ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শবে বরাত শার্শায় র‌্যাবের অভিযানে ২৯৭০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক খুব শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে-চীনা রাষ্ট্রদূত তৈরি পোশাকখাত এখন পোশাক খাত এখন আইসিইউতে: মোহাম্মদ হাতেম তারেক রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ব্যবসা মন্দা, আয় সংকোচন ও রাজস্ব ঘাটতি ৪৬ হাজার কোটি  নির্বাচন কমিশনের সামনে বিজিবি মোতায়েন, ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত মাদারীপুরে বাস অটোরিকশা সংঘর্ষ প্রাণ গেল ৬জনের বাংলাদেশে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার ব্যাখ্যা দিল অন্তর্বর্তী সরকার রমজান সামনে আগেই চড়া বাজার: দামে লাগাম টানতে কড়া নজরদাবি জরুরি

ভারতের উপহারের আরও ২০টি রেলইঞ্জিন পেল বাংলাদেশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৫:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মে ২০২৩ ১৭৪ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আমিনুল হক, ঢাকা 

ভারতের উপহারের আরও ২০টি রেলইঞ্জিন পেল বাংলাদেশ। এর আগে ২০২০ সালে প্রথম দফায় ১০টি রেলইঞ্জি উপহার দেয় ভারত। মঙ্গলবার বিকালে ঢাকায় রেলভবন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে দিল্লী থেকে ভারতের রেলপথমন্ত্রী অশি^নী বৈষ্ণব যুক্ত হয়ে রেলইঞ্জিনগুলো হস্তান্তর করা হয়। এসময় ঢাকায় রেলভবনে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভর্মা উপস্থিত ছিলেন। রেলপথ মন্ত্রী নুলরুল ইসলাম সুজন বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক রক্তের ঋণ। রেলইঞ্জিগুলো পাওয়ায় বিশেষ করে বাংলাদেশের পণ্যপরিবহন গতিশীল হবে।

এসময় উভয় দেশের মন্ত্রী বিশ^াস করেন, ভারত-বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক দু’দেশের আস্থা ও বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে রয়েছে। ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার ক্ষেত্রে দু’দেশের রেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ভারতের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তুলে দেওয়া হলো ২০টি ব্রডগেজ ডিজেল রেলইঞ্জিন। পশ্চিবঙ্গের গেদে স্টেশনে ভার্চ্যুয়ালী অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। এসময় উভয় দেশের মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক পারস্পরিক বিশ্বাস আর শ্রদ্ধার ভিত্তিতে রচিত।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, অবকাঠামো, নিরাপত্তাসহ সার্বিক বিষয়ে দু’দেশের মধ্যে সোনালি অধ্যায় চলছে। রেলইঞ্জিন হস্তান্তরের এই দিনটি ভারত-বাংলাদেশের আরও একটি সৌহার্দ্যের স্মরক হয়ে থাকলো। প্রথম দফায় ২০২০ সালের ২৭ জুলাই ১০টি ব্রডগেজ রেলইঞ্জিন দিয়েছিল ভারত। উপহারের কুড়িটি রেলইঞ্জিন পণ্যপরিবহণে গতি বাড়াবে বাংলাদেশ রেলওয়ের।

মঙ্গলবার বিকাল চারটে নাগাদ ঢাকা রেলভবনে হস্তান্তর অনুষ্ঠানে হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন ও ভারতের রেলপথ মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব যুক্ত ছিলেন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফরকালে রেলইঞ্জিন সরবরাহে সম্মত হয়।

বাংলাদেশের কাছে ২০টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে, দর্শনা-গেদে ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্টে ২০টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ হস্তান্তর করা হয় এবং ভারতের রেলমন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ভার্চুয়ালি এর সূচনা করেন। এসময় ঢাকার রেলভবনে বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন ইঞ্জিনগুলো গ্রহণ করেন। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর চলাকালীন প্রতিশ্রুতি অংশ হিসাবে ভারত সরকারের অনুদানের ২০টি লোকোমোটিভ হস্তান্তরকরণ করা হয়।

