ঢাকা ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচন কমিশনের সামনে বিজিবি মোতায়েন, ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত মাদারীপুরে বাস অটোরিকশা সংঘর্ষ প্রাণ গেল ৬জনের বাংলাদেশে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার ব্যাখ্যা দিল অন্তর্বর্তী সরকার রমজান সামনে আগেই চড়া বাজার: দামে লাগাম টানতে কড়া নজরদাবি জরুরি বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি ও এপার-ওপার যাতায়তে আয় জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি এখনও তাজা, শহীদ ও আহতরা শুধু সংখ্যার অংশ নয় পোস্টাল ব্যালট নিয়ে পক্ষপাতের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের সামনে ছাত্রদলের অবস্থান বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক

দেশে কালোটাকা তৈরির দিন শেষ: অর্থ উপদেষ্টা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৪ ১৮৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

দেশে কালোটাকা তৈরির দিন শেষ। আর কালোটাকা তৈরির করতে দেওয়া হবে না। বিদেশেও টাকা পাচার করতেও দেওয়া হবে না। পাশাপাশি পাচার করা অর্থ ফেরত আনার ব্যবস্থা করা হবে।

রোববার শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন, অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা জানতে চেয়েছেন, উন্নয়নে আমাদের অগ্রাধিকার কী? জবাবে বলা হয়েছে, আর্থিক খাতের সংস্কার আমাদের সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার। এ ছাড়া প্রবৃদ্ধিতে সমতাভিত্তিক টেকসই উন্নয়নও আমাদের অগ্রাধিকার। আমরা নারীর বৈষম্যহীন উন্নয়নও চাই।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে বেছে বেছে ঋণ নেওয়া হবে। দিন দিন তো ঋণের বোঝা বাড়ছে। অর্থ চাওয়ার মানে এই নয় যে, আমরা অপচয়ের জন্য চেয়েছি। সব সাধারণ মানুষের টেকসই উন্নয়নে কাজে লাগানো হবে বলেও জানান তিনি।

বৈদেশিক ঋণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘ আমাদের অনুদান দেবে, এগুলো নেওয়া হবে। আমরা এখন থেকে বেছে বেছে ঋণ নেব। এক বছরের প্রকল্প পাঁচ বছরে হবে কিংবা সেতু আছে রাস্তা নেই, এমন প্রকল্প আর হবে না।

বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানে চলমান আন্দোলন সম্পর্কে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এই বৈষম্য উপেক্ষা করতে পারি না। এত দিন তারা চেপে ছিল, আগের সরকারের ধারে-কাছেও তারা যেতে পারেনি। আমরা এ বৈষম্য কমানোর চেষ্টা করব।

জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জাতিসংঘের সহযোগী ৪১টি সংস্থা দেখা করেছে। আমাদের অর্থনৈতিক, সমতাভিত্তিক উন্নয়নে তারা পাশে থাকবে। তাদের সাজেশন শুনেছি। সমতা বৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়ন করব। রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে ফিরে যাওয়ার দিকেও আমাদের দৃষ্টি দিতে হবে।

সালেহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, আমাদের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে উন্নয়ন সহযোগীরা অর্থ দেবে। জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠান ইউএনএইচসিআরকে বলেছি, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের জন্য অন্যরা খাবারদাবার দিচ্ছে। ইউএনএইচসিআর যেন তাদের সে দেশে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

দেশে কালোটাকা তৈরির দিন শেষ: অর্থ উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৮:৫৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৪

 

দেশে কালোটাকা তৈরির দিন শেষ। আর কালোটাকা তৈরির করতে দেওয়া হবে না। বিদেশেও টাকা পাচার করতেও দেওয়া হবে না। পাশাপাশি পাচার করা অর্থ ফেরত আনার ব্যবস্থা করা হবে।

রোববার শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন, অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা জানতে চেয়েছেন, উন্নয়নে আমাদের অগ্রাধিকার কী? জবাবে বলা হয়েছে, আর্থিক খাতের সংস্কার আমাদের সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার। এ ছাড়া প্রবৃদ্ধিতে সমতাভিত্তিক টেকসই উন্নয়নও আমাদের অগ্রাধিকার। আমরা নারীর বৈষম্যহীন উন্নয়নও চাই।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে বেছে বেছে ঋণ নেওয়া হবে। দিন দিন তো ঋণের বোঝা বাড়ছে। অর্থ চাওয়ার মানে এই নয় যে, আমরা অপচয়ের জন্য চেয়েছি। সব সাধারণ মানুষের টেকসই উন্নয়নে কাজে লাগানো হবে বলেও জানান তিনি।

বৈদেশিক ঋণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘ আমাদের অনুদান দেবে, এগুলো নেওয়া হবে। আমরা এখন থেকে বেছে বেছে ঋণ নেব। এক বছরের প্রকল্প পাঁচ বছরে হবে কিংবা সেতু আছে রাস্তা নেই, এমন প্রকল্প আর হবে না।

বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানে চলমান আন্দোলন সম্পর্কে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এই বৈষম্য উপেক্ষা করতে পারি না। এত দিন তারা চেপে ছিল, আগের সরকারের ধারে-কাছেও তারা যেতে পারেনি। আমরা এ বৈষম্য কমানোর চেষ্টা করব।

জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জাতিসংঘের সহযোগী ৪১টি সংস্থা দেখা করেছে। আমাদের অর্থনৈতিক, সমতাভিত্তিক উন্নয়নে তারা পাশে থাকবে। তাদের সাজেশন শুনেছি। সমতা বৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়ন করব। রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে ফিরে যাওয়ার দিকেও আমাদের দৃষ্টি দিতে হবে।

সালেহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, আমাদের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে উন্নয়ন সহযোগীরা অর্থ দেবে। জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠান ইউএনএইচসিআরকে বলেছি, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের জন্য অন্যরা খাবারদাবার দিচ্ছে। ইউএনএইচসিআর যেন তাদের সে দেশে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে।