ঢাকা ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচার চাইলে গণতান্ত্রিক সরকার অপরিহার্য, তারেক রহমান গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

শীত সব্জির সরবরাহে দাম কমবে, বাজার দর নিয়ে স্বস্তির খবর উধাও

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৪:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

শীত সব্জির সরবরাহে দাম কমবে, বাজার দর নিয়ে স্বস্তির খবর উধাও

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আশ্বিনের শেষ নাগাদ বাজারে শীত সব্জির সরবরাহ বাড়ার আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। তখন দামেও স্বস্তি মিলবে। এবারে আশ্বিনের শুরুতে শীত সব্জির সরবরাহ নেই বললেই চলে।

এক সময় শীত মৌসুম ছাড়া লাউ, লালশাক, পালং শাকসহ অনেক সব্জি বাজারে পাওয়া যেতো না। সময়ের পিঠ বেয়ে চাহিদা বেড়েছে। এখন বারো মাসই কোন কোন শীত সব্জি বাজারে পাওয়া যায়। তবে দাম চড়া।

বাজারের খুচরা ব্যবসায়ীদের মতে পাইকারী ব্যবসায়ীরা আগের চেয়ে বেশ চতুর হয়েছে। কারণ, তারা সিন্ডিকেট করে পণ্যে দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাছাড়া চাঁদাবজির কারণে অনেক সময় পণ্যের দাম বেড়ে যায়।

সবজির দাম বেশি হবার কারণ অধিকাংশ সবজির মৌসুম শেষ। আর কিছুদিন পরই বাজারে শীত সব্জির সরবারাহ বাড়তে থাকবে, তখন দাম অনেকেটা কমে আসার কথা জানান, ব্যবসায়ীরা। নতুন সব্জি না আসা পর্যন্ত দাম ওঠানামার মধ্যেই থাকবে। এখন বাজারে অধিকাংশ সব্জি ৮০ টাকার নিচে নেই।

বাজারে প্রতি কেজি বরবটি ১০০ টাকা, ঝিঙ্গা ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, ধন্দুল ৮০ টাকা, শসা ১০০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ টাকা এবং পটল ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একটা লম্বা সময় ধরে বাজারে প্রায় সকল ধরনের সব্জির দাম উর্ধমুখী। শুক্রবার ছুটির দিনে ঢাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে সব্জির দামের এমন চিত্র ওঠে আসে।

বাজারে পেঁপের কেজি ৩০ টাকা, জালি প্রতি পিস ৫০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৬০ টাকা, প্রতি কেজি মুলা ৮০ টাকা, টমেটো ১৪০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, গোল বেগুন ১৪০ টাকা, লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা, শিম ২৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, কচু ৬০ টাকা, কাঁচামরিচ ২৪০ টাকা এবং গাজর ১৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। কলা প্রতি হালি ৪০ টাকা। সব্জির অতিরিক্ত দামের কারণে অনেকের কেনাকাটা অর্ধেকে নেমে এসেছে।

বাজারে লাল শাক ২০ টাকা আঁটি, কলমি শাক ২ আঁটি ২০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা ও ডাটা শাক দুই আঁটি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আলু ২৫ টাকা, দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ৫ টাকা কমে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

শীত সব্জির সরবরাহে দাম কমবে, বাজার দর নিয়ে স্বস্তির খবর উধাও
শীত সব্জির সরবরাহে দাম কমবে, বাজার দর নিয়ে স্বস্তির খবর উধাও

সোনালি কক মুরগি কেজি ৩২০ টাকা ও সোনালি হাইব্রিড মুরগি ২৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার মুরগি ৩০০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ১০ টাকা কমে ১৮০ টাকা ও দেশি মুরগি ৫৮০ থেকে ৫৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সরবরাহ বাড়ায় গত সপ্তাহের চেয়ে ইলিশের দাম কিছুটা কমেছে। কেজি ওজনের ইলিশ ২০০ টাকা কমে ২০০০ থেকে ২১০০ টাকা, ৭০০ গ্রামের ইলিশ ১৮০০ টাকা, ৫০০ গ্রামের বেশি ওজনের ইলিশ ১২০০ টাকা, ৩০০ গ্রামের ইলিশ ১০০০ টাকা ও ১৫০ থেকে ২০০ গ্রামের ইলিশ ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এক কেজি শিং চাষের (প্রকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকা, দেশি শিং ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, দেশি মাগুর ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, চাষের পাঙাশ ২০০ থেকে ২৩০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকা, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, পোয়া ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ টাকায়, কই ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৩০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি ৫০০ টাকা ও পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা, গরুর কলিজা ৮০০ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা ও খাসির মাংস ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মিনিকেট চাল প্রকারভেদে ৮৫ থেকে ৯২ টাকা, নাজিরশাইল ৮৪ থেকে ৯০ টাকা, স্বর্ণা ৫৫ টাকা ও ২৮ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা কেজি দরে।

