাকি একটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় বিকল্প দেশ থেকে।

পেট্রোবাংলার পরিচালক (অর্থ) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, ‘এপ্রিলের চাহিদা অনুযায়ী নয়টি কার্গো এলএনজি সরবরাহ নিশ্চিত হয়েছে। স্পট মার্কেট থেকে কার্গোপ্রতি গড়ে প্রতি এমএমবিটিইউ ২২ ডলারে এলএনজি কেনা হচ্ছে, যা আগের যুদ্ধের আগে সাড়ে ৯–১০ ডলারের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।’ তিনি জানান, এই পরিস্থিতিতে এলএনজি আমদানি ভর্তুকি আগের অর্থবছরের তুলনায় অনেক বেশি বাড়বে এবং চলতি অর্থবছরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার মতো ভর্তুকি প্রয়োজন হবে।

বাংলাদেশ সাধারণত কাতার ও ওমানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে এলএনজি আমদানি করে। কাতার এনার্জি থেকে বছরে ৪০ কার্গো এবং ওমানের ওকিউটি থেকে ১৬ কার্গো এলএনজি আসে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে কাতারের স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। এর ফলে পূর্ব নির্ধারিত ১১টি কার্গোর মধ্যে দুটি কার্গো কম আসছে এবং সরকার বিকল্প উৎস থেকে এলএনজি কিনছে।

সরকার সরবরাহ নিশ্চিত করতে দাম বৃদ্ধি বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছে না। অর্থাৎ গ্যাসের সরবরাহ অচল হলে শিল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বড় প্রভাব পড়তে পারে। চলতি অর্থবছরে আগের অর্থবছরের ৬ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকির পরিকল্পনা ছিল, যা অতিরিক্ত কার্গো আমদানির কারণে ২০ হাজার কোটি টাকার পর্যায়ে পৌঁছতে পারে।

এভাবে দ্বিগুণ বা তারও বেশি দামে এলএনজি কেনার মাধ্যমে সরকার দেশের গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল রাখতে কাজ করছে। তবে এর ফলে বাজেটে ভর্তুকির চাপ ব্যাপকভাবে বেড়েছে, যা অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদে প্রভাব ফেলতে পারে। এ পরিস্থিতি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও শিল্পখাতের অব্যাহত উৎপাদনের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :