যাদের হাতে ‘পদার্থবিদ্যার নোবেল’
- আপডেট সময় : ০৯:২৯:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩ ২৭১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীরা অল্প সময়ে আলোক স্পন্দন তৈরির উপায় বের করেছেন। এত ক্ষুদ্র সময়ের জন্য স্পন্দন, যার মাধ্যমে ইলেকট্রনের অতিদ্রুত নড়াচড়ার ছবিও তোলা যায়।
ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী অ্যান লিয়ের, পিয়েরে আগোস্তিনি ও ফেরেন্স ক্রাউজ দেখিয়েছেন, আগে যত স্বল্প সময়ের আলোক স্পন্দন বা পালস তৈরি করা সম্ভব হয়েছিল, তারচেয়েও ছোট স্পন্দন তৈরি করা সম্ভব।
ছোট্ট একটি হামিংবার্ড পাখি সেকেন্ডে ৮০ বার ডানা ঝাপটাতে পারে। এই ঝাপটানোর গতি এত দ্রুত যে মানুষের চোখে এটা ঝাপসা একধরনের নড়াচড়া হিসাবে ধরা পড়ে।
দ্রুতগতির ফটোগ্রাফি ও প্রয়োজনীয় বিশেষ ধরনের আলো ব্যবহার করে এ ধরনের কোনো পাখি বা কিছুর উড়ে যাওয়ার ছবি তোলা সম্ভব। তাতে প্রয়োজনীয় খুঁটিনাটি বিষয়গুলোও ধরা যায়। উড়ন্ত হামিংবার্ডের ছবি তুলতে যে ধরনের এক্সপোজার দরকার, তা একবার পাখা ফেলার চেয়েও দ্রুততর হতে হয়। যত দ্রুত কোনো ঘটনা ঘটবে, তাকে ধরতে চাইলে তত দ্রুত ছবি তোলার ব্যবস্থা থাকতে হবে।
এই বছরের পদার্থবিজ্ঞানীরা সেই প্রযুক্তি নিয়েই কাজ করেছেন। তারা অ্যাটোসেকেন্ড (১০-১৮ সেকেন্ড) সময়ের মধ্যেই আলোর স্পন্দন তৈরির প্রক্রিয়া উদ্ভাবন করেছেন ও প্রয়োগ করে দেখিয়েছেন। এই পদ্ধতি এত দ্রুত যে অণু-পরমাণুর ভেতরের প্রক্রিয়াগুলোর ছবিও তোলা যায় এভাবে।
আগে বিজ্ঞানীরা ভাবতেন, ফেমটোসেকেন্ডের চেয়ে ক্ষুদ্র সময়ে আলো তৈরি করা যায় না। কাজেই প্রযুক্তি উন্নত হলেও ইলেকট্রনের ক্ষুদ্র সময়কালে ঘটা কোনো ঘটনা আসলে দেখা বা মাপা সম্ভব নয়। সে জন্য প্রয়োজন একদম নতুন ধরনের কোনো প্রযুক্তি। এই বছরের নোবেলজয়ী পদার্থবিজ্ঞানীরা ঠিক তাই করেছেন। তাদের হাত ধরে খুলে গেছে অ্যাটোসেকেন্ড পদার্থবিজ্ঞানের দুয়ার।




