প্রতি ডজন লাল ডিম ১৩০ টাকা, হাঁসের ডিম ২২০ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১১০ টাকা ও সোনালি কক মুরগির ডিম হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শীত সব্জির সরবরাহে দাম কমবে, বাজার দর নিয়ে স্বস্তির খবর উধাও

আপডেট সময় : ০৫:৩৪:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আশ্বিনের শেষ নাগাদ বাজারে শীত সব্জির সরবরাহ বাড়ার আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। তখন দামেও স্বস্তি মিলবে। এবারে আশ্বিনের শুরুতে শীত সব্জির সরবরাহ নেই বললেই চলে।

এক সময় শীত মৌসুম ছাড়া লাউ, লালশাক, পালং শাকসহ অনেক সব্জি বাজারে পাওয়া যেতো না। সময়ের পিঠ বেয়ে চাহিদা বেড়েছে। এখন বারো মাসই কোন কোন শীত সব্জি বাজারে পাওয়া যায়। তবে দাম চড়া।

বাজারের খুচরা ব্যবসায়ীদের মতে পাইকারী ব্যবসায়ীরা আগের চেয়ে বেশ চতুর হয়েছে। কারণ, তারা সিন্ডিকেট করে পণ্যে দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাছাড়া চাঁদাবজির কারণে অনেক সময় পণ্যের দাম বেড়ে যায়।

সবজির দাম বেশি হবার কারণ অধিকাংশ সবজির মৌসুম শেষ। আর কিছুদিন পরই বাজারে শীত সব্জির সরবারাহ বাড়তে থাকবে, তখন দাম অনেকেটা কমে আসার কথা জানান, ব্যবসায়ীরা। নতুন সব্জি না আসা পর্যন্ত দাম ওঠানামার মধ্যেই থাকবে। এখন বাজারে অধিকাংশ সব্জি ৮০ টাকার নিচে নেই।

বাজারে প্রতি কেজি বরবটি ১০০ টাকা, ঝিঙ্গা ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, ধন্দুল ৮০ টাকা, শসা ১০০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ টাকা এবং পটল ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একটা লম্বা সময় ধরে বাজারে প্রায় সকল ধরনের সব্জির দাম উর্ধমুখী। শুক্রবার ছুটির দিনে ঢাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে সব্জির দামের এমন চিত্র ওঠে আসে।

বাজারে পেঁপের কেজি ৩০ টাকা, জালি প্রতি পিস ৫০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৬০ টাকা, প্রতি কেজি মুলা ৮০ টাকা, টমেটো ১৪০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, গোল বেগুন ১৪০ টাকা, লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা, শিম ২৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, কচু ৬০ টাকা, কাঁচামরিচ ২৪০ টাকা এবং গাজর ১৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। কলা প্রতি হালি ৪০ টাকা। সব্জির অতিরিক্ত দামের কারণে অনেকের কেনাকাটা অর্ধেকে নেমে এসেছে।

বাজারে লাল শাক ২০ টাকা আঁটি, কলমি শাক ২ আঁটি ২০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা ও ডাটা শাক দুই আঁটি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আলু ২৫ টাকা, দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ৫ টাকা কমে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

শীত সব্জির সরবরাহে দাম কমবে, বাজার দর নিয়ে স্বস্তির খবর উধাও
শীত সব্জির সরবরাহে দাম কমবে, বাজার দর নিয়ে স্বস্তির খবর উধাও

সোনালি কক মুরগি কেজি ৩২০ টাকা ও সোনালি হাইব্রিড মুরগি ২৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার মুরগি ৩০০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ১০ টাকা কমে ১৮০ টাকা ও দেশি মুরগি ৫৮০ থেকে ৫৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সরবরাহ বাড়ায় গত সপ্তাহের চেয়ে ইলিশের দাম কিছুটা কমেছে। কেজি ওজনের ইলিশ ২০০ টাকা কমে ২০০০ থেকে ২১০০ টাকা, ৭০০ গ্রামের ইলিশ ১৮০০ টাকা, ৫০০ গ্রামের বেশি ওজনের ইলিশ ১২০০ টাকা, ৩০০ গ্রামের ইলিশ ১০০০ টাকা ও ১৫০ থেকে ২০০ গ্রামের ইলিশ ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এক কেজি শিং চাষের (প্রকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকা, দেশি শিং ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, দেশি মাগুর ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, চাষের পাঙাশ ২০০ থেকে ২৩০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকা, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, পোয়া ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ টাকায়, কই ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৩০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি ৫০০ টাকা ও পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা, গরুর কলিজা ৮০০ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা ও খাসির মাংস ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মিনিকেট চাল প্রকারভেদে ৮৫ থেকে ৯২ টাকা, নাজিরশাইল ৮৪ থেকে ৯০ টাকা, স্বর্ণা ৫৫ টাকা ও ২৮ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা কেজি দরে।

প্রতি ডজন লাল ডিম ১৩০ টাকা, হাঁসের ডিম ২২০ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১১০ টাকা ও সোনালি কক মুরগির ডিম হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।