ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি ও এপার-ওপার যাতায়তে আয় জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি এখনও তাজা, শহীদ ও আহতরা শুধু সংখ্যার অংশ নয় পোস্টাল ব্যালট নিয়ে পক্ষপাতের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের সামনে ছাত্রদলের অবস্থান বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা

মহান মে দিবস: অধিকার আদায়ের দিন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০০:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ মে ২০২৪ ২২৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের অঙ্গিকারের দিন মে দিবস। শ্রমিকের ন্যায্য পাওনা এবং কর্মস্থলে ৮ শ্রমঘন্টা নির্ধারণের দাবিতে ১৮৮৬ থেকে ২০২৪ সালে এসেও ন্যায্য মজুরী এবং শ্রমঘন্টার লড়াই করতে হচ্ছে।

১৮৮৬ সালের পহেলা মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেটের শ্রমের উপযুক্ত মজুরী ও দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে আন্দোলনে নামেন। সে দিন ন্যায্য লড়াই থামিয়ে দিতে শ্রমিকদের ওপর পুলিশ গুলি চালায়। তাতে অনেক শ্রমিক হতাহত হন।

তাদের আত্মত্যাগের লড়াই আজ দুনিয়াজোড়া। তারপরও কাজের বিনিময়ে অর্থ প্রাপ্তির নিশ্চয়তা নেই। বরং ন্যায্য মজুরী পেতে আজও রাজপথে শ্রমিকদের বিক্ষোভে করতে হয়।

মে দিবস অধিকার বঞ্চিত মেহনতি মানুষের মধ্যে এক নবতর জাগরণের প্রস্ফুটন ঘটায়। মহান মে দিবসকে বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়ের ঐতিহাসিক দিন হিসাবে চিহ্নি করা হয়। আজ সরকারী ছুটি।

দিবসটি পালন উপলক্ষে দেশজুড়ে শ্রমিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করবে। ঢাকা ও শিল্পাঞ্চনগুলোতে র‌্যালি, আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হবে।

দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বাণীতে বলেন, বিশ্বব্যাপী আর্থসামাজিক উন্নয়নে শ্রমজীবী মানুষের কঠোর পরিশ্রম, ত্যাগ ও ভূমিকা অনস্বীকার্য। দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে শ্রমিকের অধিকার ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা মে দিবসে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেন। তিনি শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে মজুরি কমিশন গঠনের পাশাপাশি নতুন বেতনকাঠামো ঘোষণা করেন।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাণীতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব শ্রমজীবী মেহনতি মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মহান মে দিবস: অধিকার আদায়ের দিন

আপডেট সময় : ০৯:০০:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ মে ২০২৪

 

শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের অঙ্গিকারের দিন মে দিবস। শ্রমিকের ন্যায্য পাওনা এবং কর্মস্থলে ৮ শ্রমঘন্টা নির্ধারণের দাবিতে ১৮৮৬ থেকে ২০২৪ সালে এসেও ন্যায্য মজুরী এবং শ্রমঘন্টার লড়াই করতে হচ্ছে।

১৮৮৬ সালের পহেলা মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেটের শ্রমের উপযুক্ত মজুরী ও দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে আন্দোলনে নামেন। সে দিন ন্যায্য লড়াই থামিয়ে দিতে শ্রমিকদের ওপর পুলিশ গুলি চালায়। তাতে অনেক শ্রমিক হতাহত হন।

তাদের আত্মত্যাগের লড়াই আজ দুনিয়াজোড়া। তারপরও কাজের বিনিময়ে অর্থ প্রাপ্তির নিশ্চয়তা নেই। বরং ন্যায্য মজুরী পেতে আজও রাজপথে শ্রমিকদের বিক্ষোভে করতে হয়।

মে দিবস অধিকার বঞ্চিত মেহনতি মানুষের মধ্যে এক নবতর জাগরণের প্রস্ফুটন ঘটায়। মহান মে দিবসকে বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়ের ঐতিহাসিক দিন হিসাবে চিহ্নি করা হয়। আজ সরকারী ছুটি।

দিবসটি পালন উপলক্ষে দেশজুড়ে শ্রমিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করবে। ঢাকা ও শিল্পাঞ্চনগুলোতে র‌্যালি, আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হবে।

দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বাণীতে বলেন, বিশ্বব্যাপী আর্থসামাজিক উন্নয়নে শ্রমজীবী মানুষের কঠোর পরিশ্রম, ত্যাগ ও ভূমিকা অনস্বীকার্য। দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে শ্রমিকের অধিকার ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা মে দিবসে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেন। তিনি শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে মজুরি কমিশন গঠনের পাশাপাশি নতুন বেতনকাঠামো ঘোষণা করেন।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাণীতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব শ্রমজীবী মেহনতি মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।