ঢাকা ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচিত হলে ‘নবিজির ন্যায়ের’ ভিত্তিতে দেশ পরিচালনার অঙ্গীকার তারেক রহমানের যে কারণে  সিলেট থেকেই বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করে পুণ্যভূমি সিলেট থেকে নির্বাচনী মাঠে নামলেন তারেক রহমান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের নতুন অভিযাত্রা বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে আইসিসির সিদ্ধান্ত এক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত ইউএপির দুই শিক্ষককে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ইস্যুতে আজ কী সিদ্ধান্ত নেবে আইসিসি? ২২ জানুয়ারী মওলানা ভাসানীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৫৪তম বার্ষিকী বাংলাদেশে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংক থাকলেই যথেষ্ট: কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর মব সৃষ্টি করে জনমত প্রভাবিত করার দিন আর নেই: জামায়াত আমির

২৬/১১ মুম্বাই হামলার ১৩তম বার্ষিকী

উদয়ন চৌধুরী
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৭:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ নভেম্বর ২০২১ ৪১০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২৬/১১র রাতে দাউ দাউ করে জ্বলছে মুম্বাইয়ের আইকনিক তাজ হোটেল ছবি সংগ্রহ

ভারতের বাণিজ্যিক নগরী মুম্বাইকে প্রায় চারদিন ধরে স্তব্ধ করে রাখা ২৬/১১-এর ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ১৩ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। এই হামলার জন্য যে সব জঙ্গিরা তথ্যসংগ্রহ করত, তারা পরে স্বীকার করেছে যে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিগেন্স (আইএসআই) তাদের মদত জোগাত। ২০০৮ সালের ২৬ থেকে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত এই হামলা চলে। ঘটনায় ১৬৪ জন নিহত ও কমপক্ষে ৩০৮ জন আহত হন। সারা বিশ্বে এই ঘটনা তীব্রভাবে নিন্দিত হয়।

কোলাবার সমুদ্রতটে ডিঙি নৌকায় করে এসে নামা জনা-দশেক জঙ্গি মুম্বাইয়ের নানা জায়গায় গুলি-বোমা-গ্রেনেড দিয়ে যে হত্যা-লীলা চালিয়েছিল, তাতে মারা যান অন্তত ১৬৪ জন। ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর মুম্বাইতে নজিরবিহীন জঙ্গি হামলায় যারা নিহত হয়েছিলেন, তাদের মধ্যে ভারত ছাড়াও আমেরিকা, ইসরায়েল, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্সসহ প্রায় ১৬টি রাষ্ট্রের ৩০জন নাগরিক ছিলেন। গুরুতর জখম হয়েছিলেন আরও অন্তত সাতটি দেশের নাগরিকরা।

এদের প্রায় সবাই ছিলেন তাজমহল প্যালেস হোটেল বা নরিম্যান পয়েন্টে ওবেরয় হোটেলের অতিথি কিংবা তারা খেতে এসেছিলেন কোলাবার লিওপোল্ড ক্যাফে রেস্তোরাঁয়।

মুম্বাই হামলার ১০ বছরপূতীতে বিবিসি এক প্রতিবেদনে বলেছিলো, হামলা চলাকালীন রিয়াল টাইম গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করেছিল ইসরায়েল ও তাদের গোয়েন্দা বাহিনী মোসাদ। পরে তারা বেশ সক্রিয়ভাবে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার প্রস্তুতি ও কাউন্টার টেররজিমের ক্ষেত্রেও অনেক সাহায্য করেছে।

কিন্তু এই ধরনের কিছু সহযোগিতা বা ভারত-মার্কিন, ভারত-ইসরায়েল যৌথ বিবৃতি ছাড়া সত্যিকারের কোনও অ্যাকশন কিন্তু একেবারেই হয়নি। ওসামা বিন লাদেনকে ধরতে যে ধরনের মার্কিন তৎপরতা ছিল তার ছিটেফোঁটাও এক্ষেত্রে চোখে পড়েনি। যদিও অন্তত ছ’জন আমেরিকান নাগরিক ২৬/১১ হামলায় মারা গিয়েছিলেন।

বাংলাদেশে তিনদিনের কর্মসূচি নিয়েছে এটি সংগঠন। ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি এ সংক্রান্ত এক সংবাদ বার্তায় জানিয়েছে যে, ২০০৮ সালের ২৬ নবেম্বর পাকিস্তানের মদদপুষ্ট জঙ্গিদের নজিরবিহীন সন্ত্রাসী হামলায় ভারতের মুম্বাইয়ের তাজ হোটেল এবং সংশ্লিষ্ট এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। যেখানে ভারতীয়সহ ২২টি দেশের নাগরিক হতাহত হয়েছিলেন। পাকিস্তান কীভাবে বাংলাদেশ ও ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে জঙ্গিবাদ রফতানি করে ধর্মের নামে হত্যা, সন্ত্রাস ও ধ্বংসযজ্ঞ সাধন করে তা বাংলাদেশ ’৭১’র মুক্তিযুদ্ধকালে প্রত্যক্ষ করেছে।

