বসুন্ধরায় ষড়যন্ত্রমূলক বৈঠক নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ, গ্রেফতার ২২
- আপডেট সময় : ০৭:৫৭:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ অগাস্ট ২০২৫ ১৭৯ বার পড়া হয়েছে
ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেছেন, ঢাকার বসুন্ধরা এলাকায় ষড়যন্ত্রমূলক বৈঠকের রহস্য উদঘাটন এবং পেছনে জড়িতদের বের করতে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত ৮ জুলাই বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা সংলগ্ন একটি কনভেনশন সেন্টারে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কয়েকশ কর্মীর গোপন বৈঠকের ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে ইতোমধ্যে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আমরা বিষয়টা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। এ ঘটনার অন্য কোনো দিক আছে কি না, এর প্রকৃত রহস্য কী এবং কারা কারা এর পেছনে দায়ী, সেগুলো শিগগিরই উন্মোচন করা হবে।
মেজর সাদিকুল হক নামের এক সেনা কর্মকর্তার বৈঠকে অংশ নেওয়ার অভিযোগ ওঠায় তাকে হেফাজতে নিয়েছে সেনাবাহিনী। তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সেনাবাহিনীর তদন্ত আদালত গঠনেরও খবর এসেছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে শুক্রবার বিকেলে ডিএমপির সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
অন্তর্বর্তী সরকারের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ৮ অগাস্ট ঘিরে নানা হুমকির কথা সোশাল মিডিয়ায় ভাসলেও নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ধরনের শঙ্কা নেই বলে জানায় এই কর্মকর্তা।
তালেবুর রহমান বলেন, গত ৮ জুলাই বসুন্ধরা এলাকায় কে বি কনভেনশন হলে বৈঠক নিয়ে আমাদের কাছে তথ্য ছিল। কনভেনশন হলটি ভাড়া নেন শামীমা নাসরিন শম্পা নামে একজন। সে সময় তিনি বিদেশে লোক পাঠানোর নাম করে একটি প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করেছিলেন।
সেখানে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে লোকজনকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, যার প্রেক্ষিতে গত ১৩ জুলাই ভাটারা থানায় একটি মামলা করা হয়।
ভাটারা থানায় পুলিশের দায়ের করা মামলায় বলা হয়, গত ৮ জুলাই বসুন্ধরাসংলগ্ন কে বি কনভেনশন সেন্টারে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ গোপন বৈঠকের আয়োজন করে। দিনভর বৈঠকে ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীরা মিলে অংশ নেন তিন থেকে চারশ জন । সেখানে তারা সরকারবিরোধী স্লোগান দেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ পেলে সারা দেশ থেকে ঢাকায় লোক জড়ো করা, শাহবাগ মোড় দখল করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা, মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিশ্চিত করার মত পরিকল্পনা করা হয় সেখানে।
বৈঠক এবং ৮ অগাস্ট ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে নানা হুমকির আলোচনা নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তালেবুর রহমান বলেন, আমরা গত একটা বছরে বিভিন্ন সময় দেখেছি, নানা সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিনষ্ট করার জন্য পরিকল্পিতভাবে কার্যক্রম অনেকেই করেছে। এরই প্রেক্ষিতে আমরা সজাগ রয়েছি।




















