ঢাকা ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মার্কিন তেলবাহী জাহাজে হামলার দাবি আইআরজিসির ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে চরম মাশুল গুনছে ইসরায়েল, সপ্তাহে ক্ষতি ৯ বিলিয়ন শেকেল কৃষি ও জেলেদের সুরক্ষায় ইলিশা-রাজাপুর খাল পুনঃখননের দাবিতে মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি আরও তিন সাবেক উপদেষ্টা ও এক বিশেষ সহকারীর ব্যাংক হিসাব তলব বেনাপোল পুটখালী সীমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার শিগগির ঢাকার সক্রিয় চাঁদাবাজদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন, জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, তেলের দাম লাগামছাড়া চাউলের দাম বৃদ্ধির খবরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রথানমন্ত্রীর নির্দেশ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাই কোর্টের রুল সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দূতাবাসের

চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ব্যবহারে স্থায়ী সুযোগ পেল ভারত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৮:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৩ ৩১৪ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

২০২০ সালে ভারতকে পরীক্ষামূলকভাবে ট্রানজিট সুবিধা দেয়ার পর এখন তা স্থায়ীরূপ পেল। এর আগে ২০১৯ সালের ৫ অক্টোবর নয়াদিল্লিতে ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্টের এসওপি স্বাক্ষর করেছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

দুই বছর আগে অস্থায়ী তথা পরীক্ষামূলকভাবে চট্টগ্রাম ও মোংিলা বন্দর ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছিল ভারত। এবারে স্থায়ী আদেশ জারি করলো বাংলাদেশের জাতয়ি রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

চট্টগ্রাম-মোংলা দিয়ে পণ্য এনে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আটটি নির্ধারিত রুট দিয়ে ভারতকে পণ্য আনা-নেয়ার অনুমতি দিয়ে ২৫ এপ্রিল স্থায়ী আদেশ জারি করেছে এনবিআর। কিন্তু নানা জটিলতায় ভারতের তেমন পণ্য পরিবহন না করার আশঙ্কা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রাজস্ব আয় বাড়াতে নেপাল এবং ভুটানকেও এই ট্রানজিট সুবিধার আওতায় আনার বিষঢেয় পরামর্শ ব্যবসায়ীদের।

মূলত বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত স্ট্র্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসেডিওর-এসওপি অনুযায়ী পণ্য শুল্কায়নের ব্যবস্থা নিতে কাস্টম হাউজগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে এনবিআর।

বাংলাদেশ ব্যবহার করে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সাতটি রাজ্যে পণ্য পরিবহনের জন্য আটটি রুট নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে জাহাজের মাধ্যমে আনা পণ্য বন্দর থেকে ডেলিভারি নিয়ে স্থলভাগ ব্যবহার করে পৌঁছানো হবে ভারতের র্নিধারিত গন্তব্যে।

একেবারে নামমাত্র খরচে ভারত ট্রানজিট সুবিধা পেয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতি চালানের ডকুমেন্ট ফি ৩০ টাকা, ট্রান্সশিপ ফি প্রতি টনে ২০ টাকা, ১০০ টাকা সিকিউরিটি চার্জ, এসকর্ট চার্জ ৮৫ টাকা, প্রশাসনিক চার্জ ১০০ টাকা এবং প্রতি কন্টেইনার স্ক্যানিং ফি ২৫৪ টাকা নির্ধারণ করেছে এনবিআর।

অবশ্য গত ৩ বছর ধরে চলা পরীক্ষামূলক ট্রান্সশিপমেন্টে একেবারে সামান্য পরিমাণে পণ্যপরিবহন করেছে ভারত। একক দেশ হিসেবে ভারতকে ট্রানজিট কিংবা ট্রান্সশিপমেন্ট দেয়ায় কার্যকর রাজস্ব আদায় সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় রাজস্ব বাড়াতে নেপাল ও ভুটানকে এই ট্রানজিটের আওতায় আনার কোনো বিকল্প দেখছেন না বন্দর ব্যবহারকারীরা।

বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ বলেন, নেপাল ও ভুটানের ট্রানজিট সু্বধিা দেয়া প্রয়োজন। দ্রুততার সঙ্গে এ সুবিধা পেলে বাংলাদেশও এর সুবিধা পাবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ব্যবহারে স্থায়ী সুযোগ পেল ভারত

আপডেট সময় : ১২:৫৮:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক

২০২০ সালে ভারতকে পরীক্ষামূলকভাবে ট্রানজিট সুবিধা দেয়ার পর এখন তা স্থায়ীরূপ পেল। এর আগে ২০১৯ সালের ৫ অক্টোবর নয়াদিল্লিতে ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্টের এসওপি স্বাক্ষর করেছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

দুই বছর আগে অস্থায়ী তথা পরীক্ষামূলকভাবে চট্টগ্রাম ও মোংিলা বন্দর ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছিল ভারত। এবারে স্থায়ী আদেশ জারি করলো বাংলাদেশের জাতয়ি রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

চট্টগ্রাম-মোংলা দিয়ে পণ্য এনে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আটটি নির্ধারিত রুট দিয়ে ভারতকে পণ্য আনা-নেয়ার অনুমতি দিয়ে ২৫ এপ্রিল স্থায়ী আদেশ জারি করেছে এনবিআর। কিন্তু নানা জটিলতায় ভারতের তেমন পণ্য পরিবহন না করার আশঙ্কা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রাজস্ব আয় বাড়াতে নেপাল এবং ভুটানকেও এই ট্রানজিট সুবিধার আওতায় আনার বিষঢেয় পরামর্শ ব্যবসায়ীদের।

মূলত বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত স্ট্র্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসেডিওর-এসওপি অনুযায়ী পণ্য শুল্কায়নের ব্যবস্থা নিতে কাস্টম হাউজগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে এনবিআর।

বাংলাদেশ ব্যবহার করে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সাতটি রাজ্যে পণ্য পরিবহনের জন্য আটটি রুট নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে জাহাজের মাধ্যমে আনা পণ্য বন্দর থেকে ডেলিভারি নিয়ে স্থলভাগ ব্যবহার করে পৌঁছানো হবে ভারতের র্নিধারিত গন্তব্যে।

একেবারে নামমাত্র খরচে ভারত ট্রানজিট সুবিধা পেয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতি চালানের ডকুমেন্ট ফি ৩০ টাকা, ট্রান্সশিপ ফি প্রতি টনে ২০ টাকা, ১০০ টাকা সিকিউরিটি চার্জ, এসকর্ট চার্জ ৮৫ টাকা, প্রশাসনিক চার্জ ১০০ টাকা এবং প্রতি কন্টেইনার স্ক্যানিং ফি ২৫৪ টাকা নির্ধারণ করেছে এনবিআর।

অবশ্য গত ৩ বছর ধরে চলা পরীক্ষামূলক ট্রান্সশিপমেন্টে একেবারে সামান্য পরিমাণে পণ্যপরিবহন করেছে ভারত। একক দেশ হিসেবে ভারতকে ট্রানজিট কিংবা ট্রান্সশিপমেন্ট দেয়ায় কার্যকর রাজস্ব আদায় সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় রাজস্ব বাড়াতে নেপাল ও ভুটানকে এই ট্রানজিটের আওতায় আনার কোনো বিকল্প দেখছেন না বন্দর ব্যবহারকারীরা।

বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ বলেন, নেপাল ও ভুটানের ট্রানজিট সু্বধিা দেয়া প্রয়োজন। দ্রুততার সঙ্গে এ সুবিধা পেলে বাংলাদেশও এর সুবিধা পাবে।