ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রান্তিক নারীদের আয়বৃদ্ধিমূলক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিতে হবে: বিএনপিএস নদী ভাঙনের হুমকিতে মধ্যনগরের মহিষখলা জাতীয় স্মৃতিসৌধ ট্রাম্প-পুতিনের ফোন আলোচনা ইরান যুদ্ধ ও তেল বাজার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি, ১,৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভ্যন্তরীণ তদন্ত দেড় কোটি মানুষ ছাড়ছে ঢাকা, ঈদে জনস্রোত সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ কমার একদিন পরই বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে বেড়েছে ৩,২৬৬ টাকা বিশ্ব ঐতিহ্যের জামদানি বুনেও কষ্টের জীবন রূপগঞ্জের তাঁতিদের ফ্যামিলি কার্ড নারীর ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে: সিপিডি ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য সরকারের: প্রধানমন্ত্রী

ট্রাম্প-পুতিনের ফোন আলোচনা ইরান যুদ্ধ ও তেল বাজার

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:০৫:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬ ৬৭ বার পড়া হয়েছে

ট্রাম্প-পুতিনের ফোন আলোচনা ইরান যুদ্ধ ও তেল বাজার

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গত সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইরান যুদ্ধ এবং ইউক্রেনে শান্তির সম্ভাবনা নিয়ে ফোনে আলোচনা করেছেন। ক্রেমলিন জানিয়েছে, এটি চলতি বছরের মধ্যে দুই নেতার প্রথম সরাসরি ফোনালাপ।

তাদের আলোচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল,  ইরান সংঘাত দ্রুত শেষ করার রুশ পরিকল্পনা, ইউক্রেনের সামরিক পরিস্থিতি এবং বিশ্ব তেলের বাজারে ভেনেজুয়েলার সম্ভাব্য প্রভাব।

ক্রেমলিনের বরাত দিয়ে জানা গেছে, পুতিন সতর্ক করে বলেছেন, ইরান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি–সংকট সৃষ্টি হয়েছে এবং হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল তেল উৎপাদন শিগগিরই পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তিনি বলেন, রাশিয়া বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল রপ্তানিকারক এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় মজুদ আছে; তাই দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার ক্ষেত্রে ইউরোপের গ্রাহকদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।

ফ্লোরিডার গলফ ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প জানিয়েছেন, পুতিন ইরান ইস্যুতে সাহায্য করতে আগ্রহী। তিনি বলেন, “ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শেষ করতে পারলে সেটিই সবচেয়ে বড় সহায়তা হবে।” ট্রাম্প আরও বলেন, বৈশ্বিক তেলের দাম কমাতে যুক্তরাষ্ট্র কিছু নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করছে এবং প্রয়োজন হলে মার্কিন নৌবাহিনী ও সহযোগীরা হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকারগুলোকে নিরাপদে পৌঁছে দেবে।

এছাড়া ট্রাম্প প্রশাসন রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা কিছু ক্ষেত্রে হ্রাস করার পরিকল্পনা করছে। বিশেষ কিছু দেশের জন্য যেমন ভারতের মতো দেশে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল কিনতে অনুমতি দেওয়া হতে পারে, যাতে তারা শাস্তির ভয় ছাড়াই তেল কিনতে পারে।

ক্রেমলিনের উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ মন্তব্য করেছেন, এই আলোচনাটি দুই দেশের পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য ‘ব্যবহারিক গুরুত্ব’ বহন করবে। উশাকভ আরও বলেন, ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের মাধ্যমে ইউক্রেন যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের সঙ্গে মেলে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ট্রাম্প-পুতিনের ফোন আলোচনা ইরান যুদ্ধ ও তেল বাজার

আপডেট সময় : ০৭:০৫:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

গত সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইরান যুদ্ধ এবং ইউক্রেনে শান্তির সম্ভাবনা নিয়ে ফোনে আলোচনা করেছেন। ক্রেমলিন জানিয়েছে, এটি চলতি বছরের মধ্যে দুই নেতার প্রথম সরাসরি ফোনালাপ।

তাদের আলোচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল,  ইরান সংঘাত দ্রুত শেষ করার রুশ পরিকল্পনা, ইউক্রেনের সামরিক পরিস্থিতি এবং বিশ্ব তেলের বাজারে ভেনেজুয়েলার সম্ভাব্য প্রভাব।

ক্রেমলিনের বরাত দিয়ে জানা গেছে, পুতিন সতর্ক করে বলেছেন, ইরান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি–সংকট সৃষ্টি হয়েছে এবং হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল তেল উৎপাদন শিগগিরই পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তিনি বলেন, রাশিয়া বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল রপ্তানিকারক এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় মজুদ আছে; তাই দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার ক্ষেত্রে ইউরোপের গ্রাহকদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।

ফ্লোরিডার গলফ ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প জানিয়েছেন, পুতিন ইরান ইস্যুতে সাহায্য করতে আগ্রহী। তিনি বলেন, “ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শেষ করতে পারলে সেটিই সবচেয়ে বড় সহায়তা হবে।” ট্রাম্প আরও বলেন, বৈশ্বিক তেলের দাম কমাতে যুক্তরাষ্ট্র কিছু নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করছে এবং প্রয়োজন হলে মার্কিন নৌবাহিনী ও সহযোগীরা হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকারগুলোকে নিরাপদে পৌঁছে দেবে।

এছাড়া ট্রাম্প প্রশাসন রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা কিছু ক্ষেত্রে হ্রাস করার পরিকল্পনা করছে। বিশেষ কিছু দেশের জন্য যেমন ভারতের মতো দেশে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল কিনতে অনুমতি দেওয়া হতে পারে, যাতে তারা শাস্তির ভয় ছাড়াই তেল কিনতে পারে।

ক্রেমলিনের উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ মন্তব্য করেছেন, এই আলোচনাটি দুই দেশের পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য ‘ব্যবহারিক গুরুত্ব’ বহন করবে। উশাকভ আরও বলেন, ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের মাধ্যমে ইউক্রেন যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের সঙ্গে মেলে।