লোকোমোটিভগুলো যাত্রী ও মালবাহী ট্রেনের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ের সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক রক্তের ঋণ। কভিডকালীন যোগাযোগ বন্ধ ছিল। সেসময় ভারত বাংলাদেশে অক্সিজেন এবং পণ্যট্রেন পরিচালনা করে। তিনি ভারতের সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে ভারতের রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব উল্লেখ করেন যে, ঐতিহাসিকভাবে ভারত ও বাংলাদেশে একই ধরণের রেলওয়ে ব্যবস্থা বিদ্যমান এবং এই সেক্টর স্বাভাবিকভাবেই একে অপরের পরিপূরক। ভারতের কাছ থেকে বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে ২০টি বিজি লোকো হস্তান্তর বাংলাদেশের জনগণের জন্য রেল ভ্রমণকে সহজ করে স্বাচ্ছন্দ্য এনে দেবে। বাংলাদেশকে এই লোকোগুলোর অনুদান প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে সম্পদ ও দক্ষতা বিনিময়ের একটি চমৎকার উদাহরণ।

ভারতের রেলমন্ত্রী শ্রী বৈষ্ণব যোগ করেন যে, বহুমুখী সংযোগ বৃদ্ধিকরণ উভয় সরকারের জন্য অগ্রাধিকার ছিল এবং বিশেষ করে রেলওয়ে, উভয় দেশের অর্থনীতির পাশাপাশি সমগ্র উপ-অঞ্চলকে রূপান্তরিত করার ক্ষমতা রাখে। তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে এবং কার্যকর ও পরিবেশ-বান্ধব উন্নয়নের লক্ষ্যে রেলওয়ে যোগাযোগের আরও প্রবৃদ্ধিকরণ একটি মূল চালিকাশক্তি হিসেবে পারস্পরিকভাবে স্বীকৃত হয়েছে। প্রায় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রকল্প নিয়ে বাংলাদেশ হলো ভারতের বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী।

রেল সংযোগ হচ্ছে দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন অংশীদারত্বের অন্যতম প্রধান উপাদান, যার মাঝে ভারতীয় লাইন অব ক্রেডিটের আওতায় ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে রেল সেক্টরের প্রকল্পসমূহ ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে এবং ১.৬৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি মূল্যমানের প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়নের বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। দুই দেশের জনগণের মধ্যে গভীর সম্পর্কের অংশ হিসাবে কলকাতা-ঢাকা, কলকাতা-খুলনা ও ঢাকা-নিউ জলপাইগুঁড়ির মধ্যে তিনটি আন্তঃসীমান্ত ট্রেন সার্ভিস চালু রয়েছে। বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার শ্রী প্রণয় ভার্মা ঢাকার রেল ভবন থেকে ভার্চুয়ালি এই অনুষ্ঠানে যোগদান করেন এবং ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাই কমিশনার মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান দিল্লির রেল ভবন থেকে ভার্চুয়ালি এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভারতের উপহারের আরও ২০টি রেলইঞ্জিন পেল বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৮:১৫:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মে ২০২৩

আমিনুল হক, ঢাকা 

ভারতের উপহারের আরও ২০টি রেলইঞ্জিন পেল বাংলাদেশ। এর আগে ২০২০ সালে প্রথম দফায় ১০টি রেলইঞ্জি উপহার দেয় ভারত। মঙ্গলবার বিকালে ঢাকায় রেলভবন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে দিল্লী থেকে ভারতের রেলপথমন্ত্রী অশি^নী বৈষ্ণব যুক্ত হয়ে রেলইঞ্জিনগুলো হস্তান্তর করা হয়। এসময় ঢাকায় রেলভবনে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভর্মা উপস্থিত ছিলেন। রেলপথ মন্ত্রী নুলরুল ইসলাম সুজন বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক রক্তের ঋণ। রেলইঞ্জিগুলো পাওয়ায় বিশেষ করে বাংলাদেশের পণ্যপরিবহন গতিশীল হবে।

এসময় উভয় দেশের মন্ত্রী বিশ^াস করেন, ভারত-বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক দু’দেশের আস্থা ও বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে রয়েছে। ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার ক্ষেত্রে দু’দেশের রেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ভারতের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তুলে দেওয়া হলো ২০টি ব্রডগেজ ডিজেল রেলইঞ্জিন। পশ্চিবঙ্গের গেদে স্টেশনে ভার্চ্যুয়ালী অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। এসময় উভয় দেশের মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক পারস্পরিক বিশ্বাস আর শ্রদ্ধার ভিত্তিতে রচিত।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, অবকাঠামো, নিরাপত্তাসহ সার্বিক বিষয়ে দু’দেশের মধ্যে সোনালি অধ্যায় চলছে। রেলইঞ্জিন হস্তান্তরের এই দিনটি ভারত-বাংলাদেশের আরও একটি সৌহার্দ্যের স্মরক হয়ে থাকলো। প্রথম দফায় ২০২০ সালের ২৭ জুলাই ১০টি ব্রডগেজ রেলইঞ্জিন দিয়েছিল ভারত। উপহারের কুড়িটি রেলইঞ্জিন পণ্যপরিবহণে গতি বাড়াবে বাংলাদেশ রেলওয়ের।

