ঢাকা ১০:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুদ্ধ থামিয়ে ইসরায়েলকে গাজা পুনর্গঠনে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র! অভিযোগ অরুণাচলের আদিবাসীদের ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, দখলে নিয়েছে বিস্তৃত এলাকা বিটাকের প্রশিক্ষণে বিনিয়োগের সুফল বেশি নারীদের শতভাগ কর্মসংস্থান ইতিবাচক শিল্পমন্ত্রী জাতীয় সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি  টাকার বাজেট পাস ভারতের উদ্বেগকে গুরুত্ব দিচ্ছে না চীন তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী ঋণনির্ভর নয়, বাংলাদেশ বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির পথে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পথ বন্ধ বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার: ইনুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় দুপুরে জাপানিজ রক্ষণের দুর্ভেদ্য দেয়াল ভেঙে ব্রাজিলের জয়ের হাসি নকআউটের আগে আর্জেন্টিনার স্বস্তির খবর

ওবায়দুল কাদেরের প্রশ্ন : চৌর্যবৃত্তি আর সাংবাদিকতা কি এক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৭:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মে ২০২১ ২৯৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের: ছাইল ছবি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তথা সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সাংবাদিকদের স্বার্থ বিরোধী কোন কিছুই করবে না সরকার। শেখ হাসিনা সরকার সাংবাদিক বান্ধব সরকার উল্লেখ করে কাদের বলেন, সংবাদমাধ্যমের যে কোন বিষয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত সহানুভূতিশীল।

বৃহস্পতিবার সরকারি বাসভবনে ব্রিফিং কালে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। এসময় তিনি সাংবাদিকদের আবারও ধৈর্য ধারণের আহবান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানান।

সাংবাদিকদের সুখে-দুখে এবং গঠনমূলক সাংবাদিকতার পথ অনুসরণে প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে রয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের। সাংবাদিকগণ পেশাগত কারণে বিভিন্ন ভাবে তথ্য সংগ্রহ করে থাকেন। তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী অপ্রকাশযোগ্য তথ্য ছাড়া অন্যান্য তথ্য সংগ্রহের সুযোগ রয়েছে।

সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে কিন্তু অভিজ্ঞ সাংবাদিক তথ্য সংগ্রহে যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছেন তা সঠিক পদ্ধতি কিনা তা ভেবে দেখার বিষয় বলেও মনে করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বুধবার বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক এক পর্যায়ে নিজের ভুল স্বীকার করে মুখে মুচলেকা দেওয়ার কথাও বলেছেন উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের প্রশ্ন রাখেন, চৌর্যবৃত্তি আর সাংবাদিকতাকে আমরা কি এক করে ফেলতে পারি?

তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য বের হওয়ার আগেই তার পক্ষে বা বিপক্ষে আন্দোলন কতটা যৌক্তিক, সেটাও সাংবাদিক বন্ধুদের ভেবে দেখার আহবান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, একজন অন্যায় করলে ঢালাও ভাবে সবাইতো সেজন্য দায়ী নন।

সচিবালয়ে প্রতিদিন সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন এবং তথ্য সংগ্রহ করেন, কিন্তু কেউ এভাবে লুকিয়ে ফাইলের ছবি তোলেন না বা নথি নিয়ে যায় না। সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক নিজেও ভুল স্বীকার করছেন। আত্মস্বীকৃত একজনের ভুলের জন্য সাংবাদিক বন্ধুদের এমন অবস্থান গ্রহণ কেন? আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিকদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন রাখেন।

কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন, আইন সবার জন্য সমান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, যেহেতু বিষয়টি তদন্তাধীন তাই এনিয়ে কোন মন্তব্য করতে চাই না।

ইতিমধ্যে বিষয়টি তদন্তের জন্য গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কাজে সরকার কোনরূপ হস্তক্ষেপ করবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ওবায়দুল কাদেরের প্রশ্ন : চৌর্যবৃত্তি আর সাংবাদিকতা কি এক

আপডেট সময় : ০৯:৫৭:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মে ২০২১

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের: ছাইল ছবি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তথা সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সাংবাদিকদের স্বার্থ বিরোধী কোন কিছুই করবে না সরকার। শেখ হাসিনা সরকার সাংবাদিক বান্ধব সরকার উল্লেখ করে কাদের বলেন, সংবাদমাধ্যমের যে কোন বিষয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত সহানুভূতিশীল।

বৃহস্পতিবার সরকারি বাসভবনে ব্রিফিং কালে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। এসময় তিনি সাংবাদিকদের আবারও ধৈর্য ধারণের আহবান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানান।

সাংবাদিকদের সুখে-দুখে এবং গঠনমূলক সাংবাদিকতার পথ অনুসরণে প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে রয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের। সাংবাদিকগণ পেশাগত কারণে বিভিন্ন ভাবে তথ্য সংগ্রহ করে থাকেন। তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী অপ্রকাশযোগ্য তথ্য ছাড়া অন্যান্য তথ্য সংগ্রহের সুযোগ রয়েছে।

সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে কিন্তু অভিজ্ঞ সাংবাদিক তথ্য সংগ্রহে যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছেন তা সঠিক পদ্ধতি কিনা তা ভেবে দেখার বিষয় বলেও মনে করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বুধবার বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক এক পর্যায়ে নিজের ভুল স্বীকার করে মুখে মুচলেকা দেওয়ার কথাও বলেছেন উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের প্রশ্ন রাখেন, চৌর্যবৃত্তি আর সাংবাদিকতাকে আমরা কি এক করে ফেলতে পারি?

তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য বের হওয়ার আগেই তার পক্ষে বা বিপক্ষে আন্দোলন কতটা যৌক্তিক, সেটাও সাংবাদিক বন্ধুদের ভেবে দেখার আহবান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, একজন অন্যায় করলে ঢালাও ভাবে সবাইতো সেজন্য দায়ী নন।

সচিবালয়ে প্রতিদিন সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন এবং তথ্য সংগ্রহ করেন, কিন্তু কেউ এভাবে লুকিয়ে ফাইলের ছবি তোলেন না বা নথি নিয়ে যায় না। সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক নিজেও ভুল স্বীকার করছেন। আত্মস্বীকৃত একজনের ভুলের জন্য সাংবাদিক বন্ধুদের এমন অবস্থান গ্রহণ কেন? আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিকদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন রাখেন।

কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন, আইন সবার জন্য সমান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, যেহেতু বিষয়টি তদন্তাধীন তাই এনিয়ে কোন মন্তব্য করতে চাই না।

ইতিমধ্যে বিষয়টি তদন্তের জন্য গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কাজে সরকার কোনরূপ হস্তক্ষেপ করবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।