ঢাকা ০৩:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্যবসা মন্দা, আয় সংকোচন ও রাজস্ব ঘাটতি ৪৬ হাজার কোটি  নির্বাচন কমিশনের সামনে বিজিবি মোতায়েন, ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত মাদারীপুরে বাস অটোরিকশা সংঘর্ষ প্রাণ গেল ৬জনের বাংলাদেশে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার ব্যাখ্যা দিল অন্তর্বর্তী সরকার রমজান সামনে আগেই চড়া বাজার: দামে লাগাম টানতে কড়া নজরদাবি জরুরি বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি ও এপার-ওপার যাতায়তে আয় জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি এখনও তাজা, শহীদ ও আহতরা শুধু সংখ্যার অংশ নয় পোস্টাল ব্যালট নিয়ে পক্ষপাতের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের সামনে ছাত্রদলের অবস্থান বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার

আইএমএফের তৃতীয় কিস্তির ঋণ পাচ্ছে বাংলাদেশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৮:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মে ২০২৪ ১৬৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বৈঠকের পর তৃতীয় কিস্তি পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ। মঙ্গলবার আইএমএফ প্রতিনিধিদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বৈঠক হয়। পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক সাংবাদিকদের এতথ্য জানান।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই নির্বাহী জানান, খেলাপি ঋণ, রাজস্ব আদায়, আর্থিক ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে একমত হয়েছে দুই পক্ষই। তাতে করে ঋণের পরবর্তী কিস্তি পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী।

আইএমএফের সঙ্গে সমাপণী বৈঠক হওয়ার কথা ছিলো বুধবার। কিন্তু একদিন আগেই একদিন আগে বৈঠকটি হয়।

বেশ কিছু লক্ষ্য পূরণের শর্ত দিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের জন্য ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন করে আইএমএফ। ২০২৬ সাল পর্যন্ত সাত কিস্তিতে ছাড় করা হবে এই ঋণ।

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম কিস্তিতে আইএমএফ ৪৪ কোটি ৭৮ লাখ ডলার ছাড় দেয়। ডিসেম্বরে দ্বিতীয় কিস্তিতে ছাড় করা হয় ৬৮ কোটি ১০ লাখ ডলার। এবার তৃতীয় কিস্তিতে ৬৮ কোটি ডলার ছাড়ের ইঙ্গিত দিয়েছে বৈশ্বিক ঋণদানকারী সংস্থাটি।

তৃতীয় কিস্তি ছাড়ের আগে ঋণের শর্ত পূরণের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে গত ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশে আসে সংস্থাটির একটি প্রতিনিধি দল। তারা বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সাথে বৈঠক করছে।

ব্যাংক একীভূত প্রক্রিয়া কি ভেস্তে যাবে!ব্যাংক একীভূত প্রক্রিয়া কি ভেস্তে যাবে!
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এ বছরের জুন নাগাদ দেশের নিট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার শর্ত দিয়েছিল আইএমএফ, এটা কমিয়ে ১৭-১৮ বিলিয়ন ডলারে নামিয়ে আনা হতে পারে।

ঋণের তৃতীয় কিস্তি পাওয়ার জন্য গত মার্চ শেষে ১ হাজার ৯২৬ কোটি ডলার ও জুন শেষে ২ হাজার ১০ কোটি ডলার নিট রিজার্ভ সংরক্ষণের শর্ত ছিলো আইএমএফের।

কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে বাংলাদেশের নিট রিজার্ভের পরিমাণ প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার। এ শর্ত পূরণ না হলেও তৃতীয় কিস্তি পাওয়ার বিষয়ে কোনো সংশয় নেই।

আইএমএফ এর সঙ্গে সরকারের উল্লেখ করার মতো কোনো দ্বিমত নেই। ভর্তুকি কমানো, রাজস্ব ও রিজার্ভ বাড়ানোসহ আইএমএফ যে সব বিষয় বাস্তবায়ন করতে শর্তারোপ করছে, সরকারও সেগুলো বাস্তবায়নে করতে কাজ করছে বলে জানান কর্মকর্তারা।

বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে সমাপণী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সংবাদ সম্মেলন করে অগ্রগতি জানাবে আইএমএফ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আইএমএফের তৃতীয় কিস্তির ঋণ পাচ্ছে বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ১০:০৮:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মে ২০২৪

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বৈঠকের পর তৃতীয় কিস্তি পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ। মঙ্গলবার আইএমএফ প্রতিনিধিদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বৈঠক হয়। পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক সাংবাদিকদের এতথ্য জানান।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই নির্বাহী জানান, খেলাপি ঋণ, রাজস্ব আদায়, আর্থিক ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে একমত হয়েছে দুই পক্ষই। তাতে করে ঋণের পরবর্তী কিস্তি পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী।

আইএমএফের সঙ্গে সমাপণী বৈঠক হওয়ার কথা ছিলো বুধবার। কিন্তু একদিন আগেই একদিন আগে বৈঠকটি হয়।

বেশ কিছু লক্ষ্য পূরণের শর্ত দিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের জন্য ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন করে আইএমএফ। ২০২৬ সাল পর্যন্ত সাত কিস্তিতে ছাড় করা হবে এই ঋণ।

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম কিস্তিতে আইএমএফ ৪৪ কোটি ৭৮ লাখ ডলার ছাড় দেয়। ডিসেম্বরে দ্বিতীয় কিস্তিতে ছাড় করা হয় ৬৮ কোটি ১০ লাখ ডলার। এবার তৃতীয় কিস্তিতে ৬৮ কোটি ডলার ছাড়ের ইঙ্গিত দিয়েছে বৈশ্বিক ঋণদানকারী সংস্থাটি।

তৃতীয় কিস্তি ছাড়ের আগে ঋণের শর্ত পূরণের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে গত ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশে আসে সংস্থাটির একটি প্রতিনিধি দল। তারা বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সাথে বৈঠক করছে।

ব্যাংক একীভূত প্রক্রিয়া কি ভেস্তে যাবে!ব্যাংক একীভূত প্রক্রিয়া কি ভেস্তে যাবে!
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এ বছরের জুন নাগাদ দেশের নিট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার শর্ত দিয়েছিল আইএমএফ, এটা কমিয়ে ১৭-১৮ বিলিয়ন ডলারে নামিয়ে আনা হতে পারে।

ঋণের তৃতীয় কিস্তি পাওয়ার জন্য গত মার্চ শেষে ১ হাজার ৯২৬ কোটি ডলার ও জুন শেষে ২ হাজার ১০ কোটি ডলার নিট রিজার্ভ সংরক্ষণের শর্ত ছিলো আইএমএফের।

কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে বাংলাদেশের নিট রিজার্ভের পরিমাণ প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার। এ শর্ত পূরণ না হলেও তৃতীয় কিস্তি পাওয়ার বিষয়ে কোনো সংশয় নেই।

আইএমএফ এর সঙ্গে সরকারের উল্লেখ করার মতো কোনো দ্বিমত নেই। ভর্তুকি কমানো, রাজস্ব ও রিজার্ভ বাড়ানোসহ আইএমএফ যে সব বিষয় বাস্তবায়ন করতে শর্তারোপ করছে, সরকারও সেগুলো বাস্তবায়নে করতে কাজ করছে বলে জানান কর্মকর্তারা।

বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে সমাপণী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সংবাদ সম্মেলন করে অগ্রগতি জানাবে আইএমএফ।