ইরান পাল্টা আক্রমণে ইসরায়েল লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ
- আপডেট সময় : ০৩:০৯:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার নিয়েছে, যখন ইসরায়েলের আকাশপথের হামলার জবাবে ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে এবং তা শনাক্ত করার পর দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বাজানো হয়। সাধারণ মানুষকে নিরাপদে আশ্রয় নেওয়ার জন্য মোবাইল বার্তার মাধ্যমে সতর্ক করা হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আক্রমণের তথ্য নিশ্চিত করেছে এবং ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীকে দায়ী করেছে। বার্তা সংস্থা ফার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের কেশভারদুস্ত এবং পাস্তুর জেলায় সাতটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানেছে। এই এলাকায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির বাসভবন অবস্থিত। তবে তার বাসভবন হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল কি না তা এখনো নিশ্চিত নয়।
ইসরায়েলের এই আকস্মিক আক্রমণ এবং ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে। নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানাচ্ছে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৎপরভাবে কাজ করছে এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের উত্তেজনা পূর্বে কিছু সময়েই সামরিক সংঘাতের ভয় বাড়িয়ে দিয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যে আরও জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে এই সংঘর্ষ ঠেকানোর চাপ বাড়ছে, যাতে উভয় পক্ষ সরাসরি লড়াই এড়াতে পারে।
এ সময় সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাগুলো কঠোর অবস্থানে রয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং সেনাবাহিনী জনসাধারণকে সতর্ক থাকতে আহ্বান জানাচ্ছে এবং আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে পর্যবেক্ষণ বাড়ানো হয়েছে।
এভাবে ইসরায়েল ও ইরানের সাম্প্রতিক আক্রমণ-প্রতিঘাত মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি এবং নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি মনিটর করা হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য কূটনৈতিক চাপ বৃদ্ধি করছে।



