২৬ নভেম্বর মুম্বাই হামলার ১৩তম বার্ষিকীতে ঘিরে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সমিতির সহযোগিতায় শিল্পকলা একাডেমির আয়োজন করেছে ৩ দিনব্যাপী আলোকচিত্র ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর। শুক্রবার যার উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খান কামাল। বিশেষ অতিথি ভারতের রাষ্ট্রদূত মি. বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী। ‘উপমহাদেশে জঙ্গি মৌলবাদী সন্ত্রাস দমন: সরকার ও নাগরিক সমাজের করণীয়’ আলোচনা সভায় লেখক সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির সভাপতিত্ব করবেন।

বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, নির্মূল কমিটির সহসভাপতি শহীদজায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ভাষাসৈনিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের পৌত্রী সমাজকর্মী আরমা দত্ত এমপি, বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সমিতির সভাপতি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রশিদুল আলম এবং ইনস্টিটিউট অব কনফ্লিক্ট, ল এন্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ-এর নির্বাহী পরিচালক নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল মোঃ আবদুর রশীদ (অব.) আলোচনায় অংশ নেবেন।

নির্মূল কমিটির জানায়, ১৯৭৫ সালে সপরিবারে বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পৃক্ততা সম্পর্কে বহু গবেষণামূলক রচনা রয়েছে। এরপর থেকে বাংলাদেশ অধিকাংশ সময় শাসিত হয়েছে স্বাধীনতাবিরোধী পাকিস্তানপন্থী জঙ্গি মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তির দ্বারা। পাকিস্তানের পৃষ্ঠপোষকতায় বিএনপি-

জামায়াতের জোট সরকারের আমলে বাংলাদেশে অসংখ্য হত্যা ও সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেছে। যার ভেতর সবচেয়ে ভয়াবহ ছিল ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং বর্তমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় গ্রেণেড হামলা। যা ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা হিসেবে পালন হয়ে আসছে।

হামলাকারীরা বলেছে কীভাবে তারা পাকিস্তানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয়েছে এবং হামলায় ব্যবহৃত আর্জেস গ্রেণেডও পাকিস্তান থেকে এসেছে। ’৭১-এর পরাজয়ের প্রতিশোধ নেয়ার জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো প্রকাশ্যে ও গোপনে যে সব তৎপরতা চালাচ্ছে তা গোটা দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে মনে করা হয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

২৬/১১ মুম্বাই হামলার ১৩তম বার্ষিকী

আপডেট সময় : ০৯:৩৭:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ নভেম্বর ২০২১

২৬/১১র রাতে দাউ দাউ করে জ্বলছে মুম্বাইয়ের আইকনিক তাজ হোটেল ছবি সংগ্রহ

ভারতের বাণিজ্যিক নগরী মুম্বাইকে প্রায় চারদিন ধরে স্তব্ধ করে রাখা ২৬/১১-এর ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ১৩ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। এই হামলার জন্য যে সব জঙ্গিরা তথ্যসংগ্রহ করত, তারা পরে স্বীকার করেছে যে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিগেন্স (আইএসআই) তাদের মদত জোগাত। ২০০৮ সালের ২৬ থেকে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত এই হামলা চলে। ঘটনায় ১৬৪ জন নিহত ও কমপক্ষে ৩০৮ জন আহত হন। সারা বিশ্বে এই ঘটনা তীব্রভাবে নিন্দিত হয়।

কোলাবার সমুদ্রতটে ডিঙি নৌকায় করে এসে নামা জনা-দশেক জঙ্গি মুম্বাইয়ের নানা জায়গায় গুলি-বোমা-গ্রেনেড দিয়ে যে হত্যা-লীলা চালিয়েছিল, তাতে মারা যান অন্তত ১৬৪ জন। ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর মুম্বাইতে নজিরবিহীন জঙ্গি হামলায় যারা নিহত হয়েছিলেন, তাদের মধ্যে ভারত ছাড়াও আমেরিকা, ইসরায়েল, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্সসহ প্রায় ১৬টি রাষ্ট্রের ৩০জন নাগরিক ছিলেন। গুরুতর জখম হয়েছিলেন আরও অন্তত সাতটি দেশের নাগরিকরা।

