কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা অনুচিত : চীনা রাষ্ট্রদূত
- আপডেট সময় : ০৯:১৪:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জুন ২০২৩ ২০৬ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নতির ভূয়সী প্রশংসাও করেছে চীন। চীন বাংলাদেশের অগ্রগতিতে বিশ্বস্ত সঙ্গী হিসেবে পাশে থাকতে চায়। চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বৃহস্পতিবার মন্ত্রকে স্থানীয় সরকার মমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে মন্তব্য চীনা রাষ্ট্রদূতের। এসময় চীনা এই কূটনীতিক বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের অগ্রগতি কথা উল্লেখ করে বলেন, এশিয়ার দেশ হিসেবে বাংলাদেশের এগিয়ে চলা অন্যান্য এশিয়ান দেশের জন্য অনুপ্রেরণার উদাহরণ।
চীন বাংলাদেশের এই অগ্রগতিতে বিশস্ত সঙ্গী হিসাবে পাশে থাকতে চায়। চীনের এখন জিডিপি ১৯.৩৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার জানিয়ে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, উভয় দেশ পারস্পরিক লাভ ও মানুষের জীবন মান উন্নয়নে কাজ করতে পারে। চীনা রাষ্ট্রদূত ব্রিকসে বাংলাদেশের যোগদানের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এতে করে বাংলাদেশের সাথে চীনের দ্বীপাক্ষিক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে।
ইয়াও ওয়েন এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং বলেন, শেখ হাসিনা যেভাবে আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়ে নিজ দেশকে এগিয়ে যাচ্ছেন তা চীন সবসময় সম্মান করে। এ সময় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম ৯০-এর দশকে চীনের শেনজিং ভ্রমণের স্মৃতিচারণ উল্লেখ করেন এবং বলেন, চীনের অবকাঠামো, সক্ষমতা এবং প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের প্রমাণ তখনই অনুধাবন করা যেত।
বর্তমানে চীন বিশ্বের দ্বিতীয় অর্থনৈতিক শক্তি উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, এশিয়ান দেশ হিসাবে এ অর্জন আমাদের সবার জন্যই গর্বের। ঢাকা শহরের অদূরে পয়ঃশোধনাগার প্রকল্প এবং রাজশাহীতে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ভূ-উপরস্থ জল শোধনাগার চীনা অর্থায়নে বাস্তবায়ন হচ্ছে। বাংলাদেশের উন্নয়নে চীন আরো ভূমিকা রাখতে চায়।
বাংলাদেশ যদি প্রকল্প প্রস্তাব দেয় তাহলে চীন দুদেশের মধ্যে সম্পৃক্ততা আরো বাড়াতে চায়। এ সময় চীনা রাষ্ট্রদূত চীনের অর্থায়নে চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে চীনা সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এ সময় বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে চীনা সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। এ প্রকল্পটিকে একটি আদর্শ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ক্রমবর্ধমান নগরায়নের ফলে উৎপন্ন বর্জ্য নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে এ প্রকল্প বাংলাদেশে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
আলোচনা শেষে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এবং চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন স্ব স্ব দেশের স্মারক উপহার নিজেদের মধ্যে বিনিময় করেন।




