মঙ্গলবার বিকাল চারটে নাগাদ ঢাকা রেলভবনে হস্তান্তর অনুষ্ঠানে হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন ও ভারতের রেলপথ মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব যুক্ত ছিলেন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফরকালে রেলইঞ্জিন সরবরাহে সম্মত হয়।

বাংলাদেশের কাছে ২০টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে, দর্শনা-গেদে ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্টে ২০টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ হস্তান্তর করা হয় এবং ভারতের রেলমন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ভার্চুয়ালি এর সূচনা করেন। এসময় ঢাকার রেলভবনে বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন ইঞ্জিনগুলো গ্রহণ করেন। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর চলাকালীন প্রতিশ্রুতি অংশ হিসাবে ভারত সরকারের অনুদানের ২০টি লোকোমোটিভ হস্তান্তরকরণ করা হয়।

লোকোমোটিভগুলো যাত্রী ও মালবাহী ট্রেনের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ের সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক রক্তের ঋণ। কভিডকালীন যোগাযোগ বন্ধ ছিল। সেসময় ভারত বাংলাদেশে অক্সিজেন এবং পণ্যট্রেন পরিচালনা করে। তিনি ভারতের সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে ভারতের রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব উল্লেখ করেন যে, ঐতিহাসিকভাবে ভারত ও বাংলাদেশে একই ধরণের রেলওয়ে ব্যবস্থা বিদ্যমান এবং এই সেক্টর স্বাভাবিকভাবেই একে অপরের পরিপূরক। ভারতের কাছ থেকে বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে ২০টি বিজি লোকো হস্তান্তর বাংলাদেশের জনগণের জন্য রেল ভ্রমণকে সহজ করে স্বাচ্ছন্দ্য এনে দেবে। বাংলাদেশকে এই লোকোগুলোর অনুদান প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে সম্পদ ও দক্ষতা বিনিময়ের একটি চমৎকার উদাহরণ।

ভারতের রেলমন্ত্রী শ্রী বৈষ্ণব যোগ করেন যে, বহুমুখী সংযোগ বৃদ্ধিকরণ উভয় সরকারের জন্য অগ্রাধিকার ছিল এবং বিশেষ করে রেলওয়ে, উভয় দেশের অর্থনীতির পাশাপাশি সমগ্র উপ-অঞ্চলকে রূপান্তরিত করার ক্ষমতা রাখে। তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে এবং কার্যকর ও পরিবেশ-বান্ধব উন্নয়নের লক্ষ্যে রেলওয়ে যোগাযোগের আরও প্রবৃদ্ধিকরণ একটি মূল চালিকাশক্তি হিসেবে পারস্পরিকভাবে স্বীকৃত হয়েছে। প্রায় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রকল্প নিয়ে বাংলাদেশ হলো ভারতের বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী।

রেল সংযোগ হচ্ছে দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন অংশীদারত্বের অন্যতম প্রধান উপাদান, যার মাঝে ভারতীয় লাইন অব ক্রেডিটের আওতায় ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে রেল সেক্টরের প্রকল্পসমূহ ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে এবং ১.৬৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি মূল্যমানের প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়নের বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। দুই দেশের জনগণের মধ্যে গভীর সম্পর্কের অংশ হিসাবে কলকাতা-ঢাকা, কলকাতা-খুলনা ও ঢাকা-নিউ জলপাইগুঁড়ির মধ্যে তিনটি আন্তঃসীমান্ত ট্রেন সার্ভিস চালু রয়েছে। বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার শ্রী প্রণয় ভার্মা ঢাকার রেল ভবন থেকে ভার্চুয়ালি এই অনুষ্ঠানে যোগদান করেন এবং ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাই কমিশনার মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান দিল্লির রেল ভবন থেকে ভার্চুয়ালি এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন।