ঢাকা ১০:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রান্তিক নারীদের আয়বৃদ্ধিমূলক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিতে হবে: বিএনপিএস নদী ভাঙনের হুমকিতে মধ্যনগরের মহিষখলা জাতীয় স্মৃতিসৌধ ট্রাম্প-পুতিনের ফোন আলোচনা ইরান যুদ্ধ ও তেল বাজার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি, ১,৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভ্যন্তরীণ তদন্ত দেড় কোটি মানুষ ছাড়ছে ঢাকা, ঈদে জনস্রোত সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ কমার একদিন পরই বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে বেড়েছে ৩,২৬৬ টাকা বিশ্ব ঐতিহ্যের জামদানি বুনেও কষ্টের জীবন রূপগঞ্জের তাঁতিদের ফ্যামিলি কার্ড নারীর ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে: সিপিডি ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য সরকারের: প্রধানমন্ত্রী

মানুষের মন থেকে পুলিশভীতি তাড়াতে হবে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩২:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০ ৫৯০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, পুলিশ ও জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে পুলিশ সদস্যদের নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। মানুষের মন থেকে পুলিশভিতি তাড়াতে হবে। কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০২০’ উপলক্ষে  দেয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ এই নীতির আলোকে কমিউনিটি পুলিশিং পরিচালিত হচ্ছে। মানুষের মন থেকে পুলিশভীতি দূর করতে হবে। পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে জনগণের মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার ও আইনের শাসনকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থাকে সামাজিক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

এবারে কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০২০ এর প্রতিপাদ্য ‘মুজিববর্ষের মূলমন্ত্র কমিউনিটি পুলিশিং সর্বত্র’ অত্যন্ত যথার্থ ও সময়োপযোগী বলে আমি মনে করি। রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছে। সাম্প্রতিক সময়ে জঙ্গি ও সন্ত্রাস দমন, গণতন্ত্র রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পুলিশের উল্লেখযোগ্য সাফল্য রয়েছে। বিশেষভাবে করোনাক্রান্তিকালে মানবসেবার মাধ্যমে পুলিশ সদস্যগণ দেশপ্রেম, পেশাদারিত্ব ও মানবিকতার যে অনুপম নিদর্শন স্থাপন করেছে, তা সাধারণ মানুষের কাছে পুলিশের ভাবমূর্তি ও মর্যাদা বহুলাংশে উজ্জ্বল করেছে।

ঔাষ্ট্রপতি তার বাণীতে আরও  বলেন, কমিউনিটি পুলিশিংয়ের যথাযথ প্রসার ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধিকল্পে সবার মধ্যে স্বচ্ছ ও সুস্পষ্ট ধারণা তৈরি ও বাস্তব ক্ষেত্রে তা প্রয়োগের ক্ষমতা সৃষ্টির লক্ষ্যে পুলিশ ও জনগণকে একযোগে কাজ করে যেতে হবে।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার যে যাত্রা আমরা শুরু করেছি, ইতোমধ্যে অনেক ক্ষেত্রেই আমরা সে যাত্রায় সফলতা অর্জন করতে পেরেছি। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ পুলিশও একান্ত সারথী হিসেবে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশকে জনগণের পুলিশ হিসেবে গড়ে তুলতে পুলিশ সদস্যদের সদা সচেষ্ট থাকতে হবে। একটি জনবান্ধব পুলিশি ব্যবস্থার ক্ষেত্রে কমিউনিটি পুলিশিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে দৃঢ় বিশ্বাস। ‘কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০২০’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন তিনি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মানুষের মন থেকে পুলিশভীতি তাড়াতে হবে

আপডেট সময় : ০৩:৩২:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, পুলিশ ও জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে পুলিশ সদস্যদের নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। মানুষের মন থেকে পুলিশভিতি তাড়াতে হবে। কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০২০’ উপলক্ষে  দেয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ এই নীতির আলোকে কমিউনিটি পুলিশিং পরিচালিত হচ্ছে। মানুষের মন থেকে পুলিশভীতি দূর করতে হবে। পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে জনগণের মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার ও আইনের শাসনকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থাকে সামাজিক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

এবারে কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০২০ এর প্রতিপাদ্য ‘মুজিববর্ষের মূলমন্ত্র কমিউনিটি পুলিশিং সর্বত্র’ অত্যন্ত যথার্থ ও সময়োপযোগী বলে আমি মনে করি। রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছে। সাম্প্রতিক সময়ে জঙ্গি ও সন্ত্রাস দমন, গণতন্ত্র রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পুলিশের উল্লেখযোগ্য সাফল্য রয়েছে। বিশেষভাবে করোনাক্রান্তিকালে মানবসেবার মাধ্যমে পুলিশ সদস্যগণ দেশপ্রেম, পেশাদারিত্ব ও মানবিকতার যে অনুপম নিদর্শন স্থাপন করেছে, তা সাধারণ মানুষের কাছে পুলিশের ভাবমূর্তি ও মর্যাদা বহুলাংশে উজ্জ্বল করেছে।

ঔাষ্ট্রপতি তার বাণীতে আরও  বলেন, কমিউনিটি পুলিশিংয়ের যথাযথ প্রসার ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধিকল্পে সবার মধ্যে স্বচ্ছ ও সুস্পষ্ট ধারণা তৈরি ও বাস্তব ক্ষেত্রে তা প্রয়োগের ক্ষমতা সৃষ্টির লক্ষ্যে পুলিশ ও জনগণকে একযোগে কাজ করে যেতে হবে।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার যে যাত্রা আমরা শুরু করেছি, ইতোমধ্যে অনেক ক্ষেত্রেই আমরা সে যাত্রায় সফলতা অর্জন করতে পেরেছি। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ পুলিশও একান্ত সারথী হিসেবে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশকে জনগণের পুলিশ হিসেবে গড়ে তুলতে পুলিশ সদস্যদের সদা সচেষ্ট থাকতে হবে। একটি জনবান্ধব পুলিশি ব্যবস্থার ক্ষেত্রে কমিউনিটি পুলিশিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে দৃঢ় বিশ্বাস। ‘কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০২০’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন তিনি।