এদের প্রায় সবাই ছিলেন তাজমহল প্যালেস হোটেল বা নরিম্যান পয়েন্টে ওবেরয় হোটেলের অতিথি কিংবা তারা খেতে এসেছিলেন কোলাবার লিওপোল্ড ক্যাফে রেস্তোরাঁয়।

মুম্বাই হামলার ১০ বছরপূতীতে বিবিসি এক প্রতিবেদনে বলেছিলো, হামলা চলাকালীন রিয়াল টাইম গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করেছিল ইসরায়েল ও তাদের গোয়েন্দা বাহিনী মোসাদ। পরে তারা বেশ সক্রিয়ভাবে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার প্রস্তুতি ও কাউন্টার টেররজিমের ক্ষেত্রেও অনেক সাহায্য করেছে।

কিন্তু এই ধরনের কিছু সহযোগিতা বা ভারত-মার্কিন, ভারত-ইসরায়েল যৌথ বিবৃতি ছাড়া সত্যিকারের কোনও অ্যাকশন কিন্তু একেবারেই হয়নি। ওসামা বিন লাদেনকে ধরতে যে ধরনের মার্কিন তৎপরতা ছিল তার ছিটেফোঁটাও এক্ষেত্রে চোখে পড়েনি। যদিও অন্তত ছ’জন আমেরিকান নাগরিক ২৬/১১ হামলায় মারা গিয়েছিলেন।

বাংলাদেশে তিনদিনের কর্মসূচি নিয়েছে এটি সংগঠন। ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি এ সংক্রান্ত এক সংবাদ বার্তায় জানিয়েছে যে, ২০০৮ সালের ২৬ নবেম্বর পাকিস্তানের মদদপুষ্ট জঙ্গিদের নজিরবিহীন সন্ত্রাসী হামলায় ভারতের মুম্বাইয়ের তাজ হোটেল এবং সংশ্লিষ্ট এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। যেখানে ভারতীয়সহ ২২টি দেশের নাগরিক হতাহত হয়েছিলেন। পাকিস্তান কীভাবে বাংলাদেশ ও ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে জঙ্গিবাদ রফতানি করে ধর্মের নামে হত্যা, সন্ত্রাস ও ধ্বংসযজ্ঞ সাধন করে তা বাংলাদেশ ’৭১’র মুক্তিযুদ্ধকালে প্রত্যক্ষ করেছে।

২৬ নভেম্বর মুম্বাই হামলার ১৩তম বার্ষিকীতে ঘিরে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সমিতির সহযোগিতায় শিল্পকলা একাডেমির আয়োজন করেছে ৩ দিনব্যাপী আলোকচিত্র ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর। শুক্রবার যার উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খান কামাল। বিশেষ অতিথি ভারতের রাষ্ট্রদূত মি. বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী। ‘উপমহাদেশে জঙ্গি মৌলবাদী সন্ত্রাস দমন: সরকার ও নাগরিক সমাজের করণীয়’ আলোচনা সভায় লেখক সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির সভাপতিত্ব করবেন।

বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, নির্মূল কমিটির সহসভাপতি শহীদজায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ভাষাসৈনিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের পৌত্রী সমাজকর্মী আরমা দত্ত এমপি, বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সমিতির সভাপতি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রশিদুল আলম এবং ইনস্টিটিউট অব কনফ্লিক্ট, ল এন্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ-এর নির্বাহী পরিচালক নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল মোঃ আবদুর রশীদ (অব.) আলোচনায় অংশ নেবেন।

নির্মূল কমিটির জানায়, ১৯৭৫ সালে সপরিবারে বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পৃক্ততা সম্পর্কে বহু গবেষণামূলক রচনা রয়েছে। এরপর থেকে বাংলাদেশ অধিকাংশ সময় শাসিত হয়েছে স্বাধীনতাবিরোধী পাকিস্তানপন্থী জঙ্গি মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তির দ্বারা। পাকিস্তানের পৃষ্ঠপোষকতায় বিএনপি-

জামায়াতের জোট সরকারের আমলে বাংলাদেশে অসংখ্য হত্যা ও সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেছে। যার ভেতর সবচেয়ে ভয়াবহ ছিল ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং বর্তমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় গ্রেণেড হামলা। যা ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা হিসেবে পালন হয়ে আসছে।

হামলাকারীরা বলেছে কীভাবে তারা পাকিস্তানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয়েছে এবং হামলায় ব্যবহৃত আর্জেস গ্রেণেডও পাকিস্তান থেকে এসেছে। ’৭১-এর পরাজয়ের প্রতিশোধ নেয়ার জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো প্রকাশ্যে ও গোপনে যে সব তৎপরতা চালাচ্ছে তা গোটা দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে মনে করা হয়।