ঢাকা ০১:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন তেহরানের বিমানবন্দরে বিস্ফোরণ, পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের ইরান যুদ্ধের প্রথম ১০০ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩.৭ বিলিয়ন ডলার ইরান জয়ের ভাবনায় ট্রাম্পের সব হিসাব-নিকাশ পাল্টে যাচ্ছে সাবেক দুই উপদেষ্টার গ্রেপ্তার দাবিতে উত্তাল কর্মসূচি ঘোষণা, রাজপথে নামছে জামায়াত চলমান জীবনের গল্প: কফির ধোঁয়ায় তিন বন্ধুর আড্ডা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় যুক্ত হবেন না, সাফ জানালেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্কিন তেলবাহী জাহাজে হামলার দাবি আইআরজিসির ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে চরম মাশুল গুনছে ইসরায়েল, সপ্তাহে ক্ষতি ৯ বিলিয়ন শেকেল কৃষি ও জেলেদের সুরক্ষায় ইলিশা-রাজাপুর খাল পুনঃখননের দাবিতে মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি

ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৭৮৮

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৯:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫ ১১৫ বার পড়া হয়েছে

ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৭৮৮

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আবারও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ রোগে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একইসঙ্গে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৮৮ জন রোগী। বুধবার (১৯ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।

অধিদফতর জানায়, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত মৃত্যুবরণকারীদের তিনজন ঢাকার এবং তিনজন রাজশাহী বিভাগের বাসিন্দা। এ নিয়ে চলতি বছরের ১১ মাসে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৪৯ জনে। যদিও সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও নভেম্বরের শেষ প্রান্তে এসে মৃত্যুর সংখ্যা আবারও বাড়তে শুরু করেছে বলে বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা।

গত এক দিনে নতুন ভর্তি হওয়া ৭৮৮ জন রোগীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে নতুন রোগী ১৬৬ জন, দক্ষিণ সিটিতে ৮৬ জন, আর পুরো ঢাকায় মোট ৩১৬ জন। চট্টগ্রাম বিভাগে ১০৮ জন, রাজশাহীতে ৮৮, বরিশালে ৮৭, খুলনায় ৬৬, ময়মনসিংহে ৫৪ জন এবং সিলেট বিভাগে তিনজন নতুন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৭ হাজার ৭১২ জনে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯৭৩ জন, ফলে বছরজুড়ে মোট ছাড়পত্র পাওয়া রোগীর সংখ্যা হয়েছে ৮৪ হাজার ৫৭০ জন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌসুম শেষ হওয়ার কথা থাকলেও আবহাওয়ার অস্বাভাবিক পরিবর্তন এবং শহরের বিভিন্ন এলাকায় মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে দুর্বলতার কারণে ডেঙ্গুর প্রকোপ পুরোপুরি কমছে না। তারা নগরবাসীকে বাসাবাড়ির জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, জ্বর হলে দ্রুত পরীক্ষা করানো এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

দেশজুড়ে ডেঙ্গুর এমন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা প্রত্যাশা করছেন— নাগরিক সচেতনতা ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া সংক্রমণ কমানো সম্ভব নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৭৮৮

আপডেট সময় : ০৯:৪৯:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আবারও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ রোগে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একইসঙ্গে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৮৮ জন রোগী। বুধবার (১৯ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।

অধিদফতর জানায়, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত মৃত্যুবরণকারীদের তিনজন ঢাকার এবং তিনজন রাজশাহী বিভাগের বাসিন্দা। এ নিয়ে চলতি বছরের ১১ মাসে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৪৯ জনে। যদিও সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও নভেম্বরের শেষ প্রান্তে এসে মৃত্যুর সংখ্যা আবারও বাড়তে শুরু করেছে বলে বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা।

গত এক দিনে নতুন ভর্তি হওয়া ৭৮৮ জন রোগীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে নতুন রোগী ১৬৬ জন, দক্ষিণ সিটিতে ৮৬ জন, আর পুরো ঢাকায় মোট ৩১৬ জন। চট্টগ্রাম বিভাগে ১০৮ জন, রাজশাহীতে ৮৮, বরিশালে ৮৭, খুলনায় ৬৬, ময়মনসিংহে ৫৪ জন এবং সিলেট বিভাগে তিনজন নতুন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৭ হাজার ৭১২ জনে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯৭৩ জন, ফলে বছরজুড়ে মোট ছাড়পত্র পাওয়া রোগীর সংখ্যা হয়েছে ৮৪ হাজার ৫৭০ জন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌসুম শেষ হওয়ার কথা থাকলেও আবহাওয়ার অস্বাভাবিক পরিবর্তন এবং শহরের বিভিন্ন এলাকায় মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে দুর্বলতার কারণে ডেঙ্গুর প্রকোপ পুরোপুরি কমছে না। তারা নগরবাসীকে বাসাবাড়ির জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, জ্বর হলে দ্রুত পরীক্ষা করানো এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

দেশজুড়ে ডেঙ্গুর এমন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা প্রত্যাশা করছেন— নাগরিক সচেতনতা ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া সংক্রমণ কমানো সম্ভব নয়।