ঢাকা ০৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুদ্ধ বন্ধে প্রথমবার ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসছে রাশিয়া, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা, তারপরও ভারতে ম্যাচ! আইসিসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ফারুকীর ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাবে না বাংলাদেশ আগামী নির্বাচনে ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৫ জন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে এশিয়ার সর্ববৃহৎ সরস্বতী পূজা, ‘গ্রিনেসবুকে’ উদ্যোগ একাত্তরেই বাংলার মানুষ তাদের দেখে নিয়েছে: তারেক রহমান সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস সেনাবাহিনীর নির্বাচিত হলে ‘নবিজির ন্যায়ের’ ভিত্তিতে দেশ পরিচালনার অঙ্গীকার তারেক রহমানের যে কারণে  সিলেট থেকেই বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করে পুণ্যভূমি সিলেট থেকে নির্বাচনী মাঠে নামলেন তারেক রহমান

বাংলাদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তন সম্পর্কে যা বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:১১:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১৭১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে ট্রাম্প-মোদি বৈঠক করেন।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্রের ডিপ স্টেটের কোনো ভূমিকা ছিল না বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বৈঠক শেষে এক ভারতীয় সাংবাদিকের কাছ থেকে প্রশ্নটি আসে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দিকে। তিনি জানতে চান, আমরা জানি বাংলাদেশে ক্ষমতার পালাবদলে বাইডেন প্রশাসনের সময় মার্কিন ডিপ স্টেট জড়িত ছিল। সম্প্রতি মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে জুনিয়র সোরোসের (জর্জ সোরোসের ছেলে) বৈঠকেও তা প্রমাণিত। তো বাংলাদেশ নিয়ে আপনি কী বলবেন?

জবাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘না, আমাদের ডিপ স্টেটের এখানে (বাংলাদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে) কোনো ভূমিকা ছিল না। প্রধানমন্ত্রী (নরেন্দ্র মোদি) এই বিষয়টা নিয়ে বহুদিন ধরে কাজ করছেন। এটা নিয়ে (ভারত) শত শত বছর ধরে কাজ করছে। বস্তুত আমি এরকমই পড়েছি।

এরপর তিনি বলেন, কাজেই এটা আমি প্রধানমন্ত্রীর ওপরই ছেড়ে দেব। এ কথা বলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পাশে বসা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দিকে ইঙ্গিত করেন। অর্থাৎ বাংলাদেশ নিয়ে ওই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য তা মোদির ওপর ছেড়ে দেন।

বাংলাদেশ প্রসঙ্গ দুই নেতার মধ্যে আলোচনায় আদৌ আসবে কি না, তা নিয়েও সংশয় ছিল। তার কারণ ট্রাম্পের ‘ট্যারিফ যুদ্ধ’!তবে ভারতীয় সাংবাদিকের কারণে বাংলাদেশ ইস্যু নিয়ে কথা বলতেই হলো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে।

এদিকে, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আমেরিকার শীর্ষ নেতৃত্বের কাছ থেকে এ বার্তা আশাব্যঞ্জক বলেই ভাবছে ভারত, এমন মত দিল্লির কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

ভারতের একটি শীর্ষ কূটনৈতিক সূত্র জানাচ্ছে, ভারত যে তাদের ঘরের পাশে একটি শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল, গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ দেখতে চায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সেটাই জানানো হয়েছে এবং তিনিও এই নীতির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন।

এর আগে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের অর্থনৈতিক সম্পর্কে ‘ন্যায্যতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার’ সংকল্প ব্যক্ত করেন ট্রাম্প । তিনি বলেন, এই সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি কমবে এবং সম্ভবত শুল্ক বাড়বে।

ট্রাম্প বলেন, ভারত যে পরিমাণ শুল্ক আরোপ করবে, আমরাও সেই পরিমাণই আরোপ করবো। সুতরাং সত্য বলতে কি, তারা কত শুল্ক ধার্য করলো, তাতে আমাদের আর কিছু যায় আসে না।

তিনি আরও বলেন, আমরা মূলত সমান সুবিধা পেতে চাই।

সূত্র: ভয়েস অব আমেরিকা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তন সম্পর্কে যা বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

আপডেট সময় : ০৩:১১:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে ট্রাম্প-মোদি বৈঠক করেন।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্রের ডিপ স্টেটের কোনো ভূমিকা ছিল না বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বৈঠক শেষে এক ভারতীয় সাংবাদিকের কাছ থেকে প্রশ্নটি আসে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দিকে। তিনি জানতে চান, আমরা জানি বাংলাদেশে ক্ষমতার পালাবদলে বাইডেন প্রশাসনের সময় মার্কিন ডিপ স্টেট জড়িত ছিল। সম্প্রতি মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে জুনিয়র সোরোসের (জর্জ সোরোসের ছেলে) বৈঠকেও তা প্রমাণিত। তো বাংলাদেশ নিয়ে আপনি কী বলবেন?

জবাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘না, আমাদের ডিপ স্টেটের এখানে (বাংলাদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে) কোনো ভূমিকা ছিল না। প্রধানমন্ত্রী (নরেন্দ্র মোদি) এই বিষয়টা নিয়ে বহুদিন ধরে কাজ করছেন। এটা নিয়ে (ভারত) শত শত বছর ধরে কাজ করছে। বস্তুত আমি এরকমই পড়েছি।

এরপর তিনি বলেন, কাজেই এটা আমি প্রধানমন্ত্রীর ওপরই ছেড়ে দেব। এ কথা বলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পাশে বসা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দিকে ইঙ্গিত করেন। অর্থাৎ বাংলাদেশ নিয়ে ওই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য তা মোদির ওপর ছেড়ে দেন।

বাংলাদেশ প্রসঙ্গ দুই নেতার মধ্যে আলোচনায় আদৌ আসবে কি না, তা নিয়েও সংশয় ছিল। তার কারণ ট্রাম্পের ‘ট্যারিফ যুদ্ধ’!তবে ভারতীয় সাংবাদিকের কারণে বাংলাদেশ ইস্যু নিয়ে কথা বলতেই হলো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে।

এদিকে, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আমেরিকার শীর্ষ নেতৃত্বের কাছ থেকে এ বার্তা আশাব্যঞ্জক বলেই ভাবছে ভারত, এমন মত দিল্লির কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

ভারতের একটি শীর্ষ কূটনৈতিক সূত্র জানাচ্ছে, ভারত যে তাদের ঘরের পাশে একটি শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল, গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ দেখতে চায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সেটাই জানানো হয়েছে এবং তিনিও এই নীতির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন।

এর আগে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের অর্থনৈতিক সম্পর্কে ‘ন্যায্যতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার’ সংকল্প ব্যক্ত করেন ট্রাম্প । তিনি বলেন, এই সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি কমবে এবং সম্ভবত শুল্ক বাড়বে।

ট্রাম্প বলেন, ভারত যে পরিমাণ শুল্ক আরোপ করবে, আমরাও সেই পরিমাণই আরোপ করবো। সুতরাং সত্য বলতে কি, তারা কত শুল্ক ধার্য করলো, তাতে আমাদের আর কিছু যায় আসে না।

তিনি আরও বলেন, আমরা মূলত সমান সুবিধা পেতে চাই।

সূত্র: ভয়েস অব আমেরিকা