ঢাকায় মৈত্রী দিবস উদযাপন
- আপডেট সময় : ০৮:২১:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২১ ২৮৩ বার পড়া হয়েছে
ভারত-বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো উদযাপন হলো ‘মৈত্রী দিবস’। পঞ্চাশ বছর আগে এই দিনে বাংলাদেশের প্রকৃত বিজয়ের দশ দিন আগেই ভারত ও ভুটান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
এই বছরের মার্চ মাসে বাংলাদেশ সফরকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৬ ডিসেম্বরকে ‘মৈত্রী দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
আমাদের বন্ধুত্বের অনন্য ভিত্তি এবং বিগত ৫০ বছরে বাংলাদেশের স্মরণীয় অগ্রযাত্রার সাক্ষ্য হিসেবে, উভয় দেশ শুধুমাত্র দিল্লী এবং ঢাকা নয়, বিশ্বের আরও ১৮টি শহরে মৈত্রী দিবস উদযাপন করেছে।
ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ভারতীয় হাই কমিশন একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও সঙ্গীতসন্ধ্যার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য, সেনাপ্রধান,
সরকারের সচিব, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পুলিশের আইজিপি, ব্যবসায়ী ও শিল্পনেতা, সংবাদমাধ্যম, শিক্ষাবিদ এবং সুশীল সমাজসহ বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিগণ।
২০২০ এবং ২০২১ সালে ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মানের জন্য নির্বাচিত বাংলাদেশী নাগরিকদেরকে বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল এবং বিপুল দর্শকের উপস্থিতিতে সংবর্ধিত করা হয়েছিল।
গান বাংলার ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী কৌশিক হোসেন তাপসের পরিচালনায় একটি জমকালো সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে উদযাপনের সমাপ্তি ঘটে। অনুষ্ঠানে ভারত ও বাংলাদেশের ৫০ জন বিশিষ্ট শিল্পী সংগীত পরিবেশন করেন।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে বর্তমান সোনালী অধ্যায় পর্যন্ত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিহাস তুলে ধরার জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নির্মিত একটি ভিডিও ঢাকায় এবং বিশ্বব্যাপী মৈত্রী দিবসের অন্যান্য অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত হয়। একটি উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উভয় দেশ কর্তৃক যৌথভাবে নির্বাচিত লোগো এবং ব্যাকড্রপ ঢাকায় এবং সারা বিশ্বে প্রদর্শিত হয়।
এই যুগান্তকারী উদযাপনটি অভিন্ন মূল্যবোধ, সংস্কৃতি এবং নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত এবং পারস্পরিক আস্থা, শ্রদ্ধা ও সমঝোতার ভিত্তিতে রচিত উভয় দেশের অদ্বিতীয়-ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বকে আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।




















