খুব শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে-চীনা রাষ্ট্রদূত
- আপডেট সময় : ০৬:৫১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬ ৮০ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনায় শিগগিরই বড় অগ্রগতি আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
তিনি বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীন আন্তরিকভাবে আগ্রহী এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি মূল্যায়ন দ্রুত সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কাজ করছে। সোমবার রংপুরের কাউনিয়া ব্রিজ সংলগ্ন তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দেশটির পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রকের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানসহ জল উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন তিস্তা নদীর ভাঙন, বন্যা ও জলের অনিয়ন্ত্রিত প্রবাহে ক্ষতিগ্রস্ত জনপদের বাস্তব চিত্র ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, তিস্তা নদী অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো চীন অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। এই পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে খুব শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে।

রাষ্ট্রদূত আরও জানান, চীন বাংলাদেশের উন্নয়ন, নদী ব্যবস্থাপনা এবং দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে একটি দীর্ঘমেয়াদি ও অংশীদারত্বমূলক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করতে চায়। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে নদীভাঙন নিয়ন্ত্রণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, জল সংরক্ষণ এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় তা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের চলমান গণতান্ত্রিক রূপান্তর প্রক্রিয়ায় তার সরকারের অব্যাহত সমর্থনের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন। এর আগে, রবিবার সন্ধ্যায় তিনি রংপুরে পৌঁছে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনায় চীনের সক্রিয় অংশগ্রহণ বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন ও আঞ্চলিক সহযোগিতায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।



















