এনসিপি থেকে পদত্যাগ, স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন ডা. তাসনিম জারা
- আপডেট সময় : ০৮:১৬:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ৮৬ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, ২৬-এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেবেন। তার নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-৯।
এনসিপির একটি সূত্র ডা. তাসনিম জারার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বার্তায় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ফেসবুক বার্তায় তিনি ঢাকা-৯ আসনের অন্তর্ভুক্ত খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা এলাকার বাসিন্দাদের উদ্দেশে বলেন, আমি আপনাদের ঘরের মেয়ে। খিলগাঁওয়েই আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা।
একটি রাজনৈতিক দলের প্ল্যাটফর্ম থেকে সংসদে গিয়ে এলাকার মানুষের ও দেশের সেবা করার স্বপ্ন ছিল আমার। জারা বলেন, বাস্তব পরিস্থিতির কারণে কোনো নির্দিষ্ট দল বা জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
জারার ভাষায়, আমি আপনাদের এবং দেশের মানুষকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়তে আমি লড়বো। পরিস্থিতি যেমনই হোক, সেই ওয়াদা রক্ষা করতে আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই এই নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবো।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দলীয় প্রার্থী হলে স্থানীয় কার্যালয়, সংগঠিত কর্মীবাহিনী এবং প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের সুবিধা থাকে। কিন্তু স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় এসব সুবিধা তার থাকবে না। আমার একমাত্র ভরসা আপনারা।
ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সততা, নিষ্ঠা এবং নতুন ধারার রাজনীতি করার অদম্য ইচ্ছাশক্তির ওপর আস্থা রেখে যদি তারা সমর্থন দেন, তবেই তিনি তাদের সেবা করার সুযোগ পাবেন।
এদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিলের আইনি বাধ্যবাধকতার কথা উল্লেখ করে তাসনিম জারা জানান, ঢাকা-৯ আসনের ৪ হাজার ৬৯৩ জন ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষর সংগ্রহ করতে হবে। রোববার থেকেই এই স্বাক্ষর সংগ্রহের কাজ শুরু হবে বলে জানান তিনি।
এছাড়া আগের নির্বাচনী ফান্ডরেইজিং কার্যক্রমে যারা অর্থ সহায়তা দিয়েছেন, তাদের মধ্যে যারা অর্থ ফেরত নিতে চান, তাদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার কথাও ফেসবুক বার্তায় তুলে ধরেন তিনি।
ডা. তাসনিম জারার এই সিদ্ধান্ত ঢাকা-৯ আসনের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।




















