শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় শহীদ জিয়াউর রহমানের জন্মদিন উদ্যাপন
- আপডেট সময় : ১২:১০:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে
সারা দেশে বিএনপির দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি
গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় ঢাকাসহ সারা দেশে যথাযথ মর্যাদায় মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মদিন উদ্যাপন করা হয়েছে। গতকাল ১৯ জানুয়ারি ছিল তাঁর ৯১তম জন্মবার্ষিকী। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কেন্দ্রীয়ভাবে দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করে।
কর্মসূচির দ্বিতীয় ও শেষ দিনে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় রাজধানীর কাকরাইলস্থ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এ সভায় বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান দর্শকের সারিতে উপস্থিত থাকবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
এর আগে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে ফাতিহা পাঠ, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের হাজারো নেতা-কর্মী অংশ নেন। এ সময় জিয়ার মাজার প্রাঙ্গণে সাধারণ মানুষেরও ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
সোমবার কর্মসূচির প্রথম দিনে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসটির সূচনা হয়। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা, চিকিৎসা ক্যাম্প ও রক্তদান কর্মসূচিসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করে।
শহীদ জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক অবিস্মরণীয় নাম। তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন, সংবাদপত্র ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছেন এবং ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ হিসেবে পরিচিত দেশকে অর্থনৈতিক সম্ভাবনার পথে এগিয়ে নিয়েছেন। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপি নতুন করে গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক করার শপথ গ্রহণ করেছে।
শ্রদ্ধা নিবেদনকালে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। দিবসটি উপলক্ষে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) চিকিৎসা ক্যাম্প ও রক্তদান কর্মসূচি পালন করে। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনসহ দলীয় বিভিন্ন সংগঠন দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে।
এ ছাড়া জন্মদিন উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে পোস্টার-ব্যানার টাঙানো হয় এবং জাতীয় দৈনিকগুলোতে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হয়, যা শহীদ জিয়ার রাজনৈতিক ও কর্মময় জীবনের প্রতি শ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।